হুমায়ন আহমেদ

হুমায়ন আহমেদ

 

হুমায়ন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোন জেলার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর মাতার নাম আয়শা বেগম এবং পিতার নাম ফয়জুর রহমান।তিনি মূলত কথা সাহিত্যিক।তিনি ছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক ঔপন্যাসিকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 

হুমায়ন আহমদ পলিমার কেমিস্ট্রির উপর পিএইস.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন।ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৌতরসায়নের প্রভাষক পদে কর্মজীবন শুরু করেন।পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে যোগ দেন।

 

উপন্যাস

তাঁর বিখ্যাত উপন্যাগুলো – নন্দিত নরকে(১৯৭২), আগুনের পরশমণি, শঙ্খনীল কারাগার, জোছনা ও জননীর গল্প, কে কথা কয়হিমু, বহুব্রীহি, দূরে কোথায়, কোথাও কেউ নেই(চরিত্র: বাকের ভাই), এইসব দিনরাত্রি, রজনী, অয়োমন, দারুচিনি দ্বীপ, আজ রবিবার, অপরাহ্ণ, কৃষ্ণপক্ষ, মিসির আলী, দীঘির জলে কার ছায়া গো, তেঁতুল বনে জোৎস্না, কে কথা কয় (চরিত্র: মতিন ও কমল), দেয়াল (রাজনৈতিক উপন্যাস), আনন্দ বেদনার কাব্য, সূর্যের দিন, শ্যামল ছায়া।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস:

আগুনের পরশমণি: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বাস্তব খন্ডচিত্র।এতে ঢাকায় গেরিলা অপারেশনের দুঃসাহসিক বর্ণনা, স্বাধীনতা সমর্থনকারী ও বিরোধিতাকারী কিছু চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

তাঁর অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাসগুলো – জোসনা ও জননীর গল্প, সূর্যের দিন, শ্যামল ছায়া।

গ্রন্থসমূহ

 

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ- নীল অপরাজিতা, প্রিয়তমেষু, জয়জয়ন্তী, দূরে কোথাও, এইসব দিন রাত্রি, ময়ূরাক্ষী, মহাপুরুষ, নিশিকাব্য, সম্রাট, দুই দুয়ারী।

 

গল্প

তার উল্লেখ্যযোগ্য গল্প –এলেবেলে (রম্যগল্প), আনন্দবেদনার কাব্য।

 

চলচ্চিত্র

 

তাঁর চলচ্চিত্র গুলো হল- শ্রাবণ মেঘের দিন, আমার আছে জল, দুই দুয়ারী, নয় নম্বর বিপদ সংকেত, শ্যামছায়া, আগুনের পরশমণি (এটি আটটি শাখায় পরস্কার লাভ করে), ঘেটপুত্র কমলা (সর্বশেষ চলচ্চিত্র)।

 

উক্তি: ‘‘রোগকে ঘৃণা করা যায়, রোগীকে নয়”।

 

পুরস্কার: লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩), মাইকেল মধুসূদন পদক (১৯৮৭), একুশে পদক (১৯৯৪), শেলটেক পুরস্কার (২০০৭)।

 

হুমায়ন আহমেদের উপন্যাস –‘অয়োময়’, ‘বুহব্রীহি’, ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘নক্ষতের রাত’, আজ রবিবার’ বিটিভি –তে নাটক হিসেবে অভিনীত হয়।

 

** লজিক ও এন্টি লজিকের তাঁর দুটি বিখ্যাত চরিত্র ‘মিসির আলী’ ও ‘হিমু’।