ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন

উয়ারি বটেশ্বর

উয়ারি বটেশ্বর বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় অবস্থিত।এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন এবং র্বশেষ আবিষ্কৃত প্রত্নতত্ত্বস্থান।এটি মাটির নিচে একটি দূর্গ নগরী।উয়ারির বসতিকে খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনেকেই উয়ারি বটেশ্বরকে টলেমির ‘সোনাগড়া’ বলে উল্লেখ করেন।২০১০ সালে এখানে আবিষ্কৃত হয় ১৪০০ বছরের প্রাচীন ইট দিয়ে তৈরি বৌদ্ধ পদ্মমন্দির। ১৯৩০ সালে স্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ পাঠান প্রথম উয়ারি বটেশ্বরকে সুধী সমাজের নজরে আনেন।২০০০ সালে জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে শরু হয় প্রথম এর খনন কাজ।খনন কাজে নেতৃত্ব দেন বিভাগের প্রধান সুফী মোস্তাফিজুর রহমান।

 

মহাস্থানগড়

বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।বাংলার প্রাচীনতম জনপদ ছিল পুণ্ড্র বা পৌণ্ড্র। পুণ্ড্রদের আবাস স্থলই পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত।এই পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর। পুণ্ড্রনগরের বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের ধ্বংসাবশেষ এবং মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের পুরাকীর্তির জন্য বিখ্যাত।এটি মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের রাজধানী।কথিত আছে, পশুরামের সাথে ফকির বেশী আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হযরত শাহ সুলতান মুহাম্মদ বলখী (র.) এর যুদ্ধ হয়।যুদ্ধে পশুরাম পরাজিত ও নিহত হন। শাহ সুলতান মুহাম্মদ বলখী (র.) এ অঞ্চলে ইসলামের পতাকা উত্তোলন করেন।গড়ের উত্তর প্রান্তে রয়েছে করতোয়া নদীর তীরে শীলাদেবীর ঘাট।এখানে রয়েছে সম্রাট অশোক নির্মিত বৌদ্ধস্তম্ভ যা বেহুলার বাসর ঘর নামে পরিচিত।মহাস্থানগড়ের বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান শাহ সুলতান মুহাম্মদ বলখীর মাজার, পশুরামের প্রাসাদ, খোদার পাথর ভিটা, বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দর ভিটা, লক্ষীন্দরের বাসর ঘর, পদ্মদেবীর বাসভবন ইত্যাদি।১৮০৮ সালে হ্যামিল্টন বুকানন সর্বপ্রথম এ স্থানটি আবিষ্কার করেন। ১৮৭৯ সালে আলেকজান্ডার কানিংহাম স্থানটিকে প্রাচীন  পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী হিসেবে সনাক্ত করেন।এর খনন কাজ শুরু হয় ১৯২৯ সালে।

**বৈরাগীর ভিটা বগুড়ার মহাস্থানগড়ে কিন্তু বৈরাগীর চাল গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত।

 

কোটিবর্ষ

কোটিবর্ষ বা দেবকোট ছিলো বাংলার এক প্রাচীন শহর। কোটিবর্ষ ছিল পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির একটি অংশ। অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাণগড় গ্রামে এই শহরের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়।

 

ময়নামতি

ময়নামতি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থান। এ এলাকাটি প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী এবং বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ। ৭ম-দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে এই নগরী ও বিহারগুলো নির্মিত হয়।রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী রানী ময়নামতির নামানুসারে এ স্থানের নামকরণ করা হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীরর ধ্বংসাবশেষ।এখানকার উল্লেখযোগ্য স্থান- শালবনবিহার, লালমাই পাহাড়, কুটিলা মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, রূপবান মুড়া, চারপত্র মুড়া ইত্যাদি।

 

ওয়ার সেমেট্রি: ২য় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের কবরস্থান।

নোয়াপাড়া ঈষাণচন্দ্রনগর

 

কুমিলবলা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার অন্যতম বৃহৎ অনাবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। ধ্বংসাবশেষের বেশিরভাগই বৌদ্ধ আমলের।পন্ডিতগণ মনেকরেন এই নিদর্শনগুলো হারিয়ে যাওয়া নগরী কর্মকান্তবসাকের – যা ৭ শতকে সমতটের রাজধানী খাদগা।

 

সোনারগাঁও

 

বার ভূইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ সোনারগাঁয় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন। এ সময় দিল্লীর সম্রাট ছিলেন আকবর। সোনারগাঁও বর্তমানে নারায়নগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা। সোনারগাঁর পূবে মেঘনা, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিনে ধলেশ্বরী এবং উত্তরে ব্রহ্মপুর নদ ধারা বেষ্টিত একটি বিস্তৃত জনপদ ছিল। এর পূর্বনাম ‘সুবর্ণগ্রাম’।ঈসা খাঁর স্তী সোনা বিবির নামানুসারে সোনারগাঁও এর নামকরণ করা হয়। সোনারগাঁর দর্শনীয় স্থান – সোনা বিবির মাজার, পাঁচবিরি মাজার, পঞ্চম পীরের মাজার, গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের মাজার, হোসেন শাহ নির্মিত একটি সদৃশ্য মসজিদ, ঈসা খাঁর স্মৃতি বিজড়িত লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, গ্রান্ড-ট্রাঙ্ক রোড ইত্যাদি।

পানাম নগর: এই এলাকাটি ১৯ শতকে সোনারগাঁয়ের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীদের বাসস্থান ছিল।

বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ নকশী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেতন, কাঁসা, মসলিন কাপড়, তৈজসপত্র ইত্যাদি সংরক্ষনের জন্য নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাইন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন’ জাদুঘর করা হয়েছে।

 

লালবাগের কেল্লা

লালবাগের কেল্লা মুঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।এটি পুরোনো ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি দূর্গ। এই কেল্লার পূর্ব নাম আওরঙ্গবাদ দূর্গ। সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে তার তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আযম শাহ এই দূর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আমলে এর নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকে। কিন্তু তার কন্যা পরিবিবি (প্রকৃত নাম ইরান দুখত)এর মৃত্যুর পর ১৬৮৪ সালে তিনি এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। কেল্লা এলাকাতে পরিবিবির সমাধি অবস্থিত। কেল্লার উত্তর- পশ্চিমাংশে বিখ্যাত শাহী মসজিদ অবস্থিত।

 

** লালবাগের কেল্লার অবস্থান ঢাকার লালবাগ এলাকাতে এবং নির্মাতা শাহজাদা মোহাম্মদ আযম শাহ এবং শায়েস্তা খাঁ।

** লালকেল্লার অবস্থান ভারতের দিল্লিতেম এবং নির্মাতা সম্রাট শাহজাহান।

বড় কাটরা

বড় কাটরা ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত মুঘল আমলের নিদর্শন। সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহসুজার নিদের্শে আবুল কাসেম ১৬৪১ সালে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এই ইমারতটি নির্মাণ করেন।এতে শাহসুজার বসবাসের কথা থাকলেও পরবর্তীতে এটি মুসাফির খানা হিসেবে ব্যবহারিত হয়।

ছোট কাটরা

ছোট কাটরা ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত শাহেস্তা খাঁর আমলে তৈরি একটি ইমারত।তিনি এটি সরাইখান বা প্রশাসনিক কাজে ব্যবহারের জন্য নিমার্ণ করেন।১৬৬৩ সালে এর নিমার্ণকাজ শুরু হয় এবং ১৬৭১ সালে নির্মাণ কাজ শেষ।

হোসনি দালান

হোসনি দালান বা ইমাম বাড়া ঢাকা শহরের বকশিবাজার এলাকার একটি শিয়া মসজিদ।মুঘল শাহজাহানের সময় এটি নির্মিত হয়। হিজরী ১০৫২ সালে সৈয়দ মীর মুরাদ এটি নির্মাণ করেন।

উত্তরা গণভবন

দিঘাপাতিয়া রাজবাড়ী (উত্তরা গণভবন) নাটোর জেলায় অবস্থিত এককালে দিঘাপাতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান।এটি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের উত্তরাঞ্চলীয় সচিবালয়।১৭৪৩ সালে দয়ারাম রায় এটি নির্মাণ করেন।১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই রাজবাড়ীর নামকরণ করেন ‘উত্তরা গণভবন’।

কার্জন হল

কার্জন হল একটি ঐতিহাসিক ভবন। ১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় ও বড়লাট লর্ড কার্জন এর ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন।এটি মূলত নির্মিত হয় ঢাকা কলেজের পাঠাগার হিসেবে। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ন্তভুক্ত হয়। এটি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ব্যবহার করা হয় যা আজও ব্যবহৃত হচ্ছে।

আহসান মঞ্জিল

আহসান মঞ্জিল পুরোনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।এটি পূর্বে ছিলো ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।এর প্রতিষ্ঠাতা নবাব আব্দুল গণি।তিনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানউল্লাহর নামানুসারে এর নামকরণ করেন।এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল। ১৮৯৭ সালে ঢাকায় ভূমিকম্প হলে আহসান মঞ্জিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।পরবর্তীতে নবাব আহসানউল্লাহ তা পুনঃনির্মাণ করেন।১৯০৬ সালে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত এক সভায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালে আহসান মঞ্জিলকে ‘আহসান মঞ্জিল জাদুঘর’ এ রূপান্তরিত করা হয়।

নর্থ ব্রুক হল

নর্থ ব্রুক হল পুরোনো ঢাকায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভবন। এটি লালকুঠি নামেও পরিচিত। ১৮৭৪ সালে ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় নর্থ ব্রুকের সম্মানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এটি তৈরি করেন।

বঙ্গভবন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সরকারী বাসভবন বঙ্গভবন। এটি ঢাকার দিলকুশায় অবস্থিত। ১৯০৫ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম সরকার এটি কিনে নেয় এবং প্রাসাদোসম বাড়ি তৈরি করে। এটি ব্রিটিশ ও পাকিস্থান আমলে ‘গভর্নর হাউজ’ নামে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি এর নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গভবন’ করা হয়। ঐ দিন আবু সাঈদ চৌধুরী বাংলাদেশের প্রথম সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতি হন এবং এ স্থানটিকে রাষ্ট্রপতির ভবন হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

বাহাদুর শাহ পার্ক

বাহাদুর শাহ পার্ক ঢাকার সদরঘাটের লক্ষীবাজারে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান যেখানে বর্তমানে একটি পার্ক স্থাপন করা হয়েছে।আঠার শতকের শেষ দিকে এখনানে আর্মনীয়দের একটি বিলিয়ার্ড ক্লাব ছিল। যাকে স্থানীয়রা না দিয়েছিল আন্টাঘর।১৮৫৮ সালে রানী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করার পর এই মাঠেই এ সংক্রান্ত একটি ঘোষনাপত্র পাঠ করে  শোনান ঢাকা বিভাগের কমিশনার।তখন এর নামকরণ করা হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক।১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের পর ইংরেজরা প্রহ৯সনমূলক বিচারের নামে ফাসিঁ দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহীকে। জনগণকে ভয় দেখানোর জন্য সিপাহীদের লাশ এনে ঝুলিয়ে রাখা হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। ১৯৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের শতবার্ষিকী উপলক্ষে বিদ্রোহের নেতৃত্বদানকারী  মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নামে পার্কের নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার

দুইশত আটাশ বছরের ইতিহাস পেছনে ফেলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার নতুন ঠিকানায় স্থানান্তর করা হয়েছে কেরানীগঞ্জে। পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ঢাকার চানখারপুলে অবস্থিত।এটি মুঘল আমলে এটি দুর্গ হিসেবে ব্যবহারিত হত।ব্রিটিশরা ১৭৮৮ সালে ১৭ একর জায়গার ওপর স্থাপিত কারাগারটি ১৯৪ একরের বৃহৎ পরিসরে বাড়িয়ে এটাকে কারাগার হিসেবে ব্যবহার শুরু করে।১৭৭৫ সালের ৩ নবেম্বর এই কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়।বর্তমানে এটি ২০১৬ সালের ২৯ জুলাই এটি পরিত্যক্ত ঘোষনার পর হতে এটি পার্ক ও জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।   

 

নাটোরে রাজবাড়ী

নাটোরে রাজবাড়ী বাংলাদেশের একটি উল্লেখ্যযোগ্য দর্শনীয় স্থান।রাজশাহী জমিদার ভবানী অষ্টাদশ শতকে এটি নির্মাণ করেন।

তাজহাট রাজবাড়ী

তাজহাট রাজবাড়ী বা তাজহাট জমিদারবাড়ী রংপুর জেলার তাজহাটে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। প্রাসাদটি বিংশ শতকের শুরুর দিকে মহারাজা কুমার গোপাল লাল রায় এটি নির্মাণ করেন। এটি বর্তমানে জাদুঘর হিসেবে ব্যবহারিত হচ্ছে।

জিনজিরা প্রাসাদ

জিনজিরা প্রাসাদ একটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি যা ঢাকা জেলার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। সিরাজদ্দৌলার স্ত্রী এবং তাঁর শিশুকন্যাকে এখানে বন্দী রাখা হয়েছিল।

রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ দুর্গ

রাজা সীতারাম রায়ের প্রাসাদ দুর্গ মাগুড়া জেলার সদর উপজেলায় মধুমতি নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রত্নতত্ত্বস্থান। মুর্শিদাবাদের নবাব সরকারের একজন আমলা সীতারাম রায় এটি নির্মাণ করেন।

 

বায়োজিত বোস্তামির মাজার

বায়োজিত বোস্তামির মাজার চট্টগ্রামে নাসিরাবাদে একটি পাহাড়ের উপর অবস্থিত।ইরানে বিখ্যাত সুফী বায়োজিত বোস্তামির নামে গড়ে উঠা এই মাজার পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। যদিও বায়োজিত বোস্তামি এই অঞ্চলে আগমনের ঐতিহাসিক কোন ভিত্তি খুজে পাওয়া যায় না।মাজরটি উনাকে উৎসর্গ করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিন নেতার মাজার

তিন নেতার মাজার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত স্বাধীনতা পূর্ব বাংলার তিন বিখ্যাত হোসেন সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কবরের উপর নির্মিত ঢাকার অন্যতম স্থাপত্য নিদর্শন।

রোজ গার্ডেন

রোজ গার্ডেন পুরান ঢাকার টিকাটুরীর কে এম দাস লেনের একটি ঐতিহাসিক ভবন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সূচনা ঘটে এখানে।

 

বলধা গার্ডেন

বলধা গার্ডেন ঢাকার ওয়ারী এলাকায় অবস্থিত একটি উদ্যান। ঢাকা জেলার বলধার জমিদার নারেন্দ্র নারায়ণ রায় ১৯০৯ সালে গার্ডেনের সূচনা করেন।

আসাদ গেট

২০ জানুয়ারি ১৯৬৯- এ মিছিলে নেতৃত্বদানকালে পুলিশের গুলিতে আসাদের মৃত্যু হয় আর তার মৃত্যুতে উনসত্তরের গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। অনেক জায়গায় জনতা আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে। এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’।

 

 

রাজশাহীর বড়কুঠি

রাজশাহীর বড়কুঠি বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলের সর্ব প্রাচীন এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইমারত। এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল।

 

কমনওয়েল সমাধি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন। তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে তৈরি করা হয় রণ সমাধিক্ষেত্র। বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েল সমাধি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি চট্টগ্রামে অন্যটি কুমিল্লার ময়নামতিতে।

মসজিদ, মন্দির, বিহার, দিঘী

মসজিদ

ষাট গম্বুজ মসজিদ: বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ ষাট গম্বুজ মসজিদ।১৫শ শতাব্দীতে পীর খান জাহান আলী এটি নির্মাণ করেন।

 

সাত গম্বুজ মসজিদ: সুবেদার শায়েস্তা খানের পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত এই মসজিদ সপ্তদশ শতাব্দীতে (১৬৮০) নির্মিত হয়।মসজিদটির চারটি মিনার+তিনটি গম্বুজ= মোট সাত, এজন্য মসজিদের নাম ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’।

 

চকবাজার শাহী মসজিদ: ঢাকা শহরের চকবাজারে অবস্থিত মোঘল আমলের মসজিদ এটি। মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খান এটি নির্মাণ করেন।

 

বিনত বিবির মসজিদ: বিনত বিবির মসজিদ প্রাক-মুঘল আমলে নির্মিত ঢাকা শহরের প্রাচীনতম মসজিদ। নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটি ১৪৫৭ সালে সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মুসাম্মত বখত বিনত বিবি নির্মাণ করেন।

মুসা খান মসজিদ: ঢাকা শহরের প্রাক-মুঘল আমলের একটি প্রাচীনতম মসজিদ। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের নিকটে কার্জন হলের পিছনে অবস্থিত। ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁ এটি নির্মাণ করেন।

 

দারাসবাড়ি মসজিদ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম সুপ্রাচীন মসজিদ।ধারনা করা হয়, ১৪৭৯ সালে শামসুদ্দিন আবুল মোজাফ্ফর ইউসুফের আমলে এ মসজিদ নির্মিত হয়েছে।

 

রাজবিবি মসজিদ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। ১৪৮০ সালে এ মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।

 

ছোট সোনা মসজিদ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শিবগঞ্জ থানার অবস্থিত ছোট সোনা মসজিদ বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন মসজিদ। সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে ওয়ালী মোহাম্মদ নামে এক ব্যক্তি এই মসজিদ নির্মাণ করেন।

 

চামচিকা মসজিদ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।১৫১৫ সালে এটি নির্মাণ করা হয়।

বাঘা মসজিদ: রাজশাহী জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত মসজিদ।১৫২৩ সালে সুলতান নুসরত শাহ এটি নির্মাণ করেন। ৫০ টাকার নোটে এই মসজিদের ছবি দেখা যায়।

আশরাফপুর মসজিদ: নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। সুলতান নুসরত শাহের রাজত্বকালে১৫২৪ সালে দিলওয়ান খান এটি নির্মাণ করেন।

আওলাদ হোসেন লেনের মসজিদ: মুঘল আমলে নির্মিত ঢাকা শহরের । প্রাচীনতম মসজিদ। সুবেদার ইসলাম খান এটি নির্মান করেন।

গোয়ালদিহির গায়েবী মসজিদ: সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে মোল্লা হিজাবর খান ১৫১৯ সালে এটি নির্মান করেন।

কুসুম্বা মসজিদ: নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কুসুম্বা গ্রামের একটি প্রাচীন মসজিদ। শূর বংশের শাসক গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহের আমলে সুলাইমান নামের এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেন। পাঁচ টাকার নোটে এই মসজিদের ছবি আছে।

লালদীঘী শাহী মসজিদ: রংপুর জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।

হাজী শাহবাজের মসজিদ: ঢাকার রমনায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।

 সুবেদার শাহযাদা আযমের শাসনামলে ১৬৭৯ সালে আজী শাহবাজ কর্তৃক এটি নির্মিত হয়।

 

বেগমাবাজার মসজিদ: পুরনো ঢাকার বেগম বাজারে অবস্থিত একটি মসজিদ।১৭০০-১৭০৪ সালের মধ্যে এটি নির্মিত হয়।

 

লালবাগ শাহী মসজিদ: ঢাকার লালবাগ কেল্লার সন্নিহিত স্থানে অবস্থিত মুঘল আমলের একটি মসজিদ। ১৭০৩ সালে ফখরুখশিয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় মসজিদটি নির্মিত হয়।

খান মুহম্মদ মির্ধার মসজিদ: পুরান ঢাকার আতশখানায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি প্রাচীন মসজিদ।১৭০৬ সালে খান মুহম্মদ মির্ধা এটি নির্মাণ করেন।

 

ওয়ালী খানের মসজিদ: চট্টগ্রাম জেলার চকবাজারে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।মুঘল ফৌজদার ওয়ালী বেগ খান ১৭১৩ থেকে ১৭১৬ সালের মধ্যে মসজিদটি নির্মাণ করেন।

 

বজরা শাহী মসজিদ: নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার বজরা ইউনিয়নের দিল্লির শাহী মসজিদের অনুকরণে নির্মিত বজরা শাহী মসজিদ মুঘল সাম্রাজ্যের স্মৃতি বহন করে। এটি জমিদার আমানউল্লাহ কর্তৃক নির্মিত হয়।

 

তারা মসজিদ: তারা মসজিদ পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত রোডে অবস্থিত। এটি ১৮ শতকের শেষের দিকে মীর্জা গোলাম পীর (অন্য নাম মীর্জা আহমদ জান) নির্মান করেন।১৯২৬ সালে আলী জান ব্যাপারী মসজিদটি সংস্কার করেন।

 

নয়াবাদ মসজিদ: নয়াবাদ মসজিদ বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলঅয় অবস্থিত।মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের আমলে ১৭৯৩ সালে এটি নির্মিত হয়।

 

হিন্দা কসবা শাহী জামে মসজিদ: জয়পুরহাট জেলার একটি বিখ্যাত মসজিদ।পীর হযরত আবদুল গফুর চিশতীর (রহ:) নির্দেশে ১৩৬৫ বঙ্গাব্দে এটি মওলানা আবদুল খালেক চিশতী এটি নির্মান করেন।

 

আতিয়া জামে মসজিদ: টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত মসজিদ। ১০ টাকার নোটে এর ছবি আছে।

 

বায়তুল মোকারম: ঢাকার গুলিস্থানে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ। ১৯৬০ সালে এটি নির্মান করা হয়।মসজিদটি বর্তমানে বিশ্বের দশম বৃহত্তম মসজিদ।এর স্থপতি হলেন আবুল হোসেন মোহাম্মদ থারিয়ানী।

 

বায়তুল ফালাহ: চট্টগ্রামের বৃহত্তম মসজিদ।

 

মন্দির

ঢাকেশ্বরী মন্দির: ঢাকা শহরের পলাশী ব্যারাক এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির হলো ঢাকেশ্বরী মন্দির। ধারণা করা হয় সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন দ্বাদশ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।

 

কান্তজীর মন্দির: কান্তাজীউ মন্দির বা কান্তাজির মন্দির দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার ঢেঁপা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির।এটি নবরত্ন মন্দির নামেও পরিচিত। কারণ তিতলা বিশিষ্ট এই মন্দিরে নয়টি চূড়া বা রত্ন ছিল। মহারাজা প্রাণনাথ রায় এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। তাঁর পোষ্যপুত্র রামনাথ ১৭৫২ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

 

সোনারং জোড়া মন্দির: বাংলাদেশে অষ্টাদশ শতকে একটি প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার টুঙ্গিবাড়ি উপজেলায় অবস্থিত।রূপচন্দ্র নামে একজন হিন্দু ব্যক্তি এটি নির্মাণ করেন।

 

বেল আমলা বড় শিবালয়: বারো শিবালয় মন্দিরের অবস্থান জয়পুরহাটের বেল আমলা গ্রামে।সেন রাজা বল্লাল সেন এটি নির্মাণ করেন।

 

জয়কালী মন্দির: টিকাটুলী,ঢাকা

শেয়ামি বাগ মন্দির: ঢাকা

গুরুদুয়ারা নানকশাহী: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থিত।

ধামরাই জগন্নাথ রথ: ধামরাই, ঢাকা

জগন্নাথ মন্দির: পাবনা

বিশ্বনাথ মন্দির: ময়মনসিংহ

রাঘুনাথ মন্দির: শেরপুর

রামু মন্দির: কক্সবাজার

পুটিয়া মন্দির: রাজশাহী

রাজা কংস নারায়ণের মন্দির: তাহিরপুর, রাজশাহী

বড় কালিবাড়ি মন্দির: ময়মনসিংহ

কাল ভৈরব মন্দির: ব্রাহ্মনবাড়িয়া।

 

 

প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার

বৌদ্ধ বিহার অবস্থান নির্মাতা নির্মানকাল
সীতাকোট বিহার নবাবগঞ্জ,দিনাজপুর   পঞ্চম বা ষষ্ঠ শতাব্দীতে
সোমপুর বিহার পাহাড়পুর, নওগাঁ পাল রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকে
শালবন বিহার ময়নামতি, কুমিল্লা দেবরাজা ভবদেব অষ্টম শতকে
আনন্দ বিহার ময়নামতি, কুমিল্লা দেবরাজা আনন্দদেব অষ্টম শতকে
ভোজবিহার কুমিল্লা    
মহামুণি বিহার রাউজান, চট্টগ্রাম    
হলুদ বিহার নওগাঁ    
জগদ্দল বিহার ধামুইরহাট, নওগাঁ রাজা রামপাল  
রাজবন বিহার কাপ্তাই, রাঙামাটি    
ভাসু বা বসু বিহার মহাস্থানগড়, বগুড়া   এটি একটি সংঘারামের ধ্বংসাবশেষ
শাক্যমুনি বিহার মিরপুর, ঢাকা    
       
       

 

সোমপুর বিহার

শ্রী ধর্মপাল দেব নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে একটি বিহার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। বিহারটির নাম ছিল সোমপুর বিহার। অষ্টম শতাব্দীতে এটি নির্মান করা হয়।ভারতীয় উপমহাদেশে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজের ফলে যত বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে এটি আয়তনে বৃহত্তম।এটি ছিল পাহাড়পুরের প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ১৮৭৯ সালে কানিংহাম এই বিশাল কীর্তিটি আবিষ্কার করেন।‘সত্য পীরের ভিটা’ সোমপুর বিহারের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। সোমপুর বিহারে বাগদাদের খলিফা হারুন-অর-রশিদের সময়ের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া গেছে।

 

অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থানের সোমপুর বিহার

 

প্রখ্যাত ধর্মপ্রচারক ও পন্ডিত দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের জন্মস্থান প্রাচীন বিক্রমপুর (বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলা) এর বজ্রযোগিণী গ্রামে একটি বৌদ্ধ বিহারের সন্ধান পাওয়া গেছে। ইতিহাসবিদেরা এতদিন যে বিক্রমপুরি বিহারের কথা বলেছেন এটি সেই বিহার।

 

রামজাদি বৌদ্ধ মন্দির

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পর্যটক ও পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয় বান্দরবান জেলার হদা ঘোনা এলাকার পাহাড়ের ওপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মন্দির রামজাদি। এই মন্দিরর স্থপতি মিয়ানমারের উসান উইন। ‘গুরুভান্তে’ হিসেবে খ্যাত মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা উ প্রঞ্চা জোত মহাথের এ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। বান্দরবানের আরেক বিখ্যাত মন্দির হচ্ছে স্বর্ণজাদি বা স্বর্ণ মন্দির।

দীঘি

দীঘির নাম অবস্থান দীঘির নাম অবস্থান
ধর্ম সাগর দীঘি কুমিল্লা রামসাগর দিনাজপুর
সাগর দীঘি টাঙ্গাইল ইছামতি দীঘি টাঙ্গাইল
আনন্দবাজার দীঘি ময়নামতি, কুমিল্লা ফয়েজ লেক চট্টগ্রাম