মায়ানমার

Union of Myanmar

রাষ্ট্রীয় নামঃ ইউনিয়ন অব মায়ানমার।

State Name: Union of Myanmar.

রাজধানীঃ নাইপিদাে

Capital: Naypyidaw

সরকার পদ্ধতিঃ সামরিক জান্তা।

Government system: Military junta

উপনিবেশঃ ব্রিটেন।

Colony: Britain.

আয়নতঃ ৬,৭৬,৫৭৮ বর্গ কি:মি:।

Area: 6,76,578 square km

মিয়ানমারের ইতিহাস

১৮৮৫ সালে অ্যাংলো-বার্মিজ যুদ্ধে বৃটিশদেও হাতে বামার বৌদ্ধ রাজা থিবে মিন পরাজিত ও নির্বাসিত হন । এর ফলে বৌদ্ধ রাজতন্ত্রের অবসান হয়। আর শুর হয় র্দীঘ মেয়াদী বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসন।২য় বিশ্বযুদ্ধে জাপান এটি দখল করে নেয়। যুদ্ধ চলাকালে দেশটির জাতীয় নেতা অং সান জাপানিদের পক্ষ নিয়ে যুদ্ধ করেন । তবে যুদ্ধের শেষ দিকে স্বাধীনতার জন্য তিনি জাপানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন । ১৯৪৭ সালে অং সান গুপ্ত হত্যার শিকার হন । ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীন হয়। ১৯৬২ সালে দেশটির জেনারেল নে উইন অভূত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন ফলে শুরু হয় স্বৈরশাসন । ১৯৮৮ সালে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বিক্ষোভ হলে সামরিক জান্তা সরকার প্রায় তিন হাজার মানুষকে হত্যা করে। তখন বিরোধীদলীয় নেতা হিসাবে আর্বিভূত হন জাতীয় নেতা অং সানের কন্যা অং সান সূচি। তিনি ১৯৮৮ সালে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD) দল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৯ সালে সামরিক জান্তা সরকার বার্মা নাম পরিবর্তন করে রাখেন মায়ানমার। মায়ানমারের আদি নাম বার্মা বা ব্রহ্মদেশ। ১৯৯০ সালের সাধারন নির্বাচনে এনএলডি জয় লাভ করে কিন্তু সামরিক সরকার তা প্রত্যাখান করে নির্বাচন বাতিল করে । ১৯৯২ সালে থেইন সেইন নতুন সামরিক জান্তা প্রধান হন। ২০০৬ সালে নাইপিদোকে মিয়ানমারের রাজধানী স্বীকৃতি দেওয়া হয় । ২০০৮ সালে মিয়ানমারের বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক অংশের নেতৃত্বে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয় যা জাফরান বিল্পব নামে পরিচিত । ২০০৮ সালে মিয়ানমারের বর্তমান সংবিধান অনুমোদিত হয়। ২০১০ সালে সামরিক সরকার নির্বাচন দেয়। সামরিক বাহিনী সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি এন্ড ডেমোক্রোটিক পার্টি (USAD) জয়ী হাওয়ার দাবি করে । থেইন সেইনের নেতৃত্বে আধা সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৫ সালে ৮ নভেম্বর সব দলের অংশগ্রহনে ঐতিহাসিক গনতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লীগ যার ডেমোক্রেসি (NLD) বিপুল (৮০%) ব্যবধানে জয়ী হয় । মিয়ানমারের বর্তমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন NLD-র থিন কিউ।

History of Myanmar

In 1885, the British King Tiebto Min was defeated and expelled by the British in the Anglo-Burmese war. This resulted in the end of the Buddhist monarchy. The British colonial rule of the era began. Japan occupied it in World War II. During the war, the country’s national leader Aung San fought the Japanese side. But at the end of the war, he took position against Japan for independence. In 1947, Aung San Gupta was assassinated. In 1948 Myanmar became independent from the British. In 1962, General Ne Win of the country was overthrown by power, and the dictatorship started. In 1988, during the nationwide protests against the military government, the military junta government killed about 3,000 people. Then Aung San Suu Kyi, daughter of national leader Aung San, emerged as the opposition leader. He founded the National League for Democracy (NLD) in 1988. In 1989, the military junta government changed Burma’s name to Myanmar. Myanmar’s original name is Burma or Brahma. The NLD won the general election in 1990, but the military government rejected it and rejected the election. In 1992, Thein Sein became the new military junta chief. Naypyidaw was recognized as the capital of Myanmar in 2006. A large number of protests led by a section of Buddhist monks in Myanmar in 2008, which are known as Jafaran Bibhav In 2008, the current constitution of Myanmar was approved. In 2010 the military government gave the election. The Union Solidarity and Democrat Party (USAD), supported by the military, claims to have won. A semi-military government led by Thein Seine was established. In the year 2015, the historic democratic elections were held in the presence of all parties. In Aung San Suu Kyi’s National League, whose Democracy (NLD) won a huge (80%) margin. The current president of Myanmar elected NLD leader Thin Q.

অং সান সুচি (Aung San Suu Kyi)

তিনি ১৯৪৫ সালে ইয়াঙ্গুনে জন্মগ্রহন করেন । ১৯৬৯ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যুক্তরাজ্য গমন করেন । ১৯৮৮ সালে দেশে পত্যাবর্তন করেন এবং NLD গঠন করেন । ১৯৮৯ সালে সামরিক আইনের অধীনে রেঙ্গুনে গ্রেপ্তার হন । তিনি গনতন্ত্র ও মানধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান । ২০০২ সালে তিনি গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন। ২০০৩ সালে তার গাড়িতে হামলা হলে পুনরায় গৃহবন্দি হন । ২০১০ সালে পুনরায় গৃহবন্দিত্ব হতে মুক্তি পান । ২০১১ সালে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD) এর চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হণ। তার জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র। দ্য লেডী ( নির্মাতা ফ্রান্সের লুক বেসন)। বর্তমান তিনি রাষ্টীয় উপদেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী পদের সমমর্যাদার। উল্লেখ্য সংসদের ২৫% আসন সামরিক বাহিনীর জন্য বরাদ্ধ।

(Aung San Suu Kyi)

He was born in Yangon in 1945. In 1969, the UK went to Oxford University to study. In 1988, he came to the country and formed the NLD. 1989 was arrested in Rangoon under the military law. He received the Nobel Peace Prize in 1991 for his contributions to democracy and rights. In 2002, he was released from house arrest. In 2003, after being attacked in his car, he was again abducted. In 2010, they were released again from house arrest. In 2011, the National League for Democracy (NLD) chairperson was elected. Films made with his biography. The Lady (Look Lux Bean of France). Presently he is the leader of the post of the Prime Minister of the state. It is noteworthy that 25% of the seats are reserved for the military.

অং সান সূচির লেখা

  • ফ্রিডম ফ্রেম ফিয়ার এন্ড আদারস
  • লেটারস ফ্রম বার্মা
  • বার্মাস রেভুলেশন অব দি স্পিরিট
  • ‘অংসান’ অংসা অব বার্মা
  • বার্মা এন্ড ইন্ডিয়া

Writing Aung Sun Index

  • Freedom Frame Fear And Adress
  • Letters from Burma
  • Burma Revolution of the Spirit
  • Anshan’ of Assam’s Burma
  • Burma and India

২০১৫ সালের ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে তার দল ৮০ শতাংশের বেশী আসন পেয়ে জয়ী হন ।২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির নতুন পার্লামেন্টর প্রথম অধিবেশনে যোগদানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীন দল হিসাবে আত্নপ্রকাশ করে । ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল’ লাভ করেন তিনি ।

His party won more than 80 percent of the seats in the election on November 8, 2015. It became the ruling party, joining the first session of the new parliament on 1 February, 2016. In 2008, he received the US Congressional Gold Medal.

সংবিধান

২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারের সংদস দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। এত মোট ৬৬৪ টি (২৪৪ টি উচ্চ কক্ষে ও ৪৪০ টি নিম্ন কক্ষে) সংসদীয় আসন রয়েছে । মোট সংসদীয় আসন এর মধ্যে ৪৯৫ টি (৭৫ শতাংশ) সরাসরি জনগনের ভোট নির্বাচিত হয় বাকি ১৬৮ টি (২৫ শতাংশ) সামরিক বাহিনীর জন্য বরাদ্ধ।

According to the 2008 constitution, Myanmar’s bilateral relations are bicameral. There are a total of 664 (244 high-level and 440 lower rooms) parliamentary seats. Of the total parliamentary seats, 495 (75 percent) of the total direct voting is elected, the remaining 168 (25 percent) are allocated for the military.

আরাকান ও রোহিঙ্গা

রোহিঙ্গা মিয়ানমারের একটি জাতি গোষ্ঠী। রোহিঙ্গাদের আবাসভূমি রাখাইন রাজ্য মিয়ানমারের প্রদেশ হলেও এই আবাস ভূমি এক সময় ছিল মুসলিম রোহিঙ্গাদেও স্বাধীন-স্বতন্ত্র রাজ্য। ১৯৮৫ বার্মা রাখাইন রাজ্য (পূর্বনাম আরাকান) দখল করে । ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীন হওয়ার সময় আরাকান ছিল সায়ত্ত্বশাসিত রাজ্য । কিন্তু ১৯৬২ সালে সামরিক শাসক শুরু হয় এবং আরাকানের সায়ত্ত্বশাসন কেড়ে নেয়া হয়। ১৯৭৪ সালে মিয়ানমারের সংবিধানে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায় সামরিক শাসন ও বৌদ্ধ মগরা। ১৯৮২ সালে নতুন নাগরিকত্ব আইনের অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দিলেও রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বেও স্বীকৃতি দেয়নি । বরং রোহিঙ্গা নামটি নিষিদ্ধ করে বাঙ্গালি হিসাবে অভিহিত করা হয়। ১৯৮৯ সালে রেঙ্গুনের নাম পরিবর্তন করে ইয়াঙ্গুন আর আরাকানের নাম হয়ে যায় রাখাইন । ১৯৪২Ñ১৯৯০ সাল পযৃন্ত মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নাম ছিল লুনথিন। ১৯৯০ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম হয় নাসাকা । ১৯৯১-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নাসাকা বাহিনী, অপারেশন পাইথারা চালিয়ে রোহিঙ্গাদের উপর হত্যা লুন্ঠন ধর্ষন চালায় । ২০১৩ সালে নাসাকা বাহিনী লুপ্ত হয়ে সীমান্ত বাহিনী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা হয় Broder guard Police। সাম্প্রতিক ২০১৬ সালে ৯ অক্টোবর বিজিপি এর তিনটি সীমান্ত চৌকিতে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুবৃত্তরা হামলা চালিয়ে ২৯ জন বিজিপি সদস্যকে হত্যা করে। ধারনা করা হয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাখাইনদের স্বাধীনতাকামী সংগঠন আরাকান আর্মি এই হামলা চালায় । কিন্তু সামরিক বাহিনী অভিযোগ করে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (RSO) এর হামলা চালিয়েছে । সামরিক বাহিনী এই অজুহাতে রাখাইন মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় ক্লিয়ারেন্স অপারেশন চালায়। ঘর বাড়িতে আগুন,হত্যা,লুন্ঠন,ধর্ষন চালায় ফলে রোহিঙ্গারা শরনার্থীর মত মানবেতর জীবন যাপন করছে এবং সীমান্তর্বতী দেশগুলোতে ( বিশেষত বাংলাদেশ ) অনুপ্রবেশ করছে।

(Arakan and Rohingya)

Rohingya is a community group of Myanmar. While the Rakhine state is the homeland of the Rohingyas, Myanmar was once a state, but this house was once a Muslim-independent Rohingya state. 1985 Burma occupied Rakhine State (formerly Arakan). During the independence of Myanmar in 1948, Arakan was an autonomous state. But in 1962 the military ruler started and Arakan’s autonomy was snatched. In 1974, the Rohingyas refused to accept the Rohingyas as a citizen of the Myanmar constitution, and military rule and Buddhist Maghara. In 1982, recognizing the citizenship of other minor ethnicities of the new citizenship law, even Rohingya did not recognize citizenship. Rather, the Rohingya name is banned as Bangali. In 1989, Rangoon was renamed Yangon and Arakan became Rakhine’s name. From 1942 to 1990, the name of the border security force of Myanmar was Lunthin. From 1990 to 2013, the name of the border force was named Nasaka. Until 1991-1994, the Nasaka force carried out rape by pledging of the Rohingyas by Operation Pithars. In 2013, the Nasaka army was abolished and it was established as a frontier force Brodwe guard Police. On October 9, 2009, at the Border Guard Bangladesh (BGB) three border patrols, unknown identities were attacked and killed 29 BGP members. It is believed that the Arakan Army, an independent organization of Buddhist Rakhains, organized this attack. But the armed forces attacked the Rohingya Solidarity Organization (RSO) The military carried out the clearance operation in Rakhine Muslim-dominated area on this pretext. In the house house fire, murder, plunder, rape, Rohingyas are leading a peaceful life like Sharnathir and infiltrating in the border states (especially Bangladesh).

৯৬৯ মুভমেন্ট

মায়ানমারে ২০০১ সাল থেকে এ সংগঠনটি কাজ করছে । এদের উদ্দেশ্য বৌদ্ধদেরকে স্থানীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলা, গণহত্যা ঘটানো ও মুসলমাদের তাড়িয়ে দেয়া । এ সংগঠনটির প্রধান ভিক্ষু আশ্বিন উইরাথু। উগ্র পন্থার দায়ে তাকে ২০০৩ সালে ২৫ বছরের কারাদন্ড দেয় হয়। কিন্তু তাকে ২০১০ সালে অন্যান্য রাজবন্দীদের সাথে মুক্তি দেয়া হয়।

অশিন উইরাথু

মায়ানমারের কট্টবপন্থী বৌদ্ধ ধর্মগুরু অশিন উইরাথু । ২০১৩ সারের জুন মাসে প্রকাশিত টাইম ম্যাগাজিন যার উপাধি দেয় ফেইস অব টেরর বা সন্তাসীর চেহারা । ২০০৩ সালে ধর্মীয় বিদ্ধেষ ছড়ানোর দায়ে তার ২৫ বছরের জেল হলেও ২০১০ সালে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি পেয়ে নিজেকে মিয়ানমারের ওসামা বিন লাদেন হিসাবে প্রচার করেন। ২০০১ সালে থেকেই মুসলিম বিদ্বেষী গোষ্ঠি ৯৬৯ মুভমেন্ট এর নেতৃত্ব দিয়ে মিয়ানমারের সাধারন মানুষকে রোহিঙ্গাদেও বিরুদ্ধে দাঁড় করানো চেষ্টায় লিপ্ত আছেন তিনি।

Ashin Wirathu

Myanmar’s extremist Buddhist astrologer Ashin Wirathu. The title of the magazine, titled “The Face of Terror” In 2003, he was sentenced to 25 years in jail for his involvement in religious disputes but was released in 2010. Released himself as the Osama bin Laden of Myanmar. Since 2001, under the leadership of the Muslim hostile group 969 Movement, he is trying to make the general people of Myanmar against Rohingya.

  • গডস আর্মি মিয়ানমারের
  • কারেন বিদ্রোহীরা রাখাইন রাজ্যের একটি জেলা শহর যা টেকনাফ সীমান্তে অবস্থিত
  • মিয়ানমার বর্তমান নবীনতম গনতান্ত্রিক দেশ।