মহাজাগতিক রশ্মি

মহাশূন্য হতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যে আলোক কণা সমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে মহাজাগতিক রশ্মি বলে।এই মহাজাগতিক রশ্মির ৯০ শতাংশ প্রোটন, নয় শতাংশ হিলিয়াম, এক শতাংশ ভারী মৌল ও ইলেকট্রন (বিটা নেগেটিভ কণা)। মহাজাগতিক রশ্মির শক্তি ১০২০ ইলেকট্রন ভোল্টের ওপর (মানবসৃষ্ট পার্টিকেল এক্সিলেটরে তৈরি শক্তির পরিমাণ ১০১২ থেকে ১০১৩ ইলেকট্রন ভোল্ট)। ১৮৯৬ সালে হেনরি বেকেরেলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের পর বায়ুমণ্ডলের বিদ্যুত্প্রবাহকে (বাতাসের আয়নীকরণ) সবাই ভূপৃষ্ঠে তেজস্ক্রিয় মৌলগুলোর তেজস্ক্রিয়তা অথবা তেজস্ক্রিয় গ্যাসের (রেডনের আইসোটোপ) ফলাফল হিসেবে ভাবতে শুরু করেন। ১৯১০ সালে থিওডর উলফ ইলেকট্রোমিটার নামের একটি যন্ত্র তৈরি করেন। ইলেকট্রোমিটারের সাহায্যে আয়ন উৎপাদনের হার নির্ণয় করা যায়। থিওডর উলফ আইফেল টাওয়ারের ওপর গিয়ে দেখলেন, ভূপৃষ্ঠ থেকে টাওয়ারের মাথায় বিকিরণ অনেক বেশি। কিন্তু ভূপৃষ্ঠে তেজস্ক্রিয় মৌলগুলোর তেজস্ক্রিয়তা অথবা তেজস্ক্রিয় গ্যাসের কারণে আয়নীকরণ হয়ে থাকলে যতই ওপরে যাবেন, ততই বিকিরণ তথা আয়নীকরণ কমার কথা।

From the space, the mass of the atmosphere in the Earth’s atmosphere, which has high strength, is called cosmic ray.90 percent of the cosmic ray proton, nine percent helium, one percent heavy element and electron (beta negative particles). Cosmic ray power 1020 electrons volts (the manpower generated in man-made particle gas pedal 1012 to 1013 electrons volts). After the invention of the radioactivity of Antoine Henri Becquerel in 1896, atmospheric electrification (air ionization) began to be considered as the result of radiation of radioactive elements of radioactive or radioactive gases (radon isotope) in the surface of the earth. In 1910, Theodor Wolf made an instrument called Electrometer. The rate of ion production can be determined with the help of electrometer. Theodor Wolf went over the Eiffel Tower and found that the radiation from the earth to the tower was much more. But if radioactive elements of the surface are radioactive due to radiation or radioactive gases, then as far as the ionization is concerned, the more radiation and ionization can be reduced.

১৯১২ সালে ভিক্টর হেস তিনটি অধিক কর্মক্ষম ও নিখুঁত উলফ ইলেকট্রোমিটার তৈরি করেন। তিনি এই ইলেকট্রোমিটার নিয়ে বেলুনে উড়ে পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় ৫৩০০ ফুট উচ্চতায় ওঠেন। তিনি সেই উচ্চতায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় চার গুণ বিকিরণ পান। মজার ব্যাপার হলো, অনেক বিজ্ঞানীরই ধারণা ছিল, বায়ুমণ্ডলের বিকিরণের মূল কারণ সূর্য। কাজেই সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদের কারণে বিকিরণ একেবারেই কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু হেস দেখলেন, বিকিরণ কমার লক্ষণ নেই। তখন তিনি উপসংহার টানলেন, ‘আমার পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করার জন্য মহাবিশ্ব থেকে অধিক ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন বিকিরণ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আসে বলে ধরে নেওয়া যায়।’ পরে ১৯১৩-১৪ সালে ওয়ার্নার কোলরস্টার নয় কিলোমিটার উচ্চতায় পরীক্ষা করে হেসের অনুমাণকে সত্য বলে নিশ্চিত করেন। তখন থেকে বিজ্ঞানীরা মহাজাগতিক রশ্মির বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করছেন। ভিক্টর হেস তাঁর এই আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

In 1912, Victor Hess made three more efficient and perfect Wolf electrometers. He took this electrometer to the altitude of 5300 feet when he took the full moon in the balloon. He got about 4 times the radiation of the surface in the height. Interestingly, many scientists had the idea that the main cause of the radiation of the atmosphere is the sun. Therefore, due to the moon at the time of the solar eclipse, radiation is reduced to a minimum. But Hess found that there is no sign of radiation. Then he concluded, “To explain my observation, it can be assumed that the radiation that is more penetrating than the universe comes into the atmosphere of the Earth.” Later, in 1913-14, Warner Colstraster tested at a height of nine kilometers and confirmed Hase’s assertion as true. Since then scientists have been thinking about cosmic rays. Victor Hess received the Nobel Prize for his discovery in 1936.

মহাজাগতিক রশ্মি ইংরেজি কসমিক রে বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।মহাজাগতিক রশ্মি বিদ্যুৎ চার্জযুক্ত।

Cosmic rays In the atmosphere of the Earth from outside, high particles that enter the valleys are collectively called cosmic rays. The magnetic ray electricity is charged.