ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

 

ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার পেয়ারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতার নাম মফিজউদ্দীন ও মাতার নাম হুরুন্নেসা।শিশুকালে তার নাম রাখা হয় মুহম্মদ ইবরাহিম। পরে তার মা তা পরিবর্তন করে রাখেন ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি ছিলে একাধারে ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।তিনি ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে যোগ দেন।তাঁকে ‘চলিষ্ণু অভিধান’ বলা হয়। ১৯৬৯ সালের ১৩ জুলাই তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বহুভাষাবিধ। বাংলা সাহিত্য সম্পর্কিত গবেষণার জন্য তিনি এদেশের সাহিত্যের ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছেন।তিনি সরবোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯২৫ সালে পি.এইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।তাঁকে জ্ঞানতাপস’ অভিধায় অভিহিত করা হয়।

 

গভেষণা-মূলকগ্রন্থ

বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত, বাংলা সাহিত্যের কথা, ভাষা ও সাহিত্য, বাঙ্গালা ব্যাকরণ, আঞ্চলিক ভাষার অভিধান (দুই খন্ড)

অন্যান্য গ্রন্থগুলো – সিদ্ধা কাহ্নপার গীত ও দোহা, বৌদ্ধ মর্মবাদী গান।

অনুবাদ গ্রন্থ

দীওয়ানে হাফিজ, অমিয় শতক, রুবাইয়াত ই ওমর খ্যায়াম, শিকওয়াত ও জওয়াব ই শিকওয়াহ।

প্রবন্ধ: ইকবাল, আমাদের সমস্যা, বাংলা আদব কি তারিখ, Eassy of Islam: Traditional culture of East Pakistan.

তাঁর সংকলিত ও সম্পাদিত গ্রন্থ-পদ্মাবতী, প্রাচীন ধর্মগ্রন্থের শেষ নবী, গল্প সংকলন।

তিনি ‘আঙুর’, ‘দি পীস’, ‘বঙ্গভূমি’, ‘তকদীর’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।

উক্তি: ‘আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’।

 

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য আশুতোশ মুখোপাধ্যায়ের পরামর্শে তিনি ভাষাতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হয়ে ১৯১২ সালে এম.এ পাশ করে বের হন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামের ছাত্রাবাসটির পূর্বনাম ছিল ঢাকা হল।

২০০৪ সালের বিবিসির জরিপকৃত তালিকায় তিনি ছিলে ১৬তম।