সরকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা

 

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ

 

বিচার বিভাগের কাজ

১. সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান

২. দোষী ও অপরাধীর শাস্তি প্রদান

বিচার বিভাগের গঠন

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা সুপ্রিম কোর্ট ও অধনস্থ আদালত নিয়ে গঠিত।

সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

 সুপ্রীম কোর্ট

বাংলাদেশের আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ৭ জন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বেঞ্চের সংখ্যা ৩। বর্তমানে হাইকোর্টের বিচারপতির সংখ্যা ১০০ জন।

 অধস্তন আদালতসমূহ

অধস্তন ১১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে অধস্তন আদালতসমূহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের অধীনে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় অধস্তন বা নিম্ন আদালত আছে।

 জেলা জজের আদালত

জেলা আদালতের প্রধান বিচারক জেলা জজ। তিনি জেলার দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলার সর্বোচ্চ বিচারক। জেলা জজ যখন ফৌজদারী মামলার বিচার করেন তখন তাকে সেশন জজ বা দায়রা জজ বলে।

 অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জজ এবং সহকারী জজ আদালত

জেলা জজ আদালতের অধীনে প্রত্যেক জেলায় অতিরিক্ত জেলা জজ, যুগ্ম জজ এবং সহকারী জজ আদালত আছে। অতিরিক্ত জেলা জজ যখন ফৌজদারী মামলার বিচার করেন তখন তাকে অতিরিক্ত দায়রা জজ বলে। যুগ্ম জেলা জজ যখন ফৌজদারী মামলার বিচার করেন তখন তাকে সহকারী দায়রা জজ বলে। ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আছে।

গ্রাম আদালত আইন -২০০৬

বিচার বিভাগীয় কাঠামোর সর্বনিম্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে গ্রাম আদালত আছে। ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যানের এবং বিবাদমান দুইপক্ষের দুইজন করে মনোনীত সদস্য-মোট পাঁচজন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত। যে সব মামলা গ্রাম আদালতে বিচারের যোগ্য, তার বিচার অন্য আদালতে হয়না। দেওয়ানী ও ফৌজদারী দণ্ড সংক্রান্ত ছোট খাটো বিচারের নিষ্পত্তি গ্রাম আদালতে হয়।

প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন কোন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল করা হয়। বর্তমানে কয়েকটি জেলায় প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল আছে। ঢাকায় একটি প্রশাসনিক আপীল ট্রাইবুনাল আছে।

পারিবারিক আদালত

১৯৮৫ সালে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধ্যম পারিবারিক আদালত সৃষ্টি হয়। পারিবারিক আদালতের অধিক্ষেত্র:

১. বিবাহ বিচ্ছেদ

২. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার

৩. মোহরানা, ভরণ-পোষণ

৪. অভিভাবকত্ব ও শিশুদের তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত মামলা ইত্যাদি।

সুপ্রীম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ, ২১ জুন, ২০০৯ বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে রায় দেয়।

 

প্রধান বিচারপতিদের তালিকা

 

প্রধান বিচারপতিদের ক্রমিক বা তম প্রধান বিচারপতিদের নাম
১ম আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম (বাংলাদেশের প্রথম বিচারপতি)
২য় সৈয়দ এ বি. মাহমুদ হোসেন
৩য় কামালউদ্দিন হোসেন
৪র্থ ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম
৫ম বদরুল হায়দার চৌধুরী
৬ষ্ঠ শাহাবুদ্দিন আহমেদ
৭ম মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
৮ম এ.টি.এম. আফজাল
৯ম মোস্তফা কামাল
১০ম লতিফুর রহমান
১১ তম মাহমুদুল আমিন চৌধুরী
১২ তম মাইনুর রেজা চৌধুরী
১৩ তম কে.এম.হাসান
১৪ তম সৈয়দ জে.আর মোদাচ্ছির হোসেন
১৫ তম মোঃ রুহুল আমিন
১৬ তম এম এম রুহুল আমিন
১৭ তম মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম
১৮ তম মোহাম্মদ ফজলুল করীম
১৯ তম এ.বি.এম খায়রুল হক
২০ তম মোঃ মোজাম্মেল হোসেন
২১ তম সুরেন্দ্র কুমার সিনহা
২২ তম সৈয়দ মাহমুদ হোসেন -বর্তমান

 

বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ

১৯ নভেম্বর ১৯৯৫ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের জন্য মামলা করা হয়। মামলা করেন সাব জজ মোহাম্মদ মাজদার হোসেন ও ৪৪০ জন বিচারক। এই মামলার নাম মাজদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে যাত্রা শুরু করে ১ নভেম্বর, ২০০৭। বিচার বিভাগ পৃথক হয় ২১৮ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে। বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের ফলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে নিম্ন ফৌজদারী আদালতের দায়িত্ব নেয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। সুপ্রীম কোর্টের অধীনে স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠিত হয়। জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিম্ন আদালতে বিচারক নিয়োগের কার্যাবলী পরিচালিত হয়।

 

আইনের কয়েকটি ধারা ও কতিপয় শব্দ

৫৪ ধারা বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার
 

১৪৪ ধারা

মানুষের চলাচল, আচরণ েএবং কর্মকাণ্ডের উপর বিধিনিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ। যেমন- ৪ জনের বেশি একত্রে চলাচল নিষিদ্ধ, আগ্নেয়াস্ত্র বহন এবং এক জায়গায় একত্র হওয়া বা করা নিষিদ্ধ।
১৫৪ ধারা এই ধারায় এজাহার রেকর্ড করা হয়।
১৬৪ ধারা এই ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।
১৭৩ ধারা এই ধারায় চার্জশীট দাখিল করা হয়।
৪২০ ধারা পেনাল কোডের একটি ধারা যেখান প্রতারণার জন্য শাস্তির বিধান রাখা আছে।
FIR First Information Report। এটি একটি প্রাথমিক বিবরণী যা এজাহার নামে পরিচিত। পেনাল কোডের ১৫৪ ও ১৫৫ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধের বিষয়ে থানায় রিপোর্ট করাকে FIR বলে।
চার্জশীট

Charge Sheet

চার্জশীট একধরনের অভিযোগপত্র। থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন অপরাধীর অপরাধ তদন্ত করে যদি অপরাধ সংঘটনের আসামির সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রমাণ পান, তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা যে অভিযোগপত্র তৈরি করেন তাই চার্জশীট।
ওয়ারেন্ট

Warrant

ওয়ারেন্ট শব্দের অর্থ গ্রেপ্তারী পরোয়ানা। বিচারক কর্তৃক কাউকে  গ্রেপ্তার করার উদ্দেশ্যে পুলিশের প্রতি লিখিত আদেশনামাই হলো ওয়ারেন্ট।
PP Public Procecutor- যার মাধ্যমে সমস্ত ক্রিমিনাল মামলা কোর্টে যায়।
প্যারোল নির্বাহী আদেশে মুক্তি
Amicus Curiae আদালতের বন্ধু

 

 

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আইন

 

আইন পাসের সাল সংশোধিত সাল
দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালে
পুলিশ আইন ১৮৬১ সালে
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালে
চুক্তি আইন ১৮৭২ সালে
সাবালকত্ব আইন ১৮৭৫ সালে
অস্ত্র আইন ১৮৭৮ সালে
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ সালে
ট্রাস্ট আইন ১৮৮২ সালে
বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪ সালে
ফৌজধারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে
তামাদি আইন ১৯০৮ সালে
সরকারী গোপনীয়তা আইন ১৯২৩ সালে
সাকসেশন এক্ট (আইন) ১৯২৫ সালে
বাল্যবিবাহ আইন ১৯২৯ সালে ১৯৮৪ সালে
আরবিট্রেশন আইন ১৯৩৭ সালে
ট্রেডমার্কস আইন ১৯৪০ সালে
ভবঘুরে আইন ১৯৪৩ সালে
ট্রেজারি রুলস ১৯৪৪ সালে
আনসার আইন ১৯৪৮ সালে
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ সালে ১৯৮৬ সালে
সেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা নিবন্ধীকরণ ও নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৬১ সালে
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ সালে
বিবাহ ও তালক নিবন্ধীকরণ আইন ১৯৭৪ সালে ১৯৭৫ সালে
শিশু আইন ১৯৭৪ সালে
স্থানীয় শাসন অধ্যাদেশ ১৯৭৬ সালে
যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০ সালে ১৯৮৬ সালে
ন্যায়পাল আইন ১৯৮০ সালে
বিসিএস নিয়োগ বিধি ১৯৮১ সালে
ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ ১৯৮৪ সালে
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ সালে
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন ১৯৮৭ সালে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ সালে
প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন ১৯৯০ সালে
ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ সালে
কোম্পানি আইন ১৯৯৪ সালে
সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন (বিশেষ বিধান)আইন ১৯৯৪ সালে
নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ সালে
অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন আইন ২০০১ সালে
সালিস আইন ২০০১ সালে
আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) আইন ৯ এপ্রিল, ২০০২
দ্রুতবিচার ট্রাইবুনাল আইন ১ ডিসেম্বর, ২০০২
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রেগুলেশন ২০০৩ সালে
‘যৌথবাহিনীর দায়মুক্তির অধ্যাদেশ’ জারি করা হয় ৯ জানুয়ারি, ২০০৩
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২ ডিসেম্বর, ২০০৪ ২ জুন, ২০০৬
ধূমপান ও তামাকজাতপণ্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন ১৫ মার্চ, ২০০৫
ভূমি রেজিস্ট্রেশন আইন কার্যকর হয় ১ জুলাই, ২০০৫
কর ন্যায়পাল আইন ১০ জুলাই, ২০০৫
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৬
ভ্রাম্যমান আদালত অধ্যাদেশ ১ নভেম্বর, ২০০৭
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি আইন ১৯ আগস্ট, ২০০৮
তথ্য অধিকার আইন ২৯ মার্চ, ২০০৯
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ১ এপ্রিল, ২০০৯
গ্রাম সরকার (রহিতকরণ) বিল ৬ এপ্রিল, ২০০৯
জাতির পিতার পরিবার সদস্যগণের নিরাপত্তাবিল ১৩ অক্টোবর, ২০০৯

 

 

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো

 

বিভাগ

বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগ ৯ টি। যথা-ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও পদ্মা।
বাংলাদেশের প্রথম বিভাগ ঢাকা (১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত)
বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ পদ্মা

 

জেলা

বাংলাদেশে জেলার সংখ্যা ৬৪ টি
বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ৬৫ তম জেলা ভৈরব
বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা ১৯ টি
ঢাকা বিভাগের জেলার সংখ্যা ৮ টি। যথা- ঢাকা, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ।
ময়মনসিংহ বিভাগের জেলার সংখ্যা ৪ টি। যথা- ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোণা, শেরপুর
চট্টগ্রাম বিভাগের জেলার সংখ্যা ১১টি। যথা- চট্টগ্রাম, রঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
রাজশাহী বিভাগের জেলার সংখ্যা ৮ টি। যথা- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, বগুড়া ও জয়পুরহাট
রংপুর বিভাগের জেলার সংখ্যা ৮ টি। যথা- রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারি, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় এবং ঠাকুরগাঁও
খুলনা বিভাগের জেলার সংখ্যা ১০টি। যথা- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, মাগুড়া, ঝিনাইদহ, নড়াইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা।
সিলেট বিভাগের জেলার সংখ্যা ৪ টি। যথা- সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও বান্দরবান
বরিশাল বিভাগের জেলার সংখ্যা ৬ টি। যথা- বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ভোলা
পদ্মা বিভাগের জেলার সংখ্যা ৫ টি। যথা-ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও শরীয়তপুর।
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের জেলা বান্দরবান
বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার

 

উপজেলা

বাংলাদেশের উপজেলার সংখ্যা ৪৯২ টি
বাংলাদেশের সর্বশেষ উপজেলা হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের উপজেলা থানচি (বান্দরবান)
বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেতুলিয়া (পঞ্চগড়)
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ (কক্সবাজার)
বাংলাদেশের উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর থেকে কার্যকরী অধ্যাদেশ বলে প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে উন্নীত থানা পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়।
জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিল পাস হয় ২৬ জানুয়ারি, ১৯৯২
জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা পরিষদ (রহিতকরণ) আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন বিল’ পাস হয় ৬ এপ্রিল, ২০০৯

 

থানা

 

বাংলাদেশে বর্তমানে থানার সংখ্যা ৬৫০ টি
বাংলাদেশের সর্বশেষ থানা হাতিরঝিল, ঢাকা
বাংলাদেশে বর্তমানে নৌথানা ১০ টি
বাংলাদেশে বর্তমানে রেলওয়ে থানা ২৪ টি
বাংলাদেশের সর্ব উত্তর-পূর্ব কোণের থানা জকিগঞ্জ, সিলেট
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের থানা শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
বাংলাদেশের সর্ব উত্তর-পশ্চিম কোণের থানা তেতুলিয়া, পঞ্চগড়
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণের থানা টেকনাফ, কক্সবাজার
ঢাকা মহানগরীর বর্তমান থানার সংখ্যা ৫০টি

 

পৌরসভা

বাংলাদেশে বর্তমানে পৌরসভার সংখ্যা ৩৩০ টি
সর্বশেষ পৌরসভা বিশ্বনাথপুর, সিলেট
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৪ সালে
ঢাকা পৌরসভা ‘পৌর কর্পোরেশনে’ রূপান্তরিত হয় ১৯৭৮
ঢাকা পৌর কর্পোরেশন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত হয় ১৯৯০

 

ইউনিয়ন

 

 

 

বাংলাদেশে বর্তমানে ইউনিয়ন সংখ্যা

৪৫৩৬ টি(সূত্র: বাংলাদেশ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি-নিকার)
৪৫৫০ টি (জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৪৫৫২টি (৫ম আদমশুমারি)
৪৫৭১ টি (বাংলাদেশ পকেট পরিসংখ্যান)

 

গ্রাম

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামের সংখ্যা ৮৭,১৯১ টি

 

সিটি কর্পোরেশন

বাংলাদেশে বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনরে

সংখ্যা

১৩ টি। যথা-ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিন, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর।
The First Master Plan for Dhaka city was prepared in ১৯৫৯ সালে
বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন

 

ফরিদপুর
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিন দুইভাগে ভাগ করা হয় ২৯ নভেম্বর, ২০১১
সিটি এককে ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক একক ওয়ার্ড
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৩৬টি
ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৬টি
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৪১টি

 

বিবিধ

পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা ৩টি। যথা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান

 

বৃহত্তম-ক্ষুদ্রতম

নাম আয়তনে জনসংখ্যায়
বৃহত্তম ক্ষুদ্রতম বৃহত্তম ক্ষুদ্রতম
বিভাগ চট্টগ্রাম সিলেট ঢাকা বরিশাল
জেলা রাঙামাটি নারায়নগঞ্জ ঢাকা বান্দরবান
উপজেলা শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) বন্দর (নারায়নগঞ্জ) গাজীপুর সদর থানচি (বান্দরবান)
থানা শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) ওয়ারী (ঢাকা) গাজীপুর সদর বিমানবন্দর (ঢাকা)
সিটি কর্পোরেশন গাজীপুর সিলেট কুমিল্লা
পৌরসভা বগুড়া সদর ভেদরগঞ্জ

(শরীয়তপুর)

বগুড়া সদর
ইউনিয়ন সাজেক (বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি) হাজীপুর (দৌলতখানা, ভোলা) থামসানি (সাভার, ঢাকা) হাজীপুর (দৌলতখানা, ভোলা)

 

  • প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এরশাদ সরকার ১৯৮৪ সালে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি নামে তিনটি পার্বত্য জেলায় বিভক্ত করার পরও রাঙামাটি জেলার আয়তন সবচেয়ে বেশি।

 

অবস্থান স্থান উপজেলা জেলা
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখানইঠং থানচি বান্দরবান
বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের উপজেলা মনকশা শিবগঞ্জ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা বাংলাবান্ধা/জায়গীরজোত তেতুলিয়া পঞ্চগড়
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা ছেঁড়াদ্বীপ/সেন্টমার্টিন টেকনাফ কক্সবাজার

 

শহরের পরিচিতি

সিলেট সাইবার সিটি
ঢাকা ক্লিন সিটি
চট্টগ্রাম হেলদি সিটি
বরিশাল ইডিয়োপলিশ (সৃজনশীল আদর্শ শহর)
রাজশাহী সিল্ক সিট বা গ্রিন সিটি

 

বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা

বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার ধরন সংসদীয়
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদার অধিকারী রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের বর্তমান সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রণালয়ের এডমিনিস্ট্রেটিভ প্রধান সেক্রেটারী
স্থানীয় সরকার কোন দেশের বিভিন্ন এলাকাকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলাকাতে কর আরোপসহ সীমিত ক্ষমতা দান করে যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়।
বাংলাদেশে বর্তমানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাচালু আছে ৩ স্তর বিশিষ্ট।

ক) জেলা পরিষদ

খ) উপজেলা পরিষদ

গ) ইউনিয়ন পরিষদ (পল্লী এলাকাতে) বা পৌরসভা (শহরাঞ্চলে) বা সিটি কর্পোরেশন

স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ স্তর জেলা পরিষদ
শহরাঞ্চলে নিম্নতম স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান পৌরসভা
পল্লী অঞ্চলে নিম্নতম স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদ
জেলা পরিষদ বা উপজেলা পরিষদ বা ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল ৫ বছর
জেলা পরিষদ (৬১টি জেলা) একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের ৫ জন মহিলা সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত।
পার্বত্য জেলা পরিষদ (৩টি জেলা) একজন চেয়ারম্যান ও ৩৩ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৮৫ সালে
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় একজন চেয়ারম্যান, ৯টি ওয়ার্ডে ৯ জন সাধারণ সদস্য, সংরক্ষিত আসনে ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য মোট ১৩ জন সদস্য।
ইউনিয়ন পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিধান করা হয় ১৯৯৭ সালে
পৌরসভার চেয়ারম্যানের বর্তমান পদবি মেয়র
পৌরসভার কমিশনারের বর্তমান পদবি কাউন্সিলর

 

একাদশ জাতীয় সংসদ

সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ডেপুটি স্পিকার ড. ফজলে রাব্বী মিয়া
সরকার দলীয় চীফ হুইফ নূর-ই-আলম চৌধুরী বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ
প্রথম অধীবেশন বসে ৩০ জানুয়ারি, ২০১৯ বিরোধী দলীয় চীফ হুইফ মশিউর রহমান রাঙা

 

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন

সংসদ নির্বাচন সময়কাল Note
প্রথম ৭ মার্চ, ১৯৭৩ বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচন
দ্বিতীয় ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ বহুদলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
তৃতীয় ৭ মে, ১৯৮৬
চতুর্থ ৩ মার্চ, ১৯৮৮
পঞ্চম ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ষষ্ঠ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬
সপ্তম ১২ জুন, ১৯৯৬ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অষ্টম ১ অক্টোবর, ২০০১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন
নবম ২৯ ডিসেম্বর, ২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
দশম ৫ জানুয়ারি, ২০১৪
একাদশ ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮

 

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সর্বমোট আসন ৩৫০টি
জাতীয় সংসদের নির্বাচিত আসন

 

৩০০টি
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন

 

৫০টি
সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন ঢাকা জেলায়-২০ টি আসন
সবচেয়ে কম সংসদীয় আসন রাঙ্গামাটি-১টি, বান্দরবান-১টি ও খাগড়াছড়ি-১টি।
সর্বাধিক ভোটার জাতীয় সংসদের ১৯২ তম আসন (ঢাকা-১৯ আসন)
সর্বনিম্ন ভোটার জাতীয় সংসদের ১২৫ তম আসন (ঝালকাঠি-১)
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সংসদীয় আসন ১৫ টি। (ঢাকা দক্ষিণ-৮ এবং ঢাকা উত্তর -৭টি)
জাতীয় সংসদের ১নং আসন পঞ্চগড় জেলায়
জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন বান্দরবান জেলা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয় সপ্তম জাতীয় সংসদে

 

  • ১৯৭২ সালে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন ছিল ১৫টি। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৩০ টি, চর্তুদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৪৫ টি এবং ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৫০ টিতে উন্নতি করা হয়। বর্তমানে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন ৫০ টি।

 

  • গণঅভূত্থানে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী সরকার লে. জেনারেল হুসাইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান।

 

  • সাংবিধানিকভাবে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়৩০ মার্চ, ১৯৯৬। সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

 

  • ১১/১/২০০৭ এ সামরিক সমর্থপুষ্ট ড. ফকরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নীরব সামরিক অভূত্থানের মাধ্যমে ক্শমতা দখল করে-যা ‘ওয়ান ইলেভেন’ নামে পরিচিত। আর ‘নাইন ইলেভেন’ বলতে ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী বিমান হামলার ঘটনাকে বুঝায়।

 

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা কার্যকাল
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ০৬/১২/৯০-০৯/১০/৯১
বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ৩০/০৩/৯৬-২৩/০৬/৯৬
বিচারপতি লতিফুর রহমান ১৫/০৭/০৬-১০/১০/০১
ড. ইয়াজউদ্দিন আহমদ ২৯/২০/০৬-১১/০১/০৭
ড. ফকরুদ্দিন আহমদ ১১/০১/০৭-০৬/০১/০৯

 

বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রথম নির্বাচন

প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩
প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ৮ এপ্রিল, ১৯৭৩
জনগণের প্রত্যক্ষ/সরাসরি ভোটে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ৩ জুন, ১৯৭৮
প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ৩০ জানুয়ারী, ১৯৯৬
প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ১৬-২০ মে, ১৯৮৫
প্রথম পৌরসভা নির্বাচন ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ১১-৩০ ডিসেম্বর, ১৯৭৩

 

বাংলাদেশের গণভোট

গণভোট তারিখ প্রকৃতি লক্ষ্য
প্রথম ৩০মে, ১৯৭৭ প্রশাসনিক প্রেসিডেন্ট জিয়ার নিজ শাসন বৈধকরণ
দ্বিতীয় ১মার্চ, ১৯৮৫ প্রশাসনিক জেনারেল এরশাদের সমর্থন যাচাই
তৃতীয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ সাংবিধানিক সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর আইন প্রস্তাব

 

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিদের তালিকা

তম রাষ্ট্রপতিদের নাম
শেখ মুজিবুর রহমান (১৭.০৪.৭১-১২.০১.৭২)
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত) (১৭.০৪.৭১-০৯.০১.৭২)
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী (১২.০১.৭২-২৪.১২.৭৩)
মোহাম্মদ উল্লাহ (২৪.১২.৭৩-২৫.০১.৭৫)
শেখ মুজিবুর রহমান (২৫.০১.৭৫- ১৫.০৮.৭৫)
খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ (১৬.০৮.৭৫-০৬.১১.৭৫)
বিচারপতি এ এস এম সায়েম (০৬.১১.৭৫-২১.০৪.৭৭)
লে.জে. জিয়াউর রহমান (২১.০৪.৭৭-৩০.০৫.৮১)
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার (অস্থায়ী) (৩০.০৫.৮১-১৯.১১.৮১)
১০ বিচারপতি আব্দুস সাত্তার (২০.১১.৮১-২৩.০৩.৮২)
১১ বিচারপতি এ এস মে আহসান উদ্দিন চৌধুরী (২৪.০৩.৮২-১০.১২.৮৩)
১২ লে.জে. হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ (১০.১২.৮৩-০৬.১২.৯০)
১৩ বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ (০৬.১২.৯০-০৯.১০.৯১)
১৪ আব্দুর রহমান বিশ্বাস (০৯.১০.৯১-০৯.১০.৯৬)
১৫ বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ (০৯.১০.৯৬-১৪.১১.০১)
১৬ এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (১৪.১১.০১-২১.০৬.০২)
১৭ ব্যরিষ্টার জমিরউদ্দিন সরকার (অস্থায়ী) (২১.০৬.০২-০৬.০৯.০২)
১৮ অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ (০৬.০৯.০২-১২.০২.০৯)
১৯ মোঃ জিল্লুর রহমান (১২.০২.০৯-২০.০৩.১৩)
২০ মোঃ আবদুল হামিদ এডভোকেট (২০.০৩.১৩-বর্তমান)

 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীদের তালিকা

তম প্রধানমন্ত্রীদের নাম
তাজউদ্দিন আহমদ (১৭.০৪.৭১-১২.১০.৭২)
শেখ মুজিবুর রহমান (১২.১০.৭২-২৫.০১.৭৫)
এম মনসুর আলী (২৫.০১.৭৫-১৫.০৮.৭৫)
শাহ আজিজুর রহমান (১৫.০৪.৭৯-২৪.০৩.৮২)
আতাউর রহমান খান (৩০.০৩.৮৪-১৫.০১.৮৫)
মিজানুর রহমান চৌধুরী (০৯.০৭.৮৬-২৭.০৩.৮৮)
ব্যরিষ্টার মওদুদ আহমেদ (২৮.০৩.৯১-১২.০৮.৮৯)
কাজী জাফর আহমেদ (১২.০৮.৮৯-০৬.১২.৮৯)
বেগম খালেদা জিয়া (২০.০৩.৯১-১৪.০২.৯৬)
১০ বেগম খালেদা জিয়া (১৭.০২.৯৬-২০.০৩.৯৬)
১১ শেখ হাসিনা (২৩.০৬.৯৬-১৫.০৭.০১)
১২ বেগম খালেদা জিয়া (১০.১০.০১-২৯.১০.০৬)
১৩ শেখ হাসিনা (০৬.০১.০৯- ১২.০১.১৪)
১৪ শেখ হাসিনা (১২.০১.১৪- ০৭.০১.১৯)
১৫ শেখ হাসিনা (০৭.০১.১৯-বর্তমান)

 

বাংলাদেশের স্পীকারগণ

গণপরিষদের প্রথম স্পীকার শাহ আব্দুল হামিদ
জাতীয় সংসদের প্রথম স্পীকার মোহাম্মদ উল্লাহ
জাতীয় সংসদের স্পীকার পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহাম্মদ উল্লাহ
জাতীয় সংসদের স্পীকারের দায়িত্ব পালনকালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন আব্দুর রহমান বিশ্বাস
জাতীয় সংসদের স্পীকারের দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যুবরণ করেন হুমায়ন রশীদ চৌধুরী
জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পীকার নির্বাচিত হন ড. শিরীন শারমিন