জাতিসংঘ

জাতিসংঘ

লন্ডন ঘোষনাঃ ১৯৪১ সালে জার্মানি বৃটেনকে আক্রমণ করলে ইউরোপের ৯টি দেশের প্রবাসী সরকার পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে লন্ডনের জেমস প্রাসাদে যে ঘোষণা দেয় এটি জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রথম পদক্ষেপ।

আটলান্টিক সনদঃ বিশ্বকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে রক্ষা করতে ১৯৪১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট এবং বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে বৃটিশ নৌ-তরী ও নিরাপত্তার জন্য যে ঘোষনা দেন তাকে আটলান্টিক সনদ বলে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট প্রথম ‘জাতিসংঘ’ নামটি ব্যবহার করেন।তিনি জাতিসংঘ গঠনের প্রস্তাবক।আটলান্টিক সনদে প্রথম ‘জাতিসংঘ’ নামটি ব্যবহার করা হয়।

তেহরান সম্মেলনঃ ১৯৪৩ সালে ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট, উইন্সটন চার্চিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট স্টালিন তেহরানে মিলিত হন এবং বিশ্বের সকল দেশকে এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

ইয়াল্টা সম্মেলনঃ যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপ পর্ণগঠনের জন্য রুজভেল্ট, চার্চিল এর্ব সোভিয়েত সেক্রেটারি জেনারেল স্টালিন ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনের ইয়াল্টায় এক সম্মেলনে মিলিত হয়।এই সম্মেলন ‘ক্রিমিয়া সম্মেলন’ নামেও পরিচিত।

সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনঃ জাতিসংঘ বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন যার মূল লক্ষ্য আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান। ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিকোতে ১১১ ধারা সম্বলিত জাতিসংঘের মূল সনদে স্বাক্ষর করেন। ১৯৪৫ সালের ১৫ অক্টোবর ৫১তম দেশ হিসেবে পোল্যান্ড জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষর করেন।

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ৫১ টি সদস্য দেশ নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত হয়।জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার পূর্বেই পোল্যান্ড সনদে স্বাক্ষর করে বলে পোল্যান্ডকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলা হয়।১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। এজন্য প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর ‘জাতিসংঘ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।

  • জাতিসংঘের (Motto) মূলমন্ত্র হচ্ছে (It’s your world)`এ পৃথিবী আপনার’।
  • ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট জাতিসংঘের নামকরণ করেন।
  • জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য মোট ৫১টি।
  • জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা হলেন আর্কিভাল্ড ম্যাকলিশ।
  • জাতিসংঘের সদরদপ্তর –ম্যানহাটন,নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
  • জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
  • জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি ডব্লিউ হ্যারিসন।
  • তাইওয়ান চীনের নিকট সদস্যপদ হারায়।
  • জাতিসংঘের রেডিও ওয়েবসাইট ৯ টি ভাষায় খবর প্রচার করা হয়।
  • জাতিসংঘের রেডিও বাংলা প্রচার শুরু হয় ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ সালে।
  • জাতিসংঘের আয়তনে বৃহত্তম দেশ রাশিয়া এবং জনসংখ্যায় চীন।
  • জাতিসংঘের আয়তনে ক্ষুদ্রতম দেশ মোনাকো এবং জনসংখ্যায় টুভ্যালু।
  • জাতিসংঘে বাংলাদেশের চাঁদার পরিমাণ ০.০১%।
  • জাতিসংঘের সদস্য নয় তাইওয়ান, ভ্যাটিকান, কসাভো এবং ফিলিস্থিন।
  • জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ভ্যাটিকান এবং ফিলিস্থিন।
  • জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দেশ দক্ষিন সুদান। দক্ষিন সুদান জাতিসংঘের সদস্য পদ পায় ১৪ জুলাই,২০১১।

 

 

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা

Official Languages of UN

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।যথাঃ

English (ইংরেজী)

Mandarin (মান্দারিন)

Spanish (স্প্যানিশ)

French (ফরাসি)

Russian (রুশ)

Ariabic (আরবি)

 

জাতিসংঘের কার্যকরী বা অফিসিয়াল ভাষা ২টি। যথাঃ English (ইংরেজী)

ও French (ফরাসি)।

জাতিসংঘের সদস্যপদ

United Nations Membership

জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা ১৯৩টি।২০১১ সালের ১৪ জুলাই সর্বশেষ ১৯৩ তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে দক্ষিন সুদান যোগদান করে।জাতিসংঘের সদস্য নয় তাইওয়ান, ভ্যাটিকান সিটি, কসাভো, ফিলিস্থিন।তাইওয়ান জাতিসংঘের প্রাক্তন সদস্য রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর গণচীন জাতিসংঘে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং তাইওয়ানকে জাতিসংঘ হতে বহিষ্কার করে।

১৯৬৫ সালের ২০ জানুয়ারি ইন্দোনেশিয়া সেচ্ছায় জাতিসংঘ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয় এবং ১৯৬৬ সালে ২৮ অক্টোবর পুনরায় জাতিসংঘে ফিরে আসে।

 

জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র

জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হলো- ফিলিস্থিন এবং ভ্যাটিক্যান সিটি।

 

জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা

(Principal Organs of United Nations)

 

জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ৬টি। যথাঃ

১. সাধারণ পরিষদ(General Assembly)

২. নিরাপত্তা পরিষদ(Security Council)

৩. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (Economic and Social Council)

৪. সচিবালয় (Security Council)

৫. আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice)

৬. অছি পরিষদ (Trusteeship Council)

 

সাধারণ পরিষদ(General Assembly)

জাতিসংঘের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার হলে।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রতিবছর একবার অধিবেশন বসে।প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার এ অধিবেশন শুরু হয়।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি দেশ সর্বোচ্চ ৫ জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন।তবে সাধারণ পরিষদের প্রত্যেক রাষ্ট্রের একটি মাত্র ভোট দানের অধিকার থাকে।প্রত্যেক অধিবেশনের শুরুতে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে পরিষদের একজন সভাপতি এক বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।জাতিসংঘের জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র সাধারণ পরিষদের সদস্য।নিরাপত্তা পরিষদের অনুমতি সাপেক্ষে সাধারণ পরিষদ নতুন সদস্য গ্রহণ করতে পারে।মহাসচিব নিয়োগ, নতুন সদস্য গ্রহণ, কোন সদস্য রাষ্ট্রকে বহিষ্কার, জাতিসংঘের বাজেট পাস, সদস্য রাষ্ট্রের চাঁদার পরিমাণ নির্ধারণ, বিভিন্ন সংস্থার সদস্য নির্বাচন, নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচন, অন্যান্য সংস্থার বার্ষিক রিপোর্ট পর্যালোচনা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এ পরিষদ সম্পাদন করে।

জাতিসংঘের ষষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনে ‘নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব’ গৃহীত হয়।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ২১ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্যবাদ বিরোধী দিবস’ পালন করা হয়।

 

  • ১৯৫০-৫৩ সালে সংঘটিত কোরিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে Uniting peace for resulation গৃহীত হয়।
  • জাতিসংঘের ৭৩ তম তথা সর্বশেষ অধিবেশনের সভাপতি হন ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া এসপিনোসা।
  • সাধারণ পরিষদের প্রথম মহিলা সভাপতি ভারতের বিজয়া লক্ষী পন্ডিত।।

নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council)

Key Points Executive body of the United Nations

জাতিসংঘের নির্বাহী পরিষদ। নিরাপত্তা পরিষদ স্বস্তি পরিষদ নামেও পরিচিত।

Memberships

সদস্যপদ

নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র ১১টি(৫টি স্থায়ী ও ৬টি অস্থায়ী)। ১৯৬৩ সালের জাতিসংঘ সনদের সংশোধন করে অস্থায়ী সদস্য ৬ থেকে ১০ এ উন্নীত করা
হয়।বর্তমানে সদস্য দেশ ১৫ টি।যার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি আর অস্থায়ী সদস্য ১০টি।
Permanent Membership

স্থায়ী সদস্য

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
Non- Permanent Membership

অস্থায়ী সদস্য

মেয়াদকাল ২ বছর
২০১৬-১৭ জাপান, মিশর, সেনেগাল, উরুগুয়ে ও ইউক্রেন।
২০১৭-১৮ জার্মানি, বেলজিয়াম, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিন আফ্রিকা ও ডোমেনিকান রিপাবলিক।
Veto Power

ভেটো ক্ষমতা

নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।ভেটো শব্দের অর্থ আমি মানিনা।কোনো প্রস্তাবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দ্বিমত পোষণ করলে সে প্রস্তাব আর অনুমোদিত হয়না।
Headquarters

সদরদপ্তর

জাতিসংঘের কনফারেন্স বিল্ডিং, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
Functions

কাজ

এ পরিষদের আলাপ আলোচনা, আপোষ, মধ্যস্থতা ও সালিশীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিরোধের নিষ্পত্তির চেষ্টা চালায়।এ চেষ্টা ব্যর্থ হলে নিরাপত্তা পরিষদ সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব এ পরিষদের উপর ন্যস্ত।
Presidency

সভাপতিত্ব

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব পর্যায়ক্রমে মাসিক সদস্যদের মধ্যে মাসিক ভিত্তিতে আবর্তিত হয়।
  • নিরাপত্তা পরিষদে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য ৫টি স্থায়ী সদস্যের ভোটসহ কমপক্ষে ৯টি সদস্য দেশের ভোটের প্রয়োজন।
  • জাপান সবচেয়ে বেশি ১১ বার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
  • জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির মেয়াদ ১ মাস।

 

অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ

Economic and Social Council (ECOSOC)

Membership

সদস্যপদ

মোট সদস্যদেশ ৫৪টি।প্রতি তিন বছরে এক তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করে এবং ১৮ টি নতুন সদস্য হয়। বাংলাদেশ ২০১০-১২ মেয়াদের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়।
Session

অধিবেশন

বছরে কমপক্ষে দুবার নিউইয়র্ক অথবা জেনেভায় এর অধিবেশন বসে।প্রত্যেক সদস্যের একটি করে ভোটাধিকার আছে।সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে যে কোন প্রস্তাব গৃহীত হয়ে থাকে।
Functions

কাজ

এ পরিষদের কাজ হলো মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, শিক্ষা প্রসার ও মানবাধিকার কার্যকর করা।
Chamber

সদরদপ্তর

জাতিসংঘের কনফারেন্স বিল্ডিং।

 

  • জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ জাতিসংঘ পরিবার নামে পরিচিত।
  • জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্যরা ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
  • প্রতিবছর নির্বাচিত হয় ১৮ টি দেশ।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের পাঁচটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কমিশন

আঞ্চলিক কমিশন সদরদপ্তর
United Nations Economic Commission for Europe (ECE) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
Economic and Social Commission for Asia and the Pacific(ESCAP) ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
Economic and Social Commission for Western Asia (ESCWA) বৈরুত, লেবানন
United Nations Economic Commission for Africa(ECA) আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
United Nations Economic Commission for Latin and thr Caribbean (ECLAC) সান্তিয়াগো, চিলি

International Court of Justice (ICJ)

আন্তর্জাতিক আদালত

  • আন্তর্জাতিক আদালত হল নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত যা শান্তি প্রাসাদ তথা পিস প্যালেস নামে পরিচিত।আন্তর্জাতিক বিরোধের ক্ষেত্রে জাতিসংঘের যে কোনো সদস্য রাষ্ট্র অন্য সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার প্রার্থী হতে পারে।আন্তর্জাতিক আদালতের রায় নিরাপত্তা পরিষদ কতৃর্ক কার্যকরী হয়।১৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে এ আদালত গঠিত হয়। বিচারকের মেয়াদকাল ৯ বছর। বিচারকদের মধ্যে একজন সভাপতি তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম মহিলা বিচারপতি ব্রিটেনের রোজানিল হিগিন্স।
  • জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালত পরিষদ স্থায়ী সালিশী আদালত নামে পরিচিত।
  • আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারকার্য শুরু হয় ১৯৪৬ সালে।

 

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা স্থায়ী সালিশি আদালত

The International Criminal Court(ICC)

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত জাতিসংঘের কোনো অঙ্গপ্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত রোম চুক্তির মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১ জুলাই, ২০০২ রোম চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ICC যাত্রা শুরু করে।নেদারল্যান্ডের হেগে এর সদরদপ্তর অবস্থিত।ইসরাইল, সুদান এবং যুক্তরাষ্ট্র রোম চুক্তি হতে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়।

 

জাতিসংঘ সচিবালয়

(United Nations Secretariat)

জাতিসংঘের সচিবালয়ের প্রধানকে বলা হয় মহাসচিব।মহাসচিব জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা।মহাসচিব নির্বাচিত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে।তার মেয়াদকাল ৫ বছর।

জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব নরওয়ের ট্রিগভেলী।জাতিসংঘের প্রথম মুসলিম মহাসচিব কফি আনান বলা হলেও তিনি মূলত খ্রিস্টান।খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হিসেবে প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায় জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।তাঁর জন্ম ১৯৩৮ সালে ৮ এপ্রিল এবং মৃত্যু ১৮ আগস্ট, ২০১৮। এশিয়া থেকে এ পর্যন্ত ২ জন মহাসচিব হয়েছেন। তারা হলেন মিয়ানমারের উথান্ট এবং দক্ষিন কোরিয়ার বান কি মুন।সর্বশেষ মহাসচিব হচ্ছেন পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনিও গুতেরেস।

জাতিসংঘের মহাসচিববৃন্দ (UN Secretary Generals)

 

No. Name Country & Tenure Key Points
1st Trgve Lie

ট্রিগভেলী

Norway(নরওয়ে)

1946-52

তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।
2nd Dag Hammarskjold

দ্যাগ হ্যামারশোল্ড

Sweden(সুইডেন)

1953-61

১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং একই বছর তাকে মরণোত্তর নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
3rd U Thant

উ থান্ট

Mayanmar(মিয়ানমার)

1961-171

এশিয়া মহাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মহাসচিব ছিলেন।
4th Kurt Waldheim

কুট ওয়ার্ল্ডহেইম

Austria (অস্ট্রিয়া)

1972-81

তিনি ১৯৮৬ সালে অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
5th Javier Perez de Cuellar

জ্যাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার

Peru (পেরু)

1982-91

দক্ষিন আমেরিকা থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব। ২০০০ সালে তিনি পেরুর প্রধানমন্ত্রী নিবার্চিত হয়েছিল।
6th Boutros  Ghali

ড. বুট্রোস ঘালি

Egypt (মিশর)

1992-96

আফ্রিকা মহাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব।
7th Kofi Annan

কফি আনান

Ghana (ঘানা)

1997-2006

২০০১ সালে জাতিসংঘের সাথে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
8th Ban Ki-Moon

বান কি মুন

South Korea

(দক্ষিন কোরিয়া)

2007-2016

9th Antonio Guterres

অ্যান্তোনিও গুতেরেস

Portugal (পর্তুগাল)

2017-

 

  • জাতিসংঘের প্রথম উপমহাসচিব ও প্রথম মহিলা উপমহাসচিব ছিলেন কানাডার লুইসি ফ্রেশেটিকে।
  • জাতিসংঘের বর্তমান উপমহাসচিব চীনের লিউ জেন মিন।

অছি পরিষদ (Trusteeship Council)

অছি পরিষদের মূল কাজ উপনিবেশের অধীনস্থ দেশগুলোকে স্বাধীন করে এদেরকে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত করা।১৯৯৪ সালে অছি পরিষদ সর্বশেষ পালাউকে স্বাধীন করে জাতিসংঘের অন্তর্ভূক্ত করে এবং এর মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম স্থগিত হয়।

জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থাসমূহ (UN Specialized Agencies)

Specialized Agencies Name Headquarters
Food and Agricultural Organization (FAO)

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা

Rome, Italy

রোম, ইতালি

International Civil Aviation Organization (ICAO)

আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা

Motreal, Canada

মন্ট্রিল, ইতালি

International for Agricultural Development (IFAD)

আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল

Rome, Italy

রোম, ইতালি

International Labour Organization (ILO)

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা

Geneva, Swizerland

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

International Maritime Organization (IMO)

আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা

London, United Kingdom

লন্ডন, যুক্তরাজ্য

International Monetary Fund (IMF)

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল

Washington, United States

ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র

International Telecommunication Union (ITU)

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন

Geneva, Swizerland

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO)

জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা

Paris, France

প্যারিস, ফ্রান্স

United Nations Industrial Development Organization (UNIDO)

জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা

Vieena, Austria

ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া

Universal Postal Union (UPU)

বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন

Bern, Switzerland

বার্ন, সুইজারল্যান্ড

World Bank Group(WB)

বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ

Washington, United States

ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র

World Health Organization (WHO)

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

Geneva, Swizerland

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

World Intellectual Property Organization (WIPO)

বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তি সম্পদ সংস্থা

Geneva, Swizerland

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

World Meteorological Organization (WMO)

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা

Geneva, Swizerland

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

World Trade Oranization (WTO)

বিশ্ব বানিজ্য সংস্থা

Geneva, Swizerland

জেনেভা, সুইজারল্যান্ড

World Tourism Oranization (WTO)

বিশ্ব পর্যটন সংস্থা

Madrid, Spain

মাদ্রিদ, স্পেন

জাতিসংঘ সম্পর্কিত সংস্থা (UN Related Agencies)

International Atomic Energy Agency (IAEA)

 

World Trade Oranization (WTO)

বিশ্ব বানিজ্য সংস্থা

Organization for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW)

রাষায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা

Comprehesive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization

পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি

 

UN Fund & Programs

United Nations Development Programme (UNDP)

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি

United Nations Volunteers (UNV)

জাতিসংঘ সেচ্ছাসেবক দল

United Nations Children’s Fund (UNICEF)

জাতিসংঘ শিশু তহবিল

United Nations Population Fund (UNFPA)

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল

United Nations High Commissioner for Refugees (UNHCR)

জাতিসংঘ শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশন

United Nations Environment Programme (UNEP)

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি

United Nations Conference Trade and Development (UNCTAD) জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ণ কর্মসূচি
United Nations office on Drugs and Crime (UNODC)

জাতিসংঘ মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ নিরোধ দপ্তর

United Nations Humans Settement (UN-HABITAT)

জাতিসংঘ মানব বসতি কেন্দ্র

United Nations Development Fund for Women (UNIFEM)

নারীর জন্য উন্নয়ন তহবিল

World Food Programme

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি

International Trade Centre (ITC)

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র

Office of the High Commissioner for Human Rights (OHCHR)

মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনের কার্যালয়

UN Research & Training Institute (জাতিসংঘের গভেষণা এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট)

1.United Nations Institute for Training And Research (UNITAR)

জাতিসংঘ প্রশিক্ষণ ও গভেষণা ইনস্টিটিউট

2.United Nations Research Institute for Social Development (UNRISD)

জাতিসংঘ সমাজ উন্নয়ন গভেষনা ইনস্টিটিউট

UN Conventions (জাতিসংঘের কনভেনশনসমূহ)

United Nations Framework Conventions on Climate Change (UNFCCC)

জাতিসংঘ আবহাওয়া পরিবর্তন বিষয়ক কাঠামো

Convention on the Elimination of All forms of Discrimination Against Women (CEDAW)

নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য র্নিমূলের সনদ

·        ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এটি কার্যকর হয়।

·        সিডও সনদের ধারা-৩০টি।

United Nations Convention on the Rights of the Child (UNCRC)

শিশু অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ রীতিঃ ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর চুক্তিটি কার্যকর হয়।

UN Convention on the Law of the sea (UNCLOS)

সমুদ্র আইন বিষয়ক জাতিসংঘ রীতিঃ ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর।

Others

i.United Nations University (UNU)

জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়

  1. Intergovernmental Panel on Climate Change.

আবহাওয়া পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল।

 

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো)

United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO)

UNESCO-এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে।এটি ৪ নভেম্বর ১৯৪৬ সালে। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫ টি।১৯৮৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র UNESCO ত্যাগ করেছিল।সংস্থাটি বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা’ ঘোষণা করে।

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO)

WHO জাতিসংঘের একটি সহযোগী সংস্থা বা এজেন্সি। WHO ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।তাই ৭ এপ্রিল হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। সংস্থাটির প্রধান কর্মক্ষেত্রে হলো আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করা।এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।বিশ্ব থেকে পোলিও নির্মূলের জন্য ১৯৮৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং রোটারি ফাউন্ডেশন যৌথভাবে পোলিৗ টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করে।

 

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (United Nations Programme – UNDP)

UNDP জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ নভেম্বর, ১৯৬৫।স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়ন কাজে সমন্বয় করা, উন্নয়নশীল দেশসমূহে সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং সমপ্দ আরোহণে সাহায্য করা এই সংস্থার উদ্দেশ্য।জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করে UNDP। তাই UNDP কে জাতিসংঘের বহুমুখী কারিগরি ও প্রাক-বিনিয়োগ সহযোগিতা বাস্তবায়নের সর্ববৃহৎ মাধ্যম বলা হয়। UNDP এর সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।

 

Least Development Country – LDCs (স্বল্পোন্নত দেশসমূহ)

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকের নিম্নস্তরের দেশসূমূহ (স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত।স্বল্পোন্নত দেশ মোট ৪৮ টি।

তালিকা থেকে বেরিয়ে আসা দেশসমূহ

দেশ                     বেরিয়ে আসার সাল

বতসোয়ানা             ১৯৯৪

কেপভার্দে               ২০০৭

মালদ্বীপ                ২০১১

সামোয়া                ২০১৪

 

United Nations Children’s Fund – UNICEF (জাতিসংঘ শিশু তহবিল)

 

ইউনিসেফ জাতিসংঘে একটি বিশেষ সংস্থার নাম।এটি শিশুদের অধিকার, শিশুদের উন্নতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকে।১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।জাতিসংঘের শিশু সনদ অনুযায়ী ‘শিশু’র বয়স ০-১৪ বয়স। ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর নিইউয়র্ক সিটিতে ‘আন্তর্জাতিক শিশু সনদ’ গৃহীত হয়।

International Labour Organization – ILO (আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা)

ভার্সাই সনদের চুক্তি অনুযায়ী ১৯১৯ সালের ১১ এপ্রিল ILO – আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৪৬ সালে সংস্থাটি জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এই সংস্থাটি সামাজিক ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি মানবাধিকার এবং শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।

 

Intergovernment Panel on Climate Change (IPCC)

আবহাওয়া পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল (IPCC)১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।IPCC জাতিসংঘের একটি পরিবেশবাদী সংস্থা।এটি বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ু সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে থাকে।

Millennium Development Goals – MDGS (সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)

২০০০ সালে ৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সহস্রাব্দ র্শীষ সম্মেলন (Millennium  Summit of the United Nations) ৮ টি লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয় এবং লক্ষ্যসমূহ অর্জনের সময়সীমা ২০১৫ সাল নির্ধারণ করা হয়।এ সম্মেলনের ঘোষনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কতৃর্ক গৃহীত হয়।জাতিসংঘের ‘মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল’ অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বের দারিদ্র অর্ধেক কমিয়ে আনতে হবে।

Goals (লক্ষ্যসমূহ)

 

  • চরম দারিদ্য ও ক্ষুদা নির্মূল করা
  • সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন
  • লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন এর উন্নয়ন।
  • শিমু মৃত্যুর হার হ্রাস করা
  • মায়ের স্বাস্থের উন্নয়ন
  • এইচ.আই.ভি/এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে সংগ্রাম
  • পরিবেশগত সহনশীলতা নিশ্চিতকরণ
  • উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সৃষ্টি

 

  • শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ MDG – 2010 পুরস্কার পায়।

 

Sustainable Development Goals – SDG (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)

জাতিসংঘ সহাস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDG) – এর সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নির্ধারণ করা হয় নতুন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG)।  এটি সহাস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা MDG ‘র মতো জাতিসংঘ্য কতৃর্ক গৃহীত আরেকটি উন্নয়ন প্রক্রিয়া।৩-১৪ জুন ১৯৯২ ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনের ২০ বছর পূর্তি হয় ২০১২ সালের জুনে।এ লক্ষ্যে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে ২০-২২ জুন, ২০১২ অনুষ্ঠিত হয় ‘রিও+২০’ (Rio+20)বা ‘আর্থ সামিট ২০১২’ (Earth Summit 2012)সম্মেলন যার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল ‘বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন’ বা World Sustainable Development Conference –WSDC। এ সম্মেলনে সহাস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDG)’র ওপর ভিত্তি করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা ‍ Sustainable Development Goals – (SDGs) গ্রহণ করা হয়।এছাড়া এজেন্ডা -২১ সম্মেলনেই গৃহীত হয়েছিল যাতে বিশ্ব জল দিবস পালনের প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপিত হয়।

  • 17 Goals (১৭ টি লক্ষ্য)

 

  1. সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্য র্নিমূল করা।
  2. ক্ষুধা মুক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টির লক্ষ্য অর্জন এবং টেকসই কৃষিব্যবস্থা চালু।
  3. স্বাস্থ্যসম্মত জীবনমান নিশ্চিতকরণ এবং সব বয়সের সকলের জন্য কল্যাণ করা।
  4. সকলের জন্য ন্যায্যতাভিত্তিক ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ।
  5. সকল নারীর ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতা অর্জন।
  6. সকলের জন্য নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন – এর টেকসই ব্যবস্থাপনা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
  7. সকলের জন্য সহজলভ্য সুবিধাজনজক, নির্ভরযোগ্য, স্থিতিশীল ও আধুনিক জ্বালানি বা বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা।
  8. স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ এবং পূর্ণকালীন উৎপাদনমূলক ও কাজের সুন্দর পরিবেশ তৈরি।
  9. মনোরম স্থাপনা নির্মাণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থিতিশীল শিল্পায়ন এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা।
  10. রাষ্ট্রসমূহের অভ্যন্তরীণ ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যকার বৈষম্য বিলোপ।
  11. মানববসতি ও শহরগুলোকে নিরাপদ, মনোরম ও স্থিতিশীল রাখা।
  12. উৎপাদন ও ভোগ – এর কাঠামোর স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
  13. জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ।
  14. সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষন এবং টেকসইভাবে সেগুলোকে ব্যবহার।
  15. স্থলভূমির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষন ও উন্নয়নকরা, মরুকরণ প্রশমিত করা ও জমির ক্ষয়রোধকরণ ও জীব-বৈচিত্র্যের ক্ষতি কমানো।
  16. শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক সমাজ বিনির্মাণ ত্বরান্বিতকরণ, সকলের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, সকল স্তরে কার্যকর, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।
  17. টেকসই উন্নয়নের জন্য এসব বাস্তবায়নের উপায় নির্ধারণ ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের স্থিতিশীলতা আনয়ন করা।

 

বিশ্ব বানিজ্য সংস্থা (World Trade Organization- WTO)

  1. Bretton woods Conference (ব্রেটন উডস সম্মেলন): ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউহ্যাম্পশায়ারে ব্রেটন উডস নামক স্থানে IBRD তথা বিশ্বব্যাংক, IMF, ITO(International Trade Organization)গঠনের ব্যাপারে সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৪৫ সালে গঠিত হয় IBRD বা World Bank যা ১৯৪৬ সালে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৪৫ সালে IMF প্রতিষ্ঠিত হয় যা ১৯৪৭ সালে যাত্রা শুরু করে।

ITO এর পূর্বে ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় GATT(General Agreement on Tariffs and Trade)। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় শুল্ক-অশুল্ক বাধা দূর করে মুক্ত বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষে। ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত গ্যাটের ৮ রাউন্ড আলোচনা করা হয়।এর মধ্যে ১৯৮৬-৯৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ বছর ধরে চলা উরুগুয়ে রাউন্ড ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এই রাউন্ডের পরেই ১৯৯৫ সালের ১ লা জানুয়ারী GATT পরিবর্তিত হয়ে ITO(International Trade Organization)এ রুপ নেয়।বাংলাদেশ ১৯৯৫ সালে ১ জানুয়ারী এর সদস্যপদ পায়।বাংলাদেশ এর ১২৪ তম সদস্য। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬৪ টি। সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্থান। WTO এর সদস্যদেশ তাইওয়ানের সার্বেভৌমত্ব নেই। WTO এর সর্বশেষ সম্মেলন হয় ইন্দোনেশিয়ায়। WTO এর দোহা রাউন্ড চলছে ২০০১-বর্তমান।

 

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund-IMF)

১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর IMF প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৪৭ সালে ১ মার্চ IMF  কার্যক্রম শুরু করে। IMF এর সদর দপ্তর –ওয়াশিংটন ডিসি,যুক্তরাষ্ট্র।

কাজঃ

  • International Organization for the global financial system. আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত সংস্থা।
  • Stabilize currency exchange rate মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা।
  • Correcting unfavourable Balance of Payment. নেতিবাচক বানিজ্য ভারসাম্য সংশোধন

 

SDR – Special Drawing Rights

IMF এর রিজার্ভ সম্পদের আর্থিক একক। SDR is the monetry unit of the reserve assets of IMF. SDR সুবিধা প্রবর্তনের জন্য ১৯৬৯ সালে  IMF  এর গঠনতন্ত্র(Articles)সংশোধন করা হয়।

IMF এর সদস্য সংখ্যা ১৯০ টি।এর সর্বশেষ সদস্যদেশ কাজাকস্থান। এর বর্তমান মহাসচিব ফ্রান্সের ক্রিস্টিনা লাগার্ড।

 

Food and Agricultural Organization (FAO) – খাদ্য ও কৃষি সংস্থা

FAO ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। এ জন্য ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস।এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে।

বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ

বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬ তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ পায়।জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশেনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। এই অধিবেশন চলাকালে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধানণ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১ তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।বাংলাদেশের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন হুমায়ন রশীদ চৌধুরী। বাংলাদেশ ১৯৭৮ (১৯৭৯-৮০ সালের জন্য) এবং ১৯৯৯ (২০০০-০১ সালের জন্য) সালে দুইবার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বশেষ আনোয়ার – উল- করিম চৌধুরী নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন। জাতিসংঘে বর্তমানে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুম বিন মোমেন।

১৯৪৮ সালে প্রথম জাতিসংঘ প্রথম ফিলিস্থিনে শান্তি রক্ষা কার্যক্রম শুর করে।জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা ‍মিশনে সৈন্য সংখ্যার দিক থেকে বর্তমানে বাংলাদেশ ২য়।১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরান মিশনে (UNMOG) প্রথম অংশ নেয়। বালৈাদেশ এখন পর্যন্ত ৫৪টি শান্তি মিশনে অংশ নিয়েছে।বিশ্বে বর্তমানে ১৬টি শান্তি মিশন কার্যক্রম চলছে যার ১২টিতে বাংলাদেশি সৈন্য কর্মরত আছে।

জাতিসংঘের প্রথম মিশন UNTSO (১৯৪৮) এবং সর্বশেষ মিশন  MISCA।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের চাঁদার হার ০.০১%।

বাংলাদেশের আমিরা হক জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি নিযুক্ত হন।

জাতিসংঘ ২০১৮ সালকে আন্তর্জাতিক আদিবাষী ভাষা বর্ষ বলা হয়।

জাতিসংঘ ও এর সংস্থা কতৃর্ক শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ:

  1. UNHCR -1954, 1981

2.UNICEF -1965

3.ILO – 1969

4.UNO – 2001

5.UN PEACE KEEPING FORCE – 1988

6.IAEA – 2005

7.IPCC – 2007

  • মোহাম্মদ আল বারাদী IAEA এর মহাপরিচালক হিসেবে পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং এই শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য ২০০৫ সালে তাকে এবং IAEA কে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

জাতিসংঘের ঘোষিত শীর্ষ সম্মেলন Cop 21 অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে।COP অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে মরক্কোর মারাকাশে এবং COP 23 অনুষ্ঠিত হয় জার্মানির বন এ ২০১৭ সালে নভেম্বরে। COP 24 অনুষ্ঠিত হয় পোল্যান্ডের কাটোসিতে। COP মানে Conference Of Parties. COP আয়োজন করে থাকে UN Framework convention on Climate Change (UNFCCC). UNFCCC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে। জাতিসংঘের পতাকায় আছে হালকা নীলের উপর সাদা রঙ্গের জাতিসংঘের প্রতীক।জাতিসংঘের প্রতীকের মাঝখানে পৃথিবীর মানচিত্র। দুইপাশে দুটি জলপাই গাছের শাখা।জলপাই গাছ শান্তির প্রতীক। জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানের টোকিওতে অবস্থিত।

শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব

শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব (The Uniting for Peace Resolution) হলো বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার লক্ষ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কতৃর্ক গৃহীত একটি শান্তি প্রস্তাব। ১৯৫০ সালে কোরীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ৫ সদস্যের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিলে উক্ত সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এটি অনুমোদন দেয়।

জাতিসংঘের সনদ মতে নিরাপত্তা পরিষদের কোন স্থায়ী সদস্য পরিষদে আলোচিত প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করলে উক্ত প্রস্তাব গৃহীত হয় না। তাই নিরাপত্তা পরিষদের ৫ টি স্থায়ী সদস্যের মতানৈক্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং তার ভীতি প্রদর্শন বা আগ্রাসী কার্যকলাপ প্রতিরেধে ব্যর্থ হলে এ প্রস্তাবের ক্ষমতা বলে সাধারণ পরিষদ ২৪ ঘন্টার মধ্যে জরুরী সভা আহ্বান করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। সুতরাং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত প্রস্তাবটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

Responsibility to Protect (R2P or RtoP)

‘আরটুপি’তত্ত্ব মূলত জাতিসংঘ কতৃর্ক উদ্ভাবিত ও অনুমোদিত।২০০৫ সালে জাতিসংঘ আয়োজিত বিশ্ব সম্মেলনে এ তত্ত্ব গ্রহণ করা হয়। এই তত্ত্বের মূল কথা হচ্ছে, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরীহ জনগণকে গণহত্যা থেকে রক্ষা করা এবং তাদের মানবাধিকার নিশ্চিত করা।সাধারণ ক্ষেত্রে আরটুপি তত্ত্ব সামরিক অভিযান কিংবা হামলার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করা হয় (লিবিয়া, সিরিয়া, সুদান)। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিবাদমান গ্রুপগুলোর মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি কমিশন গঠন করে সেখানে নিরপরাধ মানুষদের হত্যার হাত থেকে রক্ষা করা হয়। আরটুপি’র ১৩৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র তার জনগণকে সব ধরনের গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, জাতিগত উচ্ছেদ অভিযান থেকে রক্ষা করবে। এ ধরনের অপরাধ যাতে না ঘটে তা দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। আরটুপি’র ১৩৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জাতিসংঘের মাধ্যমে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, জাতিগত উচ্ছেদ অভিযান, মানবতাবিরোধী অপরাধ বন্ধে কূটনৈতিক, মানবিক উদ্যোগসহ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। উদ্দেশ্য জনগণকে গণহত্যা থেকে রক্ষা করা। আরটুপি তত্ত্বের সাথে `Humanitarian Intervention – এর প্রশ্নটিও জড়িত। এর ব্যাখায় বলা হয়েছে, মানবিকতা রক্ষার নামে যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ সমর্থনযোগ্য।

  • তাইওয়ান ১৯৭১ সালে চীনের কাছে সদস্যপদ হারায়।
  • জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানের টোকিওতে অবস্থিত।