তুরস্ক

তুরস্ক (Turkey)

রাষ্ট্রীয় নামঃ প্রজাতন্ত্রী তুরস্ক।

State Name: Republican Turkey

রাজনৈতিক পদ্ধতিঃ গনতন্ত্র।

Political system: Democracy

সরকার পদ্ধতিঃ রাষ্ট্রপতি শাষিত।

Government system: the ruler of the country.

আয়তনঃ ৪,৮৮,১০০ কিঃ মিঃ  

Size: 4,88,100 km

স্বাধীনতাঃ ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর (ব্রিটেন হতে)

Independence: On 29 October 1923 (from Britain)

ভাষাঃ তুর্কি

Language: Turkish

রাজধানীঃ আঙ্কারা।

Capital: Ankara

মুদ্রাঃ লিরা।

Currency: Lira

তুরস্কের অবস্থান

তুরস্ক এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে বিস্তৃত দেশ। তাই তুরস্ককে ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র বলা হয়।পৃথিবীতে দুটি দেশ তুরস্ক ও রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে বিস্তৃত। তুরস্ককের ইস্তাম্বুল নগরী ইউরোপ ও এশিয়ায় দুইমহাদেশে পড়েছে। এর পূর্বনাম কনস্টানটিনোপল। ইসকানদারুন তুরস্কের একটি বিখ্যাত বন্দর।

তুরস্কের মধ্যে অবস্থিত বসফরাস প্রণালী ইউরোপ ও এশিয়াকে আলাদা করেছে। যা ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত।

Turkey’s location

Turkey is a country spread across both Asia and Europe. Turkey is known as the Eurasian state. Turkey and Russia, both countries, spread across both continents of Asia and Europe. Turkey’s Istanbul city has been in Europe and Asia in the two continents. Its former name Constantinople. Escandarun is a famous port of Turkey.

The Bosphorus system in Turkey is different from Europe and Asia. Which lies between the Mediterranean and the Black Sea.

 

মোস্তফা কামাল আতার্তুক

তিনি ছিলেন তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক। তিনি কামাল আতার্তুক নামে পরিচিত ছিলেন।তিনি তুরস্কের জনক ও প্রথম রাষ্ট্রপতি । ১৯২২ সালে তুরস্কে অটোমান সাম্রাজ্যের পতন হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধর পর তুরস্কে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হলে ৬২৪ বছরের অটোমান সাম্রাজের পতন হয়। অটোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রস্থল ছিলো বর্তমান তুরস্ক। রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আর বিনালি ইলদিরিম প্রধানমন্ত্রী ।

Mustafa Kemal Ataturk

He was the hero of Turkey’s freedom struggle. He was known as Kemal Ataturk. He is the father of Turkey and the first President. In 1922, the Ottoman Empire collapsed in Turkey. After the war of liberation in Turkey after the First World War, 624 years of Ottoman Empire fell. The present-day Turkey was the center of the Ottoman Empire. Recep Tayyip Erdogan is the current President of Turkey and the Prime Minister of Binli Eldirim.

গ্রিস-তুরস্ক বিরোধ

সাইপ্রাসকে গ্রীসের সাথে যুক্তকরণের আন্দোলনের নাম ইনোসিস।গ্রিসের মদদপুষ্ট সামরিকজান্তা ক্ষমতায় বসলে ১৯৭৪ সালে তুরস্ক সাইপ্রাসে সারকি অভিযান চালায়।সাইপ্রাস তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যে বিবাদের কারন।

সাইপ্রাসের পোশাকি নাম রিপাবলিক অব সাইপ্রাস। একটি দ্বীপ দেশ। ভূমধ্যসাগরে এর অবস্থান। আকারের দিক দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরস্থিত দ্বীপগুলোর মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম। তার মানে, আয়তনের দিক থেকে ইতালির দুটি দ্বীপ সিসিলি ও সার্ডিনিয়ার পরই এটির অবস্থান।

তবে সম্পূর্ণ দ্বীপটি সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র নয়, দ্বীপের উত্তরাংশ তুর্কি সাইপ্রিয়টদের দখলে। দ্বীপটিকে গ্রিসের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ১৯৭৪ সালের ১৫ জুলাই গ্রিক সামরিক সরকার এক এক করে প্রেসিডেন্ট তৃতীয় মাকারিয়ুসকে উচ্ছেদ করে এবং নিজের লোক নিকোস স্যামসনকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেয়। এর দিন পাঁচেক পর, ২০ জুলাই সাইপ্রাসে শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দোহাই দিয়ে তুর্কি সেনাবাহিনী গিয়ে হাজির হয়।১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত ‘গ্যারান্টি চুক্তি’ বা ‘ট্রিয়েটি অব গ্যারান্টি’ অনুযায়ী, সাইপ্রাস প্রশ্নে তুর্কিদের এ ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেয়া হয়েছিল।

তবে এ জন্য তুর্কিরা ভৎর্সনা ও তিরস্কার পেয়ে আসছে প্রচুর। ওরা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক প্রস্তাব অবজ্ঞা করেছে। কিন্তু দ্বীপদেশ সাইপ্রাস দ্বিখণ্ডিতই রয়ে গেছে। তুরস্ক ও সাইপ্রাসের মধ্যকার সমস্যা মিটমাট হয়নি।

Greece-Turkey conflict

In 1974 Turkey set up a Sarki operation in Cyprus, in the name of Enosys Griss-backed military-backed government in Cyprus. The reason for the dispute between Cyprus and Greece is to Cyprus.

Cyprus’s clothing name is Republic of Cyprus. An island country. Its location in the Mediterranean. By size, the third largest in the islands of the Mediterranean. That means, the area of ​​the region is the location of Sicily and Sardinian after its two islands in Italy.

However, the entire island is not owned by the Cyprus Republic, but the Turkic Cypriots occupy the northern tip of the island. To include the island in Greece, on July 15, 1974, the Greek military government evicted the Third president Makarius, one by one, and made Nicos Samson his own person. After five days, on July 20, the Turkish army went to Cyprus for the sake of bringing back the constitutional system in Cyprus. According to the ‘Guarantee Agreement’ or ‘Treaty of Guarantee’ signed in the 1960s, such interference of the Turks was accepted on the question of Cyprus.

But the Turks are getting reproach and reproach for so many. They ignored a number of UN Security Council resolutions But the island has remained bilateral cyprus. The problem between Turkey and Cyprus was not met.

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ

খণ্ডিত সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র তুরস্কের সঙ্গে বিবাদ না মেটালেও কেমন করে যেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ পেয়ে গেছে। ইইউ’র সদস্য হতে হলে প্রার্থী দেশকে যেসব রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও লেজিসলেটিভ বিষয়াদির সমাধান করতে হয়- তার মধ্যে একটি হল অন্য কোনো দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক ভূখণ্ড-সংক্রান্ত বিবাদের মীমাংসা।

সাইপ্রাস সেটা না করেও ইইউ’র সদস্যপদ পেয়েছে হয়তো এ কারণে যে, ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাইপ্রাস দ্বীপের ভৌগোলিক অবস্থান কৌশলগত দিক দিয়ে যথেষ্ট আর্কষণীয়। গ্রিস, তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ইজরাইল ও গাযা স্ট্রিপ, মিসর ইত্যাদি দেশগুলো সাইপ্রাসকে চারদিকে দিয়ে ঘিরে রেখেছে। আর তাই ২০০৪ সালের ১ মে যে দশটি দেশকে ইইউ’র পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়া হয়, সাইপ্রাস এর অন্যতম।

Membership European Union 

How did the Republic of Cyprus break into conflict with Turkey, but how did it get European Union membership? In order to be a member of the EU, the political country has to solve the political, economic and legislative issues – one of which is the settlement of a political territorial dispute with another country.

Cyprus has received membership of the EU without doing so, perhaps because of the geographical location of Cyprus Island, which is located in the eastern half of the Mediterranean, is strategically strategic enough. Countries like Greece, Turkey, Syria, Lebanon, Israel and the Gaza Strip, Egypt etc. surrounded Cyprus. And so on 10 May 2004, ten countries were given full membership of the EU, one of Cyprus’s.

 

কুর্দিদের ইতিহাস

স্বাধীন কুর্দিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় বাধার নাম তুরস্ক।  তুরস্কের মোট জনসংখ্যার ১৫-২০ শতাংশ লোক কুর্দি হলেও সেখানে তাঁদের কোনো রাজনৈতিক স্বাধীনতা নেই।  তুর্কিরা কুর্দিদের বাক-স্বাধীনতা খর্ব করেছে, তাঁদের ভাষা, পোশাক, নাম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এমনকি তুর্কিরা কুর্দিদের জাতিসত্ত্বাকে অস্বীকার করে, কুর্দিদের ‘কুর্দি’ না বলে ‘পার্বত্য তুর্কি’ বলে।

History of Kurdis

Turkey is the biggest obstacle in establishing an independent Kurdistan state. Although 15-20 percent of Turkey’s population is Kurdish, they do not have any political independence. Turks have curtailed the freedom of Kurds, prohibited the use of their language, clothing, and names. Even the Turks deny the Kurds of the Kurds, they say ‘Kurds’ as ‘Kurdish Turks’ because they are not Kurdish.

কুর্দি সমস্যা

তুর্কিদের বিরুদ্ধে কুর্দিরা দফায় দফায় আন্দোলন করেছে।  প্রথম দিকে স্বায়ত্ত্বশাসনের আন্দোলন হলেও পরের দিকের আন্দোলনগুলো ছিলো স্বাধীনতার আন্দোলন।  ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওসালানের নেতৃত্বে কুর্দিরা পিকেকে (PKK-Kurdistan Workers’ Party) নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলে।  প্রতিষ্ঠার ষষ্ঠ বছরে পিকেকে তুর্কিদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করে। তুর্কিরা এতটা কঠোর হস্তে আন্দোলনগুলো দমন করেছে যে আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার কুর্দি এ সব আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছে।  নির্যাতন, নিপীড়নের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে নব্বই সালের দিকে পিকেকে স্বাধীনতা বাদ দিয়ে আবারও রাজনৈতিক স্বায়ত্ত্বশাসনের দাবীতে ফিরে আসে, তবে আন্দোলন চলতে থাকে।  পরবর্তীকালে ২০০৪ সালে আরো দুটি কুর্দি সংগঠন পিকেকের সাথে যোগ দেয়- এদের একটি পিজেএকে (PJAK-Party of Free Life of Kurdistan), অন্যটি টিএকে (TAK-Kurdistan Freedom Falcons, এটি মূলত পিকেকে ভেঙে তৈরী হওয়া নতুন একটি দল।  এর পর থেকে স্বাধীনতাকামী  সংগঠনগুলোর সশস্ত্র বিদ্রোহ সরকারকে অস্থিতিশীল করে দেয়। ২০১২ সালে গঠিত হয় কুর্দি সম‍র্থিত বাম রাজনৈতিক সংগঠন এইচডিপি (HDP-Peoples’ Democratic Party)। এদের সহায়তায় ঐ বছরে তুরস্ক সরকার প্রথম বারের মতো পিকেকের সাথে শান্তি আলোচনায় বসে। এ আলোচনার ফলে পিকেকে তুরস্ক থেকে উত্তর ইরাকে তাদের সৈন্য সরিয়ে নিতে থাকে।

তবে না, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদেগান কথা রাখেনি।

Kurdish problem

The Kurds have been protesting against the Turks. Although the movement of autonomy was initially the movement of the next movement was the movement of independence. In 1978, Kurdistan, led by Abdullah Osalan, formed a political organization called PKK-Kurdistan Workers’ Party. In the sixth year of the establishment, PKK started armed struggle against the Turks. The Turks have suppressed the movements in such a rigid hand that estimated at least 50,000 Kurds killed all these movements. The level of torture and repression was so horrific that in the nineties, PKK came back to the demands of political autonomy rather than independence, but the movement continued. Later, in 2004, two other Kurds joined Pekake – one of them is PJAK-Party of Free Life of Kurdistan, another TAK-Kurdistan Freedom Falcons, a new group that was originally broken by PKK). Since then, armed rebellions of the freedom-loving organizations have destabilized the government. Kurdish-backed Left Political Organization (HDP-Peoples’ Democratic Party), formed in 2012. With the help of that, the Turkish government for the first time in that year, the solution process with Piccake. As a result of this discussion, PKK continued to withdraw their troops from Turkey to northern Iraq.

But not the Turkish President Erdogan did not keep the word.