সূরা বাকারর শেষ তিন আয়াত

সূরা আল বাকারর শেষ তিন আয়াত لِلّٰہِ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ وَ اِنۡ تُبۡدُوۡا مَا فِیۡۤ اَنۡفُسِکُمۡ اَوۡ تُخۡفُوۡہُ یُحَاسِبۡکُمۡ بِہِ اللّٰہُ ؕ فَیَغۡفِرُ لِمَنۡ یَّشَآءُ وَ یُعَذِّبُ مَنۡ یَّشَآءُ ؕ وَ اللّٰہُ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۲۸۴﴾ লিল্লা-হি মা ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদিওয়া ইন তুবদূমা-ফীআনফুছিকুম আও তুখফূহু ইউহা-ছিবকুম বিহিল্লা-হু ফাইয়াগফিরু লি মাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইউ‘আযযিবু মাইঁ ইয়াশাউ ওয়াল্লা-হু আলা-কুল্লি শাইয়িন কাদীর। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর এবং তোমাদের অন্তরে যা রয়েছে তা প্রকাশ কর অথবা গোপন রাখ, আল্লাহ তার হিসাব তোমাদের নিকট হতে গ্রহণ করবেন; অতঃপর তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন, যাকে ইচ্ছা শাস্তি দিবেন; এবং আল্লাহ সর্ব বিষয়োপরি শক্তিমান। اٰمَنَ الرَّسُوۡلُ بِمَاۤ اُنۡزِلَ اِلَیۡہِ مِنۡ رَّبِّہٖ وَ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ ؕ کُلٌّ اٰمَنَ بِاللّٰہِ وَ مَلٰٓئِکَتِہٖ وَ کُتُبِہٖ وَ رُسُلِہٖ ۟ لَا نُفَرِّقُ بَیۡنَ اَحَدٍ مِّنۡ رُّسُلِہٖ ۟ وَ قَالُوۡا سَمِعۡنَا وَ اَطَعۡنَا ٭۫ غُفۡرَانَکَ رَبَّنَا وَ اِلَیۡکَ الۡمَصِیۡرُ ﴿۲۸۵﴾ আ-মানাররাছূলু বিমাউনঝিলা ইলাইহি মির রাব্বিহী ওয়াল মু’মিনূনা কুল্লুন আ-মানা বিল্লাহি ওয়া মালাইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুছুলিহী লা-নুফাররিকুবাইনা আহাদিম মির রুছুলিহী ওয়া কা-লূ ছামি‘না ওয়াআতা‘না গুফরা-নাকা রাব্বানা-ওয়া ইলাইকাল মাসীর। রাসূল তার রাব্ব হতে তার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা বিশ্বাস করে এবং মু’মিনগণও (বিশ্বাস করে); তারা সবাই আল্লাহকে, তাঁর মালাইকাকে, তাঁর গ্রন্থসমূহকে এবং তাঁর রাসূলগণকে বিশ্বাস করে; (তারা বলে) আমরা তাঁর রাসূলগণের মধ্যে কেহকেও পার্থক্য করিনা। এবং তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং স্বীকার করলাম; হে আমাদের রাব্ব! আমরা আপনারই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনারই দিকে শেষ প্রত্যাবর্তন। لَا یُکَلِّفُ اللّٰہُ نَفۡسًا اِلَّا وُسۡعَہَا ؕ لَہَا مَا کَسَبَتۡ وَ عَلَیۡہَا مَا اکۡتَسَبَتۡ ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَاۤ اِنۡ نَّسِیۡنَاۤ اَوۡ اَخۡطَاۡنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحۡمِلۡ عَلَیۡنَاۤ اِصۡرًا کَمَا حَمَلۡتَہٗ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَۃَ لَنَا بِہٖ ۚ وَ اعۡفُ عَنَّا ٝ وَ اغۡفِرۡ لَنَا ٝ وَ ارۡحَمۡنَا ٝ اَنۡتَ مَوۡلٰىنَا فَانۡصُرۡنَا عَلَی الۡقَوۡمِ الۡکٰفِرِیۡنَ ﴿۲۸۶﴾٪ লা-ইউকালিলফুল্লা-হু নাফছান ইল্লা-উছ‘আহা-লাহা-মা কাছাবাত ওয়া ‘আলাইহা-মাকতাছাবাত রাব্বানা-লা-তুআ-খিযনা ইন নাছীনা-আও আখতা’না-রাব্বানা ওয়ালা-তাহমিল ‘আলাইনা-ইসরান কামা-হামালতাহূ আলাল্লাযীনা মিন কাবলিনা-রাব্বানা-ওয়ালা তুহাম্মিলনা-মা-লা-তা-কাতা লানা-বিহী ওয়া‘ফু‘আন্না-ওয়াগফিরলানা-ওয়ারহামনা-আনতা মাওলা-না-ফানসুরনা-‘আলাল কাওমিল কা-ফিরীন। কোন ব্যক্তিকেই আল্লাহ তার সাধ্যের অতিরিক্ত কর্তব্য পালনে বাধ্য করেননা; সে যা উপার্জন করেছে তা তারই জন্য এবং যা সে অর্জন করেছে তা তারই উপর বর্তাবে। হে আমাদের রাব্ব! আমরা যদি ভুলে যাই অথবা ভুল করি সেজন্য আমাদেরকে অপরাধী করবেননা। হে আমাদের রাব্ব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেরূপ গুরুভার অর্পণ করেছিলেন আমাদের উপর তদ্রুপ ভার অর্পণ করবেননা। হে আমাদের রাব্ব! যা আমাদের শক্তির বাইরে ঐরূপ ভার বহনে আমাদেরকে বাধ্য করবেননা, এবং আমাদের পাপ মোচন করুন ও আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদেরকে দয়া করুন, আপনিই আমাদের আশ্রয়দাতা! অতএব কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

সূরা ফালাক

  সূরা ফালাক এর আরবী উচ্চারণ। সূরা ফালাকের ৫ টি আয়াতের আরবী উচ্চারণ দেওয়া হয়েছে।  قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ সূরা ফালাক এর বাংলা উচ্চারণ। সূরা ফালাকের ৫ টি আয়াতের বাংলা উচ্চারণ দেওয়া হয়েছে।  ১) কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক ২) মিন শাররি মা-খালাক। ৩) ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। ৫) ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। সূরা ফালাক এর বাংলা অর্থ। সূরা ফালাকের ৫ টি আয়াতের বাংলা অর্থ দেওয়া হয়েছে।  ১) বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার, ২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে, ৩) অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, ৪) গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে ৫) এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

সূরা আল নাস

  সূরা আল নাস সূরা আল নাসের আরবি উচ্চারণসহ বাংলা অনুবাদ: بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি) قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ কুল আউযু বিরাব্বিন নাস বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, مَلِكِ النَّاسِ মালিকিন্ নাস মানুষের অধিপতির। إِلَهِ النَّاسِ ইলাহিন্ নাস মানুষের মা’বুদের। مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ মিন্ শররিল ওয়াস্ ওয়াসিল খান্নাস তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ আল্লাযী ইউওযাসবিসু ফী ছুদুরিন্নাস যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে। مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শুদ্ধ আমল করার তৌফিক দিন। আল্লাহুম্মা আমিন।

সূরা ফাতিহা

  সূরা ফাতিহা সূরা ফাতিহার আরবি উচ্চারন, বাংলা অর্থ ও ফজিলত সমুহ। ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ বাংলা উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম বাংলা অনুবাদ : পরম দয়ালু, সবসময় দয়ালু আল্লাহ্র নামে [শুরু করছি]। ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ ﺍﻟْﻌَﺎﻟَﻤِﻴﻦَ বাংলা উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আ’-লামি-ন। বাংলা অনুবাদ : সকল প্রশংসা, মহিমা এবং ধন্যবাদ আল্লাহর; তিনি সকল চেতন অস্তিত্বের সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী, যত্নশীল প্রভু। ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَٰﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ বাংলা উচ্চারণ : আররাহমা-নির রাহি-ম বাংলা অনুবাদ : পরম দয়ালু, সবসময় দয়ালু ﻣَﺎﻟِﻚِ ﻳَﻮْﻡِ ﺍﻟﺪِّﻳﻦِ বাংলা উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন বাংলা অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি। ﺇِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﻌْﺒُﺪُ ﻭَﺇِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﺴْﺘَﻌِﻴﻦُ বাংলা উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন বাংলা অনুবাদ : আমরা একমাত্র আপনার, শুধুই আপনার দাসত্ব করি, এবং একমাত্র আপনার কাছে, শুধুই আপনার কাছে অনেক চেষ্টার পরে সাহায্য চাই। ﺍﻫْﺪِﻧَﺎ ﺍﻟﺼِّﺮَﺍﻁَ ﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻘِﻴﻢَ বাংলা উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম বাংলা অনুবাদ : আমাদেরকে একমাত্র সঠিক, প্রতিষ্ঠিত, ঊর্ধ্বগামী, ক্রমাগত কঠিনতর পথের জন্য বিস্তারিত পথনির্দেশ দিন। ﺻِﺮَﺍﻁَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻏَﻴْﺮِ ﺍﻟْﻤَﻐْﻀُﻮﺏِ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻀَّﺎﻟِّﻴﻦَ বাংলা উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ— ল্লি-ন। বাংলা অনুবাদ : তাদের পথ যাদেরকে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য, অনুগ্রহ, কল্যাণ দিয়েছেন, যারা নিজের এবং অন্যের ক্রোধের শিকার হয় না এবং ভুল পথে যায় না। সূরা ফাতিহার ফজিলত ঃ রোকন রাইয়ান : পুরো কুরআন শরীফের গুরুত্বপূর্ণ সুরা ফাতিহা। এ সুরার মাধ্যমেই সূচনা হয়েছে পবিত্র কুরআনের। সুরাটিকে আল কুরআনের সার সংক্ষেপও বলা হয়। এ সুরা নাজিল হয়েছে মানুষের সার্বিক কল্যাণ মুক্তি ও পথপ্রদর্শক হিসেবে। সুরাটি ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অন্য সব সুরার আলাদা। সূরা ফাতিহার বৈশিষ্ট্য : ১) এই সূরা কুরআনের সর্বাধিক মর্যাদাম-িত সূরা। তাওরাত, জবুর, ইনজিল, কুরআন কোন কিতাবে এই সূরার তুলনীয় কোন সূরা নেই। বুখারি, মিশকাত : ২১৪২ ২) এই সূরা এবং সূরায়ে বাকারা’র শেষ তিনটি আয়াত হল আল্লাহ্র পক্ষ থেকে প্রেরিত বিশেষ নূর, যা ইতিপূর্বে কোন নবীকে দেওয়া হয়নি। মুসলিম শরীফ : ৮০৬ ৩) যে ব্যক্তি নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, তার ছালাত অপূর্ণাঙ্গ। রাসূলুল্লাহ সা. এ কথাটি তিনবার বললেন। মিশকাত : ৮২৩ ৪) আবু সা‘ঈদ খুদরী রা. বলেন, একবার এক সফরে আমাদের এক সাথী জনৈক গোত্রপতিকে শুধুমাত্র সূরায়ে ফাতিহা পড়ে ফুঁ দিয়ে সাপের বিষ ঝাড়েন এবং তিনি সুস্থ হন। বুখারি শরীফ : ৫৪০৫ সুরা ফাতিহার বিশেষ মর্যাদা হলো, আল্লাহ এটিকে নিজের ও নিজের বান্দার মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। একে বাদ দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব নয়। সেজন্যই এর নাম দেয়া হয়েছে ‘উম্মুল কুরআন’। পবিত্র কুরআন মূলত তিনটি বিষয়ে বিন্যস্ত। তাওহীদ, আহকাম ও নছীহত। সূরায়ে ইখলাছে ‘তাওহীদ’ পূর্ণাঙ্গভাবে থাকার কারণে তা কুরআনের এক তৃতীয়াংশের মর্যাদা পেয়েছে। কিন্তু সূরায়ে ফাতিহায় তিনটি বিষয় একত্রে থাকার কারণে তা ‘উম্মুল কুরআন’ হওয়ার মহত্তম মর্যাদা লাভে ধন্য হয়েছে। তাফসীরে কুরতুবী : ১৪৮ সূরা ফাতিহার ফজিলত : সুরা ফাতিহার ফজিলত অপরিসীম। এর ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি নিন্মরূপ। ১) উবাই ইবনু কা‘ব রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘আল্লাহ উম্মুল কুরআনের মত তাওরাত ও ইনজিলে কিছু নাযিল করেননি। এটিকেই বলা হয়, ‘আস-সাব‘উল মাছানী’ (বারবার পঠিত সাতটি আয়াত), যাকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে। আর আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, সে যা চাইবে’। নাসায়ী শরীফ : ৩১৯ ২) আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, তোমরা সূরা ফাতিহা পড়। কোন বান্দা যখন বলে, আলহামদুলিল্লাহি রাবিবল আলামীন, তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। যখন বলে, আর-রহমা-নির রহীম, তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণ বর্ণনা করেছে। বান্দা যখন বলে, মালিকি ইয়াউমিদ্দীন। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করেছেন। বান্দা যখন বলে, ইয়্যাকানা’বুদু ওয়া ইয়্যা কানাস্তাইন, আল্লাহ বলেন, এ হচ্ছে আমার ও আমার বান্দার মাঝের কথা। আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, যা সে চায়। বান্দা যখন বলে, ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম.. (শেষ পর্যন্ত)। আল্লাহ বলেন, এসব হচ্ছে আমার বান্দার জন্য। আমার বান্দার জন্য তাই রয়েছে, যা সে চায়। মুসলিম শরীফ : ৩৯৫ ৩) ইবনে আববাস রা. বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে জিবরাঈল আ. উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ জিবরাঈল আ. ওপর দিকে এক শব্দ শুনতে পেলেন এবং চক্ষু আকাশের দিকে করে বললেন, এ হচ্ছে আকাশের একটি দরজা যা পূর্বে কোনদিন খোলা হয়নি। সে দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হলেন এবং রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে এসে বললেন, ‘আপনি দু’টি নূরের সুসংবাদ গ্রহণ করুন। যা আপনাকে প্রদান করা হয়েছে। তা আপনার পূর্বে কোন নবীকে প্রদান করা হয়নি। তা হচ্ছে সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষ দু’আয়াত। মুসলিম শরীফ : ৮০৬ সূরা আল-ফাতিহার বাংলা অনুবাদ : পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ’র নামে আরম্ভ করছি (১) যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। (২) যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। (৩) যিনি বিচার দিনের মালিক। (৪) আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। (৫) আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, (৬) যে সমস্ত লোকের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। (৭) তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হযেছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। সূরা ফাতিহার সর্বাধিক পরিচিত নাম ‘সূরাতুল ফাতিহা’। তারপরও সূরা ফাতিহার স্থান, মর্যাদা, বিষয়বস্তু, ভাবভাষা, প্রতিপাদ্য বিষয় ইত্যাদির প্রতি লক্ষ্য রেখে এর বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেক নামের সাথেই সূরাটির সামঞ্জস্য বিদ্যমান। এই সূরাটির ফযীলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ যেন আমাদের সকলকেই সূরা ফাতিহার প্রতি আমল করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার তাওফীক দান করেন। আমীন!

হাদিস

  আলী (রাযিয়াল্লাহুআনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহুআলাইহি সাল্লাম) একটি সেনাবাহিনী পাঠালেন। জনৈক আনসারকে তার আমীর নিযুক্ত করলেন এবং সেনাদলের সবাইকে তার অনুগত্য করার নির্দেশ দিলেন। কোন কারণে আমীর রাগান্বিত হল এবং বললঃ নবী (সাল্লাল্লাহুআলাইহি সাল্লাম) কি  তোমাদেরকে আমার অনুগত্য করার হুুুুকুম দেননি।   উত্তরে তারা বললঃঃ অবশ্যই দিয়েছেন।  আমীর বললঃ তাহলে তোমরা আমার জন্য কিছু কাঠ সংগ্রহ করো। তারা কাঠ সংগ্রহ করলো। আমীর বললেন ঃ এবার কাঠে আগুন  লাগাও। তারা তখন কাঠে আগুন লাগাল। তখন সে বললঃ তোমরা আগুনে ঝাপিয়ে পড়। লোকেরা ঝাপিয়ে    পড়তে সংকল্প করল।  কিন্তু পরক্ষণেই   তারা পরস্পরকে তা থেকে বাধা দিতে লাগল এবং  বলতে লাগল আমরা তো জাহান্নামের  আগুন থেকে পালিয়ে   নবী (সাল্লাল্লাহুআলাইহি সাল্লাম) এর নিকট আশ্রয় নিয়েছিলাম।  এভাবে তারা  ইতস্তত করতে করতে আগুুন নিভে গেলো। আর ওদিকে আমীরের রাগও পড়ে গেল।   নবী (সাল্লাল্লাহুআলাইহি সাল্লাম) এর নিকট যখন এ খবর পৌঁঁছল  তখন তিনি বললেন ঃ  যদি তারা ঐ আগুনের  মধ্যে  ঝাপিয়ে পড়তো তাহলে কিয়ামত  পর্যন্ত  আর তার মধ্য থেকে বের হতে  পারতোনা।  আনুগত্য   কেবল সৎকাজেের  ক্ষেত্রে হতে হবে। (বোখারী ৪৩৪০)

বাংলা

  ১, অভাবে সভাব নষ্ট- Necessity knows no law. ২, অতি চালাকের গলায় দড়ি- Too much cunning overreaches itself. ৩, অতি লোভা তাতি নষ্ট- To kill the goose that lays golden eggs./ All covet, all lost. ৪, অতি ভক্তি চোরের লক্ষন- Too much courtesy, full of craft. ৫, অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট- Too many cooks spoil the broth. ৬, অস ময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু- A friend in need is a friend indeed. ৭, অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী- A little learning is a dangerous thing. ৮, অপচয়ে অভাব ঘটে-Waste not, want not. ৯, অন্ধকারে ঢিল মারা-Beat about the bush. ১০, অন্ধের কিবা রাত্রি কিবা দিন-Day and night are alike to a blind man. ১১, অপ্রিয় সত্য কথা বলতে নেই- Do not speak an unpleasant truth. ১২, অরণ্যে রোদন/ বৃথা চেষ্টা- Crying in the wilderness. ১৩, অর্থই অন অনর্থের মূল-Money is the root cause of all unhappiness. ১৪, অহংকার পতনের মূল-Pride geoth before destruction. ১৫, অহিংসা পরম ধর্ম-Love is the best virtue. ১৬, অসারের গর্জন তর্জন সার/খালি কলসি বাজে বেশি-An empty vessel sounds much. ১৭, আকাশ কুশুম কল্পনা-Build castles in the air. ১৮, আগাছার বাড় বেশি-All weeds grow apace. ১৯, আগে ঘর, তবে তো পর-Charity begins at home. ২০, আঠারোমাসে বছর-Tardiness. ২১, আপনার গায়ে আপনি কুড়াল মারা-To dig one’s own grave. ২২, আপনার ভাল পাগলেও বোঝে- Even a fool knows his business. ২৩, আপনি বাঁচলে বাপের নাম/ চাচা আপন প্রাণ বাচা-Self preservation is the first law of nature. ২৪, আগুন নিয়ে খেলা-To play with fire. ২৫, আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর-The cobbler must stick to his last. ২৬, আয় বুঝে ব্যয় কর-Cut your coat according to yor cloth. ২৭, আল্লাহ তাদেরই সাহায্য করেন যে নিজেদের সাহায্য করে- Allah helps those who helps help themselves. ২৮, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়-Where there is a will, there is a way ২৯, ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়-Tit for tat. ৩০, ইশ্বর যা করেন সবই মঙ্গলের জন্য-It is all for the best./ What God wills is for good. ৩১, উলু বনে মুক্তা ছড়ানো- To cast pearls before swine. ৩২, উত্তম মাধ্যম দেওয়া(মারপিট করা)- To beat black and blue. ৩৩, উচুগাছেই বেশি ঝড় লাগে-High winds blow on high hills. ৩৪, উঠন্তি মুলো পত্তনেই চেনা যায়-The child is father to the man ৩৫, উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে- One doth the scath and another hathhh the scorn. ৩৬, উড়ে এসে জুড়ে বসা-To be quick to occupy. ৩৭, এক ক্ষুরে মাথা মোড়ান-To be tarred with the same brush. ৩৮, এক ঢিলে দুই পাখি মারা-To kill two birds with one stone. ৩৯, এই তো কলির সন্ধ্যা- It is just the beginning of the trouble. ৪০, এক হাতে তালি বাজে না-I takes two to make a quarrel. ৪১, এক মিথ্যা ঢাকতে অন্য মিথ্যার অশ্রয় নিতে হয়- One lie leads to another. ৪২, একাই একশ- A host in himself. ৪৩, একূল অকূল দুকূল গেল- To fallen between two stools. ৪৪, এক মাঘে শীত যায় না- One swallow does not make a summer. ৪৫, এক মুখে দূরকম কথা-To blow hot and cold in the same braeth. ৪৬, কই মাছের প্রাণ বড় শক্ত- A cat has nine lives. ৪৭, কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে না-No pains no gains. ৪৮, কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না-Black will take no other hue. ৪৯, কাচা বাশে ঘুণে ধরা-To be spoiled in early youth. ৫০, কাটা দিয়ে কাটা তোলা-To swallow the bait. ৫১, কাকে কান নিয়েছে শুনে কাকের পিছনে ছোটা- To swallow the bait. ৫২, কাকের মাংস কাকে খায় না-No raven will not pluck another’s eye. ৫৩, কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা-To add insult to injury./ To add fuel to fire. ৫৪, কান টানলে মাথা আসে-Give the one, the other will follow. ৫৫, কানা ছেলের নাম পদ্ম লোচন-Appearance s are deceptive. ৫৬, কিল খেয়ে কিল চুরি করা-To pocket an insult. ৫৭, কুকুরের পেটে ঘি সহ্য হয়না- Habit is the second nature. ৫৮, কেচো খুরতে সাপ-From the frying pan to the fire. ৫৯, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়- Let us wait to see the conclusion. ৬০, খাল কেটে কুমির আনা- To bring on calamity by one’s own imprudence. ৬১, অসারের গর্জন তর্জন সার/খালি কলস বাজে বেশি -Empty vessels sound much. ৬২, খিদে থাকলে নুন দিয়ে খাওয়া যায়।–Hunger is the best sauce. ৬৩, গাছে তুলে মই কেড়ে নেওয়া-To leave one in the lurch. ৬৪, গামে মানে না আপনি মোড়ল- A fool to others to himself a sage. ৬৫, ঘর পোড়া গরু সিদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়-A burnt child dreads the fire. ৬৬, ঘরের শত্রু বিভীষন- Fifth columnist. ৬৭, ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া-To make a fruitless effort. ৬৮, ঘোড়া দেখে খোড়া খোড়া হওয়া- To be unwilling to work when there is somebody to help. ৬৯, ঘোমটার ভেতর খেমটার নাচ-Coquetry under the guise of modesty. ৭০, চাদেও কলঙ্ক আছে-There is no unmixed goods. ৭১, চাচা আপন জান বাচা-Ever y man is for himself. ৭২, চেনা বামুনের পৈতা লাগে না-Good value for ready money. ৭৩, চকচক করলেই সোনা হয় না-All the glitters is not gold. ৭৪, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই-All thieves are cousins. ৭৫, ছেড়ে দে মা কেদে বাচি-Don’t nag me, and leave me in peace. ৭৬, ছেলের হাতের মোয়া-Child’s play thing. ৭৭, জহুরীরাই জহর চেনে-Diamond cut diamond. ৭৮, জোর যার মুল্লুক তার-Might is right. ৭৯, গরু মেরে জুতা দান-To rob Peter, to pay paul. ৮০, ঝিকে মেরে বৌকে শেখান-To whip the cat of the mistress who doesn’t spin. ৮১. ঝোপ বুঝে কোপ মারা- Make hay while the sun shines. ৮২. টাকায় কি না হয়-Money makes everything. ৮৩. ঠেলার নাম বাবাজি -Nothing likes force. ৮৪. তেল মাথায় তেল দেওয়া- To carry coal to new castle. ৮৫. দশের লাঠি একের বোঝা-Many a little makes a mickle. ৮৬. দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পোষা-To cherish a serpent in one’s bosom. ৮৭. দুষ্ট গরু অপেক্ষা শূন্য গোয়াল ভাল-Better an empty house than a bad tenant. ৮৮.দেখতে নারী তার চলন বাকা- Faults are thick whele loves is thin. ৮৯. ধান বানতে শীবের গীত-A rigmorale ৯০. ধরমের কল বাতাসে নড়ে-Virtue proclaims itself. ৯১, ধরি মাছ না ছুয়ে পানি- To make sure of something without risking anything. ৯২, নুন আন পানতা ফুরায়-After meal comes mustard. ৯৩, নানা মুনির নানা মত-Many men, many minds. ৯৪, নাকে তেল ঘুমান-To be careless about what happens. ৯৫, নিজের বলই শ্রেষ্ঠ বল-Self-help Read more

৪১ হিট সাজেশনস

  গুরুত্বপূর্ণ এবং কনফিউশান মূলক প্রশ্ন। বিভিন্ন পরীক্ষায় ৩-৪ নম্বর কমন থাকে। #উপজাতিদের_ভাষা ❖ মারমাদের ভাষা – পালি। ❖ সাঁওতালদের ভাষা – সাঁওতালি। ❖ রাখাইনদের ভাষা – পালি। ❖ ওরাওঁদের ভাষা – কুরুক/সাদ্রি। ❖ গারোদের ভাষা – আচিক খুসিক। ❖ ত্রিপুরাদের ভাষা – ককবরক। ❖ খাসিয়াদের ভাষা – মনখেমে। ❖ মণিপুরীদের ভাষা – বিষ্ণুপ্রিয়া। ❖ পাঙনরা কথা বলে – মৈ তৈ মণিপুরীদের ভাষায়। #উপজাতিদের_উৎসব ❖ চাকমাদের উৎসব – বিঝু। ❖ সাঁওতালদের উৎসব – সোহরাই। ❖ গারোদের উৎসব – ওয়ানগালা। ❖ খিয়াংদের দের উৎসব – সাংলানা। ❖ ত্রিপুরাদের উৎসব – বৈসুক। ❖ মারমাদের উৎসব – সাংগ্রাই। ❖ রাখাইনদের উৎসব – জলকেলি। ❖ তঞ্চঙ্গ্যাদের উৎসব – বিঝু। ❖ ম্রোদের উৎসব – ক্লবপাই। ❖ ওরাওঁদের উৎসব – কারাম। ❖ পলিয়াদের উৎসব – দুর্গাপূজা। ❖ রবিদাসদের উৎসব – মাঘি পূর্ণিমা। ❖ মাহাতোদের উৎসব – সহরায়। ❖ মণিপুরীদের উৎসব – রসযাত্রা, দোলযাত্রা। #উপজাতিদের_ধর্ম ❖ চাকমা, মারমা, খিয়াং, রাখাইন, খুমি, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – বৌদ্ধ। ❖ হাজং, ত্রিপুরা, খাড়িয়া, কোচ, ডালু, নুনিয়া, পালিয়া, পাহান, ভূঁইমালী, মাহাতাে, মুশহর, রবিদাস, রানা কর্মকার, লহরা, কুর্মি, কোচ, খাড়িয়া, নায়েক, পাত্র, বর্মণ, বীন, বােনাজ, শবর, হাজং, হালাম উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – সনাতন। ❖ খাসিয়া, গারাে, লুসাই, বম, মাহালী উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – খ্রিষ্টান। ❖ পাঙন উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – মুসলিম। ❖ মণিপুরী, ডালু উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – বৈষ্ণব। ❖ মুণ্ডা, রাজবংশী উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – প্রকৃতি পূজা। ❖ ওঁরাও উপজাতি যে ধর্মের অনুসারী – জড়ােপাসক। #উপজাতিদের_দেবতা ❖ উব্লাই নাংথউ, উব্লাউ মতং, উব্লাউ সংসপাহ, উরিং কেউ, কায়িহ যে উপজাতিদের দেবতা – খাসিয়া/খাসি। ❖ সিং বােংগা বা সূর্য, মারাং বুরু, ওরাক, মােরেইকো যে উপজাতিদের দেবতা – সাঁওতাল। ❖ হিন্দুদের প্রায় সব দেবদেবী যে উপজাতিদের দেবতা – হাজং। ❖ হিন্দুদের কিছু কিছু দেবতা যে উপজাতিদের দেবতা – ত্রিপুরা/টিপরা। ❖ ওরেং, থুরাং, সুংতিয়াং যে উপজাতিদের দেবতা – মুরং। ১) গারো পাহাড় – ময়মনসিংহে ২) লালমাইপাহাড় – কুমিল্লা ৩) চন্দ্রনাথ পাহাড় – সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম ৪) কুলাউড়া পাহাড় – মৌলভীবাজার ৫) চিম্বুক পাহাড় – বান্দরবান ৬) জৈয়ন্তিকা পাহাড় – সিলেট ৭) হিমছড়ি – কক্সবাজার ৮) আলুটিলা – খাগড়াছড়ি ৯) হালদা ভ্যালি – খাগড়াছড়ি ১০) বলিশিরা – মৌলভীবাজার ১১) সাঙ্গু ভ্যালি – চট্টগ্রাম ১২) ভেঙ্গি ভ্যালি – কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি ১৩) নাপিত খালি ভ্যালি – কক্সবাজার ১৪) মাইনীমুখী ও সাজেক ভ্যালি – রাঙ্গামাটি ১৫) দেশের বৃহত্তম দ্বীপ – ভোলা ১৬) প্রবাল দ্বীপ – সেন্টমার্টিন ১৭) পাহাড়ি দ্বীপ – মহেশখালী ১৮) সর্বদক্ষিণের দ্বীপ – ছেঁড়া দ্বীপ ১৯) হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় – দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ২০) হাতিয়ায় – নিঝুম দ্বীপ ২১) মহেশখালীতে – সোনাদিয়া দ্বীপ ২২) ভোলায় – মনপুরা দ্বীপ ২৩) কক্সবাজার – কুততুবদিয়া দ্বীপ ২৪) টেকনাফে – শাহপরীর দ্বীপ ২৫) সন্দদ্বীপ – চট্টগ্রামে ২৬) চর তুফানিয়া – পটুয়াখালিতে ২৭) পাটনির চর, পাখির চর – সুন্দরবন ২৮) উড়ির চর – সন্দদ্বীপ ২৯) চর শাহবানী – হাতিয়া, নোয়াখালী ৩০) দুবলার চর – সুন্দরবনের দক্ষিণে ৩১) দেশের বৃহত্তম বিল – চলনবিল ৩২) চলনবিল – পাবনা ও নাটোর ৩৩) তামাবিল – সিলেট ৩৪) ভবদহ বিল – যশোর ৩৫) কোলাবিল – খুলনা ৩৬) ডাকাতিয়া বিল – খুলনা ৩৭) আড়িয়াল বিল – মুন্সিগঞ্জ ৩৮) বাইক্কা বিল – মৌলভীবাজার ৩৯) কাইয়ার বিল – কক্সবাজার ৪০) হাকালুকি হাওড় – মৌলভীবাজার ৪১) টাঙ্গুয়ার হাওড় – সুনামগঞ্জ ৪২) হাইল হাওড় – মৌলভীবাজার ৪৩) বুরবুক হাওড় – জৈন্তাপুর, সিলেট ৪৪) শুভলং ঝরণা – রাঙ্গামাটি ৪৫) হামহাম ঝরণা– কমলগঞ্জ ৪৬) বড়লেখা ঝরণা – মৌলভীবাজার ৪৭) নাফাকুম ঝরণা – থানচি, বান্দরবান ৪৮) বাকলাই ঝরণা – থানচি, বান্দরবান ৪৯) ফাইপি ঝরণা – থাইকং, বান্দরবান ৫০) ঋজুক ঝরণা – রুমা, বান্দরবান এই রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পেতে আমাকে ফলো করতে পার খাতঃ ১. জিডিপির খাত: ২১টি। শ্রেণী- ৩টি (কৃষি, শিল্প ও সেবা) ২. অর্থনীতির খাত: ১৫টি ৩. জাতীয় আয়ের খাত: ১৫টি ৪. কৃষির খাত: ৩টি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণী) ৫. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা মতে সেবা খাতে শ্রেণী: ১১টি ৬. সামাজিক উন্নয়নের খাত: ১৪৫টি ৭. শিল্পের শ্রেণী: ১২টি #অর্থনীতির প্রধান খাত: কৃষি ও বনজ সম্পদ #জিডিপির প্রধান খাত: সেবা #আয়ের প্রধান খাত: রাজস্ব #রাজস্বের প্রধান খাত: ভ্যাট #রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত: পোশাক শিল্প #ব্যয়ের প্রধান খাত: কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস।

সাধারন জ্ঞান

জানা_অজানা_তথ্য ★জানেন কি? Miscall শব্দের অর্থ “গালি দেওয়া। ★জানেন কি? Education শব্দটিতে সবগুলো vowel আছে। ★জানেন কি? A quick brown fox jumps over the lazy dog শব্দটিতে সবগুলো ইংরেজি letter আছে। ★জানেন কি? মৃত সাগরে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় কোনো মানুষ ডোবে না। ★জানেন কি? ইংল্যান্ডের রাণী কোনো রকম পাসপোর্ট ছাড়াই সব দেশে যেতে পারেন। ★জানেন কি? আমাজান বনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়। ★জানেন কি? Facebook ব্যবহারে ঢাকা বিশ্বের ২য় বৃহত্তম শহর। ★জানেন কি? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধাতুর স্বল্পতার কারনে, ঐ সময়ের অস্কারের খেতাব স্বরূপ মূর্তিটি কাঠের তৈরি ছিল!! ★জানেন কি? শিকাগো কে পৃথিবীর কসাইখানা বলা হয়। ★জানেন কি? Floccinaucinihilipilification সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যার অর্থ হচ্ছে তুচ্ছ জ্ঞান করা। ★জানেন কি? ক্যাঙ্গারু রাটের কখনো পানি পানের প্রয়োজন পড়ে না। ★জানেন কি? হার্মিং বার্ড একমাত্র পাখি, যে পিছনের দিকে উড়তে পারে। ★জানেন কি? পিউমিস (Pumice) পৃথিবীর এক মাত্র পাথর যা পানির উপরে ভাসে!! ★জানেন কি? পোল্যান্ডে কোনো দম্পতি যদি বিবাহিত জীবন একসাথে ৫০ বছর অতিক্রম করতে পারে তবে সে দম্পতিকে প্রেসিডেন্ট পদক দেওয়া হয়। ★জানেন কি? ৯৯% লোকই যখন তাদের পাসোয়ার্ডের একটি অক্ষর ভুল করে, তখুনি সে পুরো পাসোয়ার্ড ব্যাকস্পেস দিয়ে ডিলিট করে ফেলে এবং পুনরায় টাইপ করে। ★জানেন কি? অধিকাংশ লিপস্টিক তৈরিতে মাছের আঁশ ব্যাবহার করা হয়। ★জানেন কি? ইংরেজি বর্ণমালায় সর্বাধিক ব্যাবহার করা বর্ণ হলো “E” এবং সবচেয়ে কম ব্যাবহার করা বর্ণ হলো “Q” ★জানেন কি? একজন মানব শিশু হাঁটা শেখার পূর্বে গড়ে ১৫০ কিলোমিটারের মতো হামাগুড়ি দেয়! ★জানেন কি? কলা এবং সবুজ আপেল ওজন কমাতে সাহায্য করে!! ★জানেন কি? ঘোড়ার লেজ কাটা পড়লে সেটা মারা যায়!!

সাম্প্রতিক তথ্য

  ➤ অসমাপ্ত আত্মজীবনী: ◑ অনূদিত হয়: ১৪টি ভাষায় (সর্বশেষঃ মালয় ভাষায়) ◑ প্রকাশিত হয়: ১৫টি ভাষায়। ➤ কারাগারের রোজনামচা: ◑ অনূদিত হয়: ৩টি ভাষায় (সর্বশেষঃ নেপালি ভাষায়) ◑ প্রকাশিত হয়: ৪টি ভাষায়। ➤ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণ: ◑ অনূদিত হয়: ১৬টি ভাষায় (সর্বশেষঃ আইরিশ, স্কটিশ ও ওয়েলশ ভাষায়) ◑ প্রকাশিত হয়: ১৭টি ভাষায়। ///////////////////////////////////////// কোভিড – ১৯ সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান ✔️ করোনা শব্দের আভিধানিক অর্থ কি? উঃ মাথার মুকুট ✔️ কোভিড-১৯ রোগটি প্রথম কোথায় ও কবে সনাক্ত করা হয়? উঃ ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের উহান নগরীতে রোগটি সনাক্ত করা হয়। ✔️ কোন দশকে করোনা ভাইরাসের সন্দেহ মেলে? উঃ ১৯৩০ ✔️ করোনা ভাইরাস কত সালে আবিষ্কার হয়? উঃ ১৯৬০ ✔️ করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্ককারী চিকিৎসকের নাম কি? উঃ লি ওয়েনলিয়াং ✔️ লি ওয়েনলিয়াং কবে মারা যান? উঃ ৬ ফেব্রুয়ারী,২০২০ ✔️ বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী সনাক্ত করা হয় কবে? উঃ ৮ মার্চ, ২০২০ ✔️ কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রথম মারা যায় কবে? উঃ ১৮ মার্চ,২০২০ ✔️ কোভিড-১৯ কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে কবে কে ঘোষণা দেয়? উঃ ১১ মার্চ,WHO ✔️ WHO কবে এই ভাইরাসের নাম দেন 2019-nCOV? উঃ ৭ জানুয়ারি,২০২০ ✔️ কোভিড-১৯ কবে নামকরণ করা হয়? উঃ ১১ ফেব্রুয়ারি,২০২০ ✔️ WHO, COVID-19 কবে PANDEMIC হিসেবে ঘোষণা করে? উঃ ১১ মার্চ, ২০২০ ✔️ COVID-19 রোগটির বহনকারী ভাইরাসটির নাম কি? উঃ SARS-COV-2 ✔️ বিজ্ঞানীরা কবে কোভিড-১৯ কে সার্স- করোনা ভাইরাস গোত্রের বলেন? উঃ ৯জানুয়ারি,২০২০ ✔️ সর্বপ্রথম বাংলাদেশ কোন জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়? উঃ মাদারীপুর ✔️ করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম ইউরোপের কোন দেশে ধরা পরে? উঃ ফ্রান্স ✔️ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কোন ডাক্তার মারা যান? উঃ ড. মইনুদ্দিন ✔️ করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষার জন্য নাক ও গলার লালার নমুনা সংগ্রহ করার বিশেষ কাঠির নাম কী? উত্তরঃ সোয়াব স্টিক ✔️ করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট বাংলাদেশেকে সরবরাহ করেছে? উঃ WHO ✔️ WHO কবে বৈশ্বিক অবস্থা জাড়ি করে? উঃ ৩০ জানুয়ারি,২০২০ ✔️ করোনা ভাইরাসের ৭ম প্রজাতির নাম কি? উঃ 2019 Novel Corona Virus ✔️ করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্যের তৈরি কিটের নাম কী? উত্তরঃ জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট ✔️ করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে সর্বপ্রথম কোন সাংবাদিক মারা যান? উঃ হুমায়ুন কবির খোকন ✔️ আইইডিসিআর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? উঃ ১৯৭৬ ✔️ IEDCR- পূর্ণরুপ কী? উঃ Institute of Epidemiology, Diseases Control and Research. ✔️ IEDCR এর সদর দপ্তর কোথায়? উঃ মহাখালী, ঢাকা। ✔️ PPE এর পূর্নরুপ কি? উঃ Personal protective Equipment. ✔️ সর্বপ্রথম বাংলাদেশের নাগরিক কোন দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়? উঃ সিঙ্গাপুর

আল্লাহর ৯৯ টি নাম

  আল্লাহর ৯৯ টি নাম ! ( বাংলা অর্থ সহ) ১। ইয়া আল্লাহু (আল্লাহ) ২। ইয়া রহমানু (হে দয়ালু) ৩। ইয়া রহীমু (হে দয়াবান) ৪। ইয়া মালিকু (হে বাদশাহ) ৫। ইয়া ক্বুদ্দূসু (হে পবিত্রতম) ৬। ইয়া সালামু (হে শান্তি দাতা) ৭। ইয়া মুমিনু (হে নিরাপত্তা প্রদানকারী) ৮। ইয়া মুহাইমিনু (হে রক্ষকারী) ৯। ইয়া আজীজু (হে বিজয়ী) ১০।ইয়া জাব্বারু (হে পরাক্রমশালি) ১১। ইয়া মুতাকাব্বিরু (হে বড়ত্ব ও মহীমার অধিকারী) ১২। ইয়া খালিক্বু (হে সৃষ্টিকর্তা) ১৩। ইয়া বারিয়ু (হে প্রাণ দানকারী) ১৪। ইয়া মুছওয়্যিরু (হে আকৃতি দাতা) ১৫। ইয়া গাফ্ফারু (হে ক্ষমাশীল) ১৬। ইয়া কাহহারু (হে মহাশাস্তি দাতা) ১৭। ইয়া ওয়াহহাবু (হে অতিশয় দাতা) ১৮। ইয়া রাজ্জাকু (হে রিজিক দাতা) ১৯। ইয়া ফাত্তাহু (হে বিজয় দাতা) ২০। ইয়া আলীমু (হে সর্বজ্ঞাতা) ২১। ইয়া কবিদ্বু (হে রিযিক সংকোচনকারী) ২২। ইয়া বাসিতু (রিযিক প্রশস্তকারী) ২৩। ইয়া খফিদ্বু (হে পতনকারী) ২৪। ইয়া রাফিউ (হে উন্নতি প্রদানকারী) ২৫। ইয়া মুইয্যু (হে সম্মান দাতা) ২৬। ইয়া মুযিললু (হে অপমান অপদস্তকারী) ২৭। ইয়া সামীউ (হে সর্বশ্রোতা) ২৮। ইয়া বাছীরু (হে সর্বদর্শী) ২৯। ইয়া হাকামু (হে আদেশদাতা) ৩০। ইয়া আদলু (হে ন্যায় বিচারক) ৩১। ইয়া লাত্বীফু (হে সুক্ষ্মদর্শী) ৩২। ইয়া খবীরু (হে সর্বজ্ঞানী) ৩৩। ইয়া হালীমু (হে ধৈর্যশীল) ৩৪। ইয়া আযীমু (হে মহাসম্মানী) ৩৫। ইয়া গাফূরু (হে ক্ষমাশীল) ৩৬। ইয়া শাকূরু (হে মূল্যায়ণকারী) ৩৭। ইয়া আলিয়্যু (হে সর্বোচ্চ) ৩৮। ইয়া কাবীরু (হে অতি মহান) ৩৯। ইয়া হাফীজু (হে মহা রক্ষক) ৪০। ইয়া মুকীতু (হে অন্নদানকারী) ৪১। ইয়া হাসীবু (হে হিসাব পরীক্ষাকারী) ৪২। ইয়া জালীলু (হে মহিমান্বিত) ৪৩। ইয়া কারীমু (হে অনুগ্রহকারী) ৪৪। ইয়া রকীবু (হে নিরীক্ষণকারী) ৪৫। ইয়া মুজীবু (হে ডাকে সাড়াদানকারী) ৪৬। ইয়া ওয়া-ছি·উ (হে অসীম) ৪৭। ইয়া হাকীমু (হে প্রজ্ঞাবান) ৪৮। ইয়া ওয়াদূদ (হে শ্রেষ্ঠ বন্ধু) ৪৯। ইয়া মাজীদু (হে গৌরবমণ্ডিত) ৫০। ইয়া বা-ইছু (হে মৃতকে জীবনদানকারী) ৫১। ইয়া শাহীদু (হে সর্বত্র বিদ্যমান) ৫২। ইয়া হাকক্বু (হে সত্য প্রকাশক) ৫৩। ইয়া ওয়াকীল (হে কার্যসম্পাদনকার ী) ৫৪। ইয়া কাওয়িয়্যূ (হে মহাশক্তিমান) ৫৫। ইয়া মাতীনু (হে অটল) ৫৬। ইয়া ওয়ালিয়্যূ (হে অভিভাবক) ৫৭। ইয়া হামীদু (হে প্রশংসিত) ৫৮। ইয়া মুহছিয়ু (হে হিসাব রক্ষক) ৫৯। ইয়া মুবদিউ (হে প্রথম সৃষ্টিকারী) ৬০। ইয়া মুঈদু (হে পুনরায় সৃষ্টিকারী) ৬১। ইয়া মুহয়ী (হে জীবনদাতা) ৬২। ইয়া মুমীতু (হে মৃত্যুদানকারী) ৬৩। ইয়া হাইয়্যু (হে চিরঞ্জীব) ৬৪। ইয়া কাইয়্যুমু (হে স্বয়ংপ্রতিষ্ঠিত ) ৬৫। ইয়া ওয়াজিদু (হে সবকিছু পাওয়ার অধিকারী) ৬৬। ইয়া মাজিদু (হে গৌরবময়) ৬৭। ইয়া ওয়াহিদুল আহাদু (হে এক এবং একক) ৬৮। ইয়া ছমাদু (হে মুখাপেক্ষীহীন) ৬৯। ইয়া কদিরু (হে ক্ষমতাবান) ৭০। ইয়া মুকতাদিরু (হে ক্ষমতাশালী) ৭১। ইয়া মুকাদ্দিমু (হে শীঘ্র সম্পাদনকারী) ৭২। ইয়া মুওয়াখখিরু (হে বিলম্বে সম্পাদনকারী) ৭৩। ইয়া আউয়্যালু (হে সর্বপ্রথম) ৭৪। ইয়া আখিরু (হে সর্বশেষ) ৭৫। ইয়া জহিরু (হে প্রকাশ্য) ৭৬। ইয়া বাতিনু (হে অপ্রকাশ্য, গুপ্ত) ৭৭। ইয়া ওয়ালিয়ু (হে অভিভাবক) ৭৮। ইয়া মুতাআলী (হে সর্বোচ্চ) ৭৯। ইয়া বাররু (হে অনুগ্রহকারী) ৮০। ইয়া তাওয়াবু (হে তওবা গ্রহণকারী) ৮১। ইয়া মুনতাকিমু (হে প্রতিফল দানকারী) ৮২। ইয়া আফুয়্যু (হে ক্ষমাশীল) ৮৩। ইয়া রাউফু (হে স্নেহপরায়ণ) ৮৪। ইয়া মালিকুল মুলক (হে রাজ্যাধিপতি) ৮৫। ইয়া যুলজালালি ওয়াল ইকরাম (হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী) ৮৬। ইয়া মুকসিতু (হে ইনসাফ প্রতিষ্ঠাকারী) ৮৭। ইয়া জামিউ (হে কেয়ামত দিবসে বান্দাদেরকে একত্রকারী) ৮৮। ইয়া গানিয়্যু (হে ধনী) ৮৯। ইয়া মুগনিয়্যু (হে ধনদানকারী) ৯০। ইয়া মানিউ (হে বিপদ প্রতিরোধকারী) ৯১। ইয়া দ্ব-ররু (হে ক্ষতিগ্রস্থ করার মালিক) ৯২। ইয়া নাফিউ (হে লাভবান করার মালিক) ৯৩। ইয়া নূরু (হে নুর প্রদানকারী) ৯৪। ইয়া হাদিউ (হে পথ প্রদর্শক) ৯৫। ইয়া বাদীউ (হে অদ্বিতীয় স্রষ্টা) ৯৬। ইয়া বাকিয়ু (হে চিরস্থায়ী) ৯৭। ইয়া ওয়ারিছু (হে উত্তরাধিকারী) ৯৮। ইয়া রশীদু (হে সত্যতা পছন্দকারী) ৯৯। ইয়া ছবূরু (হে ধৈর্যশীল)