সিরিয়া

সিরিয়া ( Syria)

রাষ্ট্রীয় নামঃ প্রজাতন্ত্রী সিরিয়া।

State Name: Republican Syria

সরকার পদ্ধতিঃ রাষ্ট্রপতি শাসিত।

Government system: governed by the President.

আয়তনঃ ১,৮৫,১৮০ কিঃ মিঃ (আয়তন – ৮৮ তম) 

Size: 1,85,180km (volume – 88th)

ভাষাঃ আরবি।

Independence: 1946

স্বাধীনতাঃ ১৯৪৬

Language: Arabic

রাজধানীঃ দামেস্ক।

Capital: Damascus

মুদ্রাঃ পাউন্ড।

Currency: Pound

পরিচিতি

সিরিয়া ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত একটি সুন্নি প্রধান দেশ হলেও এর ক্ষমতায় আছে শিয়াপন্থী বাশার আল আসাদ।একানে ১৯৬৩ সালে শিয়া পন্থী বার্থ পার্টি ক্ষমতায় আছে। সিরিয়া ১৯৫৮ সালে মিশরের সাথে মিলে সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র গড়ে তোলে কিন্তু পরে আবার আলাদা হয়ে যায়।বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ ১০ জুন ২০০০ সালে ক্ষমতায় বসেন। 

Although Syria is a Sunni main country in the Mediterranean, it has power in Shi’plant Bashar al-Assad. In 1963, the Shiite-based Barthha Party is in power. Syria formed the United Arab Republic together with Egypt in 1958 but later became separated. The current President Bashar al-Assad took office in June 2000.

সিরিয়া সংকট

২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট আসাদের বিপক্ষে শুরু হওয়া আন্দোলন থেকে পরে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ এখন নানা পক্ষের জড়িত হওয়ায় জটিল এক সমীকরনে দাঁড়িয়েছে। ৬ বছর ধরে চলা এ যুদ্ধে ৬ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ১০ লাখের বেশি। নিহতের এক তৃতীয়াংশই বেসমারিক নাগরিক। শরনার্থী বা ‘রিফিউজি’ এর সংখ্যা ৬০ লাখেরও বেশি।

২০১১ সাল। গণতন্ত্রের দাবীতে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ বিক্ষোভে উত্তাল যা আরব বসন্ত নামে পরিচিত। এরই সুত্র ধরে ২০১১ এর মার্চে সিরিয়ার একনায়ক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পদত্যাগ ও দেশে একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবীতে সিরিয়ার বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করে। রাজধানী দামেস্ক সহ বড় শহরগুলোয় বিরোধী দল ও সাধারণ জনতার বড় অংশ রাস্তায় নেমে আসে। বিক্ষোভকারীদের দমন করতে প্রেসিডেন্ট আসাদ সেনাবাহিনী নামিয়ে দেয়। সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষে নিহত হতে থাকে বিক্ষোভকারীদের অনেকে। দিনে দিনে নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকলো। হত্যা, নির্যাতনের অভিযোগে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সিরিয়ার উপরে।

৩ মাসে হাজার ছাড়িয়ে গেল নিহতের সংখ্যা। তবুও রাস্তা ছাড়লো না বিক্ষোভকারীরা। সেনাবাহিনীর অনেকে বাহিনী ছেড়ে চলে আসে। আসাদ বিরোধী বিরোধীদল ও সুন্নি সমর্থকদের সাথে এক হয়ে তারা ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মি’ নামে নতুন সামরিক বাহিনী। আল নুসরা , আল কায়েদার মত জঙ্গী গোষ্ঠীও যোগ দেয় এই বিরোধী বাহিনীতে। বাড়তে থাকে যুদ্ধের ব্যাপ্তি। আসাদের বাহিনী ও বিদ্রোহী বাহিনীর মাঝে চলতে থাকে তুমুল লড়াই।

আসাদকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসে রাশিয়া ও ইরান। লেবাননের গেরিলা গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও আসাদের পক্ষে লড়তে এগিয়ে আসে।

আর বিদ্রোহীদের অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সহায়তা দিতে থাকে আমেরিকা, ইসরাইল,  ইংল্যান্ড, ফ্রান্স , সৌদি আরব।

এদিকে যুদ্ধে ৩য় পক্ষ হিসেবে যোগ দেয় আইএস। ইরাকের বিশাল এলাকা দখল করার পর আইএস সিরিয়া দখল করতে অগ্রসর হয়। আইএস এর প্রবেশ পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। আইএস চায় আসাদকে সরাতে, এদিকে আমেরিকাও চায় আসাদকে সরাতে কিন্তু আবার চায় আইএসকে নির্মূল করতে। যুদ্ধে আইএস এর জড়িত হওয়ার ফলেই আমেরিকা আইএস দমনের কথা বলে যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে।

২০১২ এর নভেম্বরে আমেরিকা, ইসরাইল, সৌদি আরব ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ  বিদ্রোহী নেতাদের নিয়ে ‘জাতীয় পরিষদ’ নামে কাউন্সিল গঠন করে এবং সিরিয়ার প্রশাসক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু আল কায়েদা ও আল নুসরা জঙ্গি গোষ্ঠির নেতাদের পরিষদে রাখা হয় না।

রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারের অভিযোগ এনে ও আইএস দমনের কথা বলে কয়েকটি বিমান হামলা করে যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে আমেরিকা।

এদিকে আরেকটি পক্ষ হিসেবে ময়দানে নামে তারা হলো কুর্দিরা। এই যুদ্ধের ডামাডোলে কুর্দিরাও তৎপর হয়েছে তাদের জন্য স্বাধীন আবাসভূমির স্বপ্নে। আমেরিকা এগিয়ে এসেছে কুর্দিদের সহায়তায়। ফলে ন্যাটাভুক্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও কুর্দিদের বিপক্ষে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে তুরস্ক। কারন কুর্দিদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র হতে দিতে রাজি নয় তুরস্ক।

বিভিন্ন পক্ষের অংশগ্রহনে বর্তমানে সিরিয়াতে পরিস্থিতি এখন জটিল আকার ধারন করেছে।

Syria crisis

The civil war that started after the protests started against President Assad in 2011 is now being formed in a complicated collaboration with many parties involved. More than 600,000 people have died in this war, and more than 10 lakh wounded. One-third of the victims are civilians. The number of refugees or refugees is more than 60 million.

2011 year In the demand of democracy, some countries in the Middle East have been angry with the protests which are known as the Arab Spring. As a matter of fact, the Syrian opposition activists began a demonstration in March 2011 demanding the resignation of Syrian dictator President Bashar al-Assad and the democratization of the country’s democracy. Large portions of opposition parties and general public in the major cities including the capital Damascus came down the street. President Assad dropped the army to suppress the demonstrators. Many protesters were killed in clashes with the army The number of deaths continued to increase day by day. The United States and Europe have imposed sanctions on Syria, on charges of murder and torture.

The number of deaths was more than three thousand in three months. Yet the protesters did not leave the road Many army soldiers left the army. Together with the supporters of the anti-Assad and Sunni supporters, they form a new military called ‘Free Syrian Army’. Al-Nusra and al-Qaeda also join militant groups in the opposition forces. The extent of the war increased. The fighting between Assad’s forces and rebel forces continued.

Russia and Iran came forward to support Assad Lebanese guerrilla group Hezbollah also came forward to fight against Asad.

And America, Israel, England, France, Saudi Arabia, to help rebels with arms and money.

Meanwhile, the IS added as the third party in the war. After occupying Iraq’s vast territory, IS proceeded to capture Syria. The accessibility of IS becomes complicated by the situation. The IS wants to remove Asad, while America wants to remove Assad but again wants to eradicate the IS. Because of the involvement of IS in the war, the United States is directly involved in the fight by suppressing it.

In November 2012, some countries in America, Israel, Saudi Arabia and Europe formed the Council called ‘National Council’ with rebel leaders and recognized as the Syrian administrator. But Al Qaeda and Al Nusra militant leaders are not held in the council.

By allegations of using chemical weapons and speaking about the repression of the ISI, some air strikes and directly participated in the war by the United States.

Meanwhile, the Kurds as the other side in the grounds of the Kurdish. The Kurds have also been active in this war for their dream of independent homeland. America has come forward with help of Kurds. As a result, Turkey is operating a military operation against the Kurds despite the country. Because Turkey does not want to be a separate state for Turkey.

In Syria, the situation is now complex in Syria.

  • দামেস্ক হলো পৃথিবীর প্রাচীনতম শহর।
  • ‘সভ্যতার সূতিগার ‘ হিসেবে পরিচিত সিরিয়ার জাতীয় প্রতীক ঈগল আর সংবাদ সংস্থা হলো সানা।
  • মরুভূমির মুক্তা নামে খ্যাত পালমিরা সিরিয়ার একটি প্রাচীন শহর যা ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিয্য।এখানে রোমান সভ্যতার নির্দশন ‘বেল মন্দির’ রয়েছে।
  • গোলান মালভূমি নিয়ে ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে বিরোধ রয়েছে।