ভূপ্রকৃতি

 

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

১. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ ?বাংলাদেশ।
২. বাংলাদেশকে বৃহত্তম ব-দ্বীপ বলার কারণ?দুটি হিমালয়ী নদী (গঙ্গ(পদ্মা) ও ব্রহ্মপুত্র (যমুনা) সম্মিলিত স্রোতধারায় বিশ্বের যেকোন নদী -ব্যবস্থার তুলনায় বঙ্গোপসারে সবচেযে বেশি অবক্ষেপ এনে ফেলেছে । এই দুই অপর হিমালয়ী নদী মেঘনায়র সহযোগে যে ব-দ্বীপ সৃষ্টি করেছে, সেটি গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা ব-দ্বীপ বা বঙ্গীয় ব-দ্বীপ নামে পরিচিত।আর এটিই বিশ্বের বৃহত ব-দ্বীপ।বাংলাদেশে অবস্থিত ব-দ্বীপের আয়তন ৮০, ০০০ বর্গ. কি.মি । অন্য দিকে ভিয়েতনামের মেকং ব-দ্বীপের আয়তন ৩৯,০০ ০বর্গ. কি.মি।
৩. ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে প্রধানত ভাগ করা যায়? ৩ ভাগে
✓টারশিয়ারী যুগের পাহাড় সমূহ
✓প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ
✓প্লাবন সমভূমি অঞ্চল
৪. বাংলাদেশের প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নস্থল পাওয়া যায় কোন ভূমিরূপে? টারশিয়ারি উচ্চভূমি ও প্লাইস্টোসিন টেরেস
৫. ভূতাত্ত্বিক ভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ গঠিত হয়? টারশিয়ারি যুগে।
৬. বাংলাদেশের পাহাড় শ্রেণীর ভূতাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ হচ্ছে? টারশিয়ারী যুগের।
৭. অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড় কে কয় ভাগে ভাগ করা হয়? ২ ভাগে
✓দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ(রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষ)।
✓উত্তর ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ(ময়মনসিংহ, ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাঞ্চল, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন পাহাড়সমূহ নিয়ে অঞ্চল গঠিত)।
৮. বাংলাদেশের পাহাড়ি এলাকার গড় উচ্চতা কত ফুট? ২০০০
৯. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ কে ভাগ করা যায়?৩ ভাগে।
✓বরেন্দ্রভূমি (উত্তরবঙ্গের পদ্মা ও যমুনার দোয়াব অঞ্চলের মধ্যভাগে নওগাঁ, রাজশাহী ,বগুড়া , জয়পুরহাট, গাইবান্ধা ,রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত)
✓মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ হতে দক্ষিনে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত অঞ্চল বিস্তৃত।টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চল মধুপুর এবং গাজীপুরের অঞ্চলের ভাওয়ালের গড় নামে পরিচিত।
লালমাই পাহাড় (লালমাই পাহাড় কুমিল্লা শহরের ৮ কিলোমিটার (৫ মাইল)পশ্চিমে অবস্থিত)।
১০. বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পর্বত শৃঙ্গের নাম কি? তাজিংডং।
১১. তাজিংডং মারমা শব্দ এবং এর অর্থ গভীর অরণ্যেও পাহাড়।
১২. তাজিংডং বিজয় নামে ও পরিচিত।
১৩. তাজিংডং পর্বত কোন জেলায়? বান্দরবান।
১৪. কেওকারাডাং পাহাড় কোথায় অবস্থিত? বান্দরবান।
১৫. বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় চূড়ার নাম কি? গারো (গারো পাহাড় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো-খাসিয়া পর্বতমালার একটি অংশ। এর কিছু অংশ ভারতের অসম রাজ্য ও বাংলাদেশের শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলায় অবস্থিত এটা বাংলাদেশের সব থেকে বড় পাহাড়।এছাড়া ময়মনসিংহ ও সুনামগঞ্জ জেলায় এর কিছু অংশ আছে। গারো পাহাড় এর বিস্তৃতি প্রায় ৮০০০ বর্গ কিলোমিটার)
১৬. চন্দ্রনাথ পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত? সীতাকুণ্ডে (এ পাহাড়ে হিন্দুদের তীর্থস্থান “চন্দ্রনাথ মন্দির” ও সীতাকুন্ড ইকো পার্ক অবস্থিত)
১৭. লালমাই পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত? কুমিল্লা (আয়তন ৩৪ বর্গ কিলোমিটার। উচ্চতা ২১ মিটার)
১৮. চিম্বুক পাহাড় কোথায় অবস্থিত? বান্দরবান (এ পাহাড় কে বাংলাদেশ দার্জিলিং, পাহাড়ের রানী বলা হয়)
১৯. নীলগিরি পাহাড় কোথায় অবস্থিত? বান্দরবান।
২০. জৈয়ন্তিকা পাহাড় কোথায় অবস্থিত? সিলেটে।
২১. আলুটিলা পাহাড় কোথায় অবস্থিত? খাগড়াছড়ি।
২২. বাংলাদেশের কোন পাহাড় কে পাহাড়ের রানী বলা হয়? চিম্বুক পাহাড়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *