বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি ১লা সেপ্টেম্বর ১৯৫০ সালে মারা যান।

 

উপন্যাস

 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসসমূহ – পথের পাঁচালী,

অপরাজিত, দৃষ্টি প্রদীপ, আরণ্যক, আদর্শ হিন্দু হোটেল, দেবযান,

অনুবর্তন,মেঘমল্লার তালনবমী। ইছামতী, অশনি সংকেত, চাঁদের

পাহাড়, অভিযাত্রিক ইত্যাদি।

 

পথের পাঁচালী (১৯২৯): বিভূতিভূষণের প্রথম উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’। এটি ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।প্রধান চরিত্র- অপু, দুর্গা, ইন্দিরঠাকুরুন, সর্বজয়া।এই উপন্যাস সর্ম্পকে রবীন্দ্রনাথ বলেন ,“এই বইখানিতে পেয়েছি যথার্থ গল্পের স্বাদ।এর থেকে শিক্ষা হয়নি কিছুই। দেখা হয়েছে অনেক যা পূর্বে এমন করে দেখিনি।”এই উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

 

অপরাজিত: এটি তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস। এর প্রথম নাম ছিল ‘অলোক সারথী’।

আরণ্যক: প্রধান চরিত্র- ভানুমতী, বনোয়ারী, দোবরু পান্না।

অশনি সংকেত: এই উপন্যাস অবলম্বনে ঋত্বিক ঘোষ চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

ইছামতী: এই উপন্যাসের জন্য ১৯৪৯ সালে রবীন্দ্র পরস্কার লাভ করেন।

তাঁর আরণ্যক উপন্যাসে অরণ্যচারী মানুষের জীবন প্রাধান্য পেয়েছে।

 

ছোটগল্প

তাঁর ছোটগল্পগ্রন্থ গুলো হল – মেঘমল্লার, মৌরীফুল, যাত্রাবদল, কিন্নরদণ।

তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম – তৃণাঙ্কুর।