সৈয়দ শামসুল হক

সৈয়দ শামসুল হক

সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর কুড়িগ্রাম জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।তিনি ১৯৬৬ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার, ১৯৬৯ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে আলাওল পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে একুশে পদক পান।২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় মারা যান।

বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে তিনি সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত। এক সাহিত্যিক যিনি সাহিত্য ও শিল্পের সকল অঙ্গনে সমান দক্ষতা দেখাতে পারেন, তাকে সব্যসাচী লেখক বলে। বাংলা সাহিত্যে সব্যসাচী লেখক বলতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বুঝায়। আধুনিক যুগে বুদ্ধ দেবকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। সৈয়দ শামসুল হক এদের বিচারে সব্যসাচী লেখক নন।তাঁর জীবনের প্রথম গ্রন্থগুলো তাঁর সহদোরের লক্ষীবাজারস্থ ‘সব্যসাচী প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশ পায়। এর থেকে তার এই নামকরণ হয়।

সাহিত্য

কাব্য:  পরানের গহীন ভিতর, কাননে কাননে তোমারই সন্ধানে, একদা এক রাজ্যে, বৈশাখে রচিত পক্তিমালা, বেজান শহরের জন্য কোরাস, আমি জন্মগ্রহণ করিনি।

 

উপন্যাস: নিষিদ্ধ লোবান, নীলদংশন, সীমানা ছাড়িয়ে, খেলারাম খেলে যা, এক মহিলার ছবি, স্তব্ধতার অনুবাদ, বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ, এক মুঠো জন্মভূমি, আলোর জন্য, আলোর জন্য রাজার সুন্দরী, তুমি সেই তরবারী।

নিষিদ্ধ লোবান- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।(গেরিলা নামে চলচ্চিত্র রূপায়িত হয়েছে।)

নীলদংশন- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

প্রবন্ধ: হৎকলমের টানে।

গল্প: আনন্দের মৃত্যু, তাস, শীত বিকেল, প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান, জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

নাটক:

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (কাব্যনাট্য): মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ নাটকে মুক্তিবাহিনীর গ্রামে প্রবেশের সময়কার ঘটনা এখানে স্থান পেয়েছেন।

নুরুলদীনের সারাজীবন – কাব্যনাট্য

তাঁর অন্য নাটকগুলো হলো- গণনায়ক, ঈর্ষা।

পক্তি: ‘জাগো বাহে কুন্ঠে সবাই’ এই অবিস্মরণীয় আহ্বান উচ্চারণ করে ‘নুরুলদীনের সারাজীবন’ নাটকের কদম আলী চরিত্র।