বিজ্ঞান

কতিপয় বিজ্ঞান সম্পর্কীয় পরিভাষা ——————————— ★ Anthropology— মানুষের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানের নামম। ★ Apiculture— মৌমাছি পালন বিজ্ঞান। ★ Aviculter— পাখি পালন বিদ্যার নাম। ★ Antomology— পোকামাকড় ও কীট পতঙ্গ সম্পর্কীয় বিজ্ঞান। ★ Archacology— প্রত্নতত্ত্ব, মানুষ, ও প্রাচীন ধক্ষংসাবশেষ সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Astrology— নক্ষত্র দেখে ভবিষ্যৎবাণী করার শাস্ত্র হল। ★ Astronomy— জ্যোতিষ শাস্ত্র, সূর্য, চাঁদ, নক্ষত্র এবং গ্রহন সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Demography— একটি জাতির অপরিহার্য পরিসংখ্যান সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Horticulture— উদ্যান পালনবিদ্যা, শাকসবজি, ফলমূল ও বৃক্ষাদির উৎপাদন সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Metallugy— ধাতু বিদ্যা, খাটি ধাতু বের করা এবং সংকর ধাতু প্রস্তুত সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানের নাম। ★ Meteorology— আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Philately— ডাকটিকিট সংগ্রহ সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Plilogy— ভাষা সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Phonetics— ধক্ষনি সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান। ★ Seismology— ভূমিকম্পের কারণ ও ফলাফল বিষয়ে গবেষণা করা। ★ Psciculture— মৎস্য চাষ সম্পর্কিত বিদ্যা। ★ Toxicology— বিষ সম্পর্কে গবেষণা করা। ★ Seariculture— গঠি পোকা ও রেশম পোকা চাষ সম্পর্কিত বিদ্যা।

বাংলা উপন্যাস

  💎💎 ২১৫টি বইয়ের নাম যা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। ১। পুতুল নাচের ইতিকথা- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ২। জোছনা ও জননীর গল্প- হুমায়ুন আহমেদ ৩। পথের পাঁচালি- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৪। লোটা কম্বল- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় ৫। পদ্মা নদীর মাঝি- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ৬। একাত্তরের দিনগুলি- জাহানারা ইমাম ৭। দিবারাত্রির কাব্য- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ৮। কবি- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯। আরন্যক- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১০। চরিত্রহীন – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১১। লালশালু- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১২। অপরাজিত – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৩। শ্রীকান্ত -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৪। চোখের বালি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৫। গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১৬। আলালের ঘরের দুলাল- প্যারিচাঁদ মিত্র ১৭। হুতোম পেঁচার নকশা- কালী প্রসন্ন সিংহ ১৮। দৃষ্টিপ্রদীপ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯। সূর্যদীঘল বাড়ি- আবু ইসহাক ২০। নিষিদ্ধ লোবান- সৈয়দ শামসুল হক ২১। জননী- শওকত ওসমান ২ 2। খোয়াবনামা – আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ২৩। হাজার বছর ধরে- জহির রায়হান ২৪। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – আলাউদ্দিন আল আজাদ ২৫। চিলেকোঠার সেপাই- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ২৬। সারেং বউ- শহীদুল্লাহ কায়সার ২৭। আরোগ্য নিকেতন- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ২৮। প্রদোষে প্রাকৃতজন – শওকত আলী ২৯। খেলেরাম খেলে যা- সৈয়দ শামসুল হক ৩০। রাইফেল রোটি আওরাত- আনোয়ার পাশা ৩১। গঙ্গা- সমরেশ বসু ৩২। শঙ্খনীল কারাগার- হুমায়ুন আহমেদ ৩৩। নন্দিত নরকে- হুমায়ুন আহমেদ Raisul Islam Hridoy ৩৪। দীপু নাম্বার টু- মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৩৫। মা- আনিসুল হক ৩৬। আট কুঠরি নয় দরজা- সমরেশ মজুমদার ৩৭। কড়ি দিয়ে কিনলাম- বিমল মিত্র ৩৮। মধ্যাহ্ন- হুমায়ূন আহমেদ। ৩৯। উত্তরাধিকার- সমরেশ মজুমদার ৪০। কালবেলা- সমরেশ মজুমদার ৪১। কৃষ্ণকান্তের উইল- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৪২। সাতকাহন- সমরেশ মজুমদার ৪৩। গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার ৪৪। পূর্ব-পশ্চিম- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ৪৫। প্রথম আলো- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ৪৬। চৌরঙ্গী – শঙ্কর ৪৭। নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি – শঙ্কর ৪৮। দূরবীন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ৪৯। শুন বরনারী- সুবোধ ঘোষ। ৫০। পার্থিব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ৫১। সেই সময়- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ৫২। মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ৫৩। তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু ৫৪। পাক সার জমিন সাদ বাদ- হুমায়ুন আজাদ ৫৫। ক্রীতদাসের হাসি- শওকত ওসমান ৫৬। শাপমোচন – ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় ৫৭। মাধুকরী- বুদ্ধদেব গুহ ৫৮। দেশে বিদেশে- মুজতবা আলী ৫৯। আরেক ফাল্গুন – জহির রায়হান ৬০। কাশবনের কন্যা- শামসুদ্দিন আবুল কালাম ৬১। বরফ গলা নদী- জহির রায়হান ৬২। গাভী বৃত্তান্ত- আহমদ ছফা ৬৩। বিষবৃক্ষ – বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায় ৬৪। দৃষ্টিপাত- যাযাবর ৬৫। তিতাস একটি নদীর নাম- অদৈত মল্লবর্মন ৬৬। কাঁদো নদী কাঁদো- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ৬৭। শিবরাম গল্পসমগ্র ৬৮। জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা – শহীদুল জহির ৬৯। আনন্দমঠ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৭০। নিশি কুটুম্ব- মনোজ বসু। ৭১। একাত্তরের যীশু- শাহরিয়ার কবির ৭২। প্রজাপতি – সমরেশ বসু ৭৩। নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় ৭৪। মাধুকরী – বুদ্ধদেব গুহ ৭৫। হুযুর কেবলা- আবুল মনসুর আহমেদ ৭৬। ওঙ্কার- আহমদ ছফা ৭৭। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর- আবুল মনসুর আহমদ ৭৮। কত অজানারে- শঙ্কর ৭৯। ভোলগা থেকে গঙ্গা- রাহুল সাংকৃত্যায়ন ৮০। টেনিদা- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ৮১। বিষাদ সিন্ধু- মীর মোশাররফ হোসেন। ৮২। বিবর- সমরেশ বসু ৮৩। তারাশঙ্করের সব গল্প ৮৪। বুদ্ধদেব বসুর সব গল্প ৮৫। বনফুলের সব গল্প ৮৬। পরশুরামের সব গল্প ৮৭। কবর- মুনীর চৌধুরী ৮৮। কোথাও কেউ নেই- হুমায়ুন আহমেদ ৮৯। হিমু অমনিবাস – হুমায়ুন আহমেদ ৯০। মিসির আলী অমনিবাস- হুমায়ুন আহমেদ ৯১। আমার বন্ধু রাশেদ- মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৯২। অসমাপ্ত আত্মজীবনী – জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ৯৩। শঙ্কু সমগ্র- সত্যজিৎ রায় ৯৪। মাসুদ রানা- কাজী আনোয়ার হোসেন। ৯৫। ফেলুদা সমগ্র- সত্যজিৎ রায় ৯৬। তিন গোয়েন্দা- সেবা প্রকাশনী ৯৭। কিরীটী সমগ্র- নীহাররঞ্জন গুপ্ত ৯৮। কমলাকান্তের দপ্তর- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৯৯। পথের দাবি- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১০০। গোরা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১০১। শবনম- মুজতবা আলী ১০২। নৌকাডুবি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১০৩। আদর্শ হিন্দু হোটেল- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১০৪। বহুব্রীহি – হুমায়ুন আহমেদ ১০৫। দেবদাস – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১০৬। মধ্যাহ্ন- হুমায়ুন আহমেদ ১০৭। বাদশাহ নামদার- হুমায়ুন আহমেদ ১০৮। বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার- মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১০৯। হাসুলিবাকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ১১০। গল্পগুচ্ছ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১১১। শেষ নমস্কার- সন্তোষ কুমার ঘোষ ১১২। হাঙ্গর নদী গ্রেনেড- সেলিনা হোসেন ১১৩। আবু ইব্রাহিমের মৃত্যু- শহীদুল জহির ১১৪। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র ১১৫। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক ১১৬। কেয়া পাতার নৌকো- প্রফুল্ল রায় ১১৭।পুষ্প ও বিহঙ্গ পিরাণ- আহমদ ছফা ১১৮। আনোয়ারা- নজীবর রহমান ১১৯। চাপাডাঙ্গার বউ- তারাশঙ্খর বন্দ্যোপাধ্যায় ১২০। চাঁদের অমাবস্যা – সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ ১২১। কপালকুণ্ডলা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১২২। প্রথম প্রতিশ্রুতি – আশাপূর্ণা দেবী ১২৩। মরুস্বর্গ- আবুল বাশার ১২৪। রাজাবলী – আবুল বাশার ১২৫। কালো বরফ- মাহমুদুল হক ১২৬। নিরাপদ তন্দ্রা- মাহমুদুল হক ১২৭। সোনার হরিণ নেই- আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ১২৮। যদ্যপি আমার গুরু- আহমদ ছফা। ১২৯। মৃতুক্ষুধা- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০। প্রদোষে প্রাকৃতজন’ – শওকত আলী। ১৩১। শেষের কবিতা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৩২। লৌহকপাট -জরাসন্ধ(চারুচন্দ্র চক্রবর্তী) ১৩৩। অন্তর্লীনা- নারায়ণ সান্যাল। ১৩৫। হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবী ১৩৬। যাও পাখি -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ১৩৭।তবুও একদিন- সুমন্ত আসলাম। ১৩৮। অন্তর্জলী যাত্রা- কমলকুমার মজুমদার ১৩৯। ব্যোমকেশ সমগ্র- শরদিন্দু ১৪০। অন্য দিন- হুমায়ূন আহমেদ ১৪১। কালপুরুষ- সমরেশ মজুমদার ১৪২। মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য ১৪৩। বিন্দুর ছেলে- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৪৪। নামগন্ধ – মলয় রায় চৌধুরী ১৪৫। মতিচূর – বেগম রোকেয়া ১৪৬। সুলতানার স্বপ্ন- বেগম রোকেয়া ১৪৭। চাঁদের পাহাড়- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪৮। অপুর সংসার- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪৯। কারুবাসনা – জীবনানন্দ দাশ ১৫০। বেনের মেয়ে- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৫১। আবদুল্লাহ – কাজী ইমদাদুল হক ১৫২। সূবর্ণলতা- আশাপূর্ণা দেবী ১৫৩। ঢোঁড়াই চরিত মানস- সতিনাথ ভাদুরী ১৫৪। উপনিবেশ – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ১৫৫। সাহেব বিবি গোলাম- বিমল মিত্র ১৫৬। পদ্মার পলিদ্বীপ – আবু ইসহাক ১৫৭। নারী- হুমায়ুন আজাদ ১৫৮। বিত্ত বাসনা- শংকর ১৫৯। সংশপ্তক- শহিদুল্লা কায়সার ১৬০! জীবন আমার বোন- মাহমুদুল হক ১৬১।ক্রাচের কর্নেল- শাহাদুজ্জামান ১৬২।১৯৭১- হুমায়ূন আহমেদ ১৬৩।দেয়াল- হুমায়ূন আহমেদ ১৬৪।পরিনীতা- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৬৫।উত্তম পুরুষ-রশীদ করীম ১৬৬।ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা- শিবরাম চক্রবর্তী ১৬৭।শতকিয়া-সুবোধ ঘোষ ১৬৮। তিস্তাপারের বৃত্তান্ত- দেবেশ রায় ১৬৯। নীল দংশন – সৈয়দ শামসুল হক ১৭০। কুকুর সম্পর্কে দু একটি কথা যা আমি জানি- সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় ১৭১। অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী- আহমদ ছফা ১৭২। ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল – হুমায়ুন আজাদ ১৭৩। শুভব্রত ও তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ -হুমায়ুন আজাদ ১৭৪। ১০,০০০, এবং আরো একটি ধর্ষণ – হুমায়ুন আজাদ ১৭৫। নভেরা- হাসনাত আবদুল হাই ১৭৬। দুচাকার দুনিয়া- বিমল মুখার্জী ১৭৭। চাকা- সেলিম আল দীন ১৭৮। হার্বাট- নবারুণ ভট্টাচার্য ১৭৯। নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে- অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮০। ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী। ১৮১। কেরী সাহেবের মুন্সী- প্রমথনাথ বিশী ১৮২। আগুনপাখি- হাসান আজিজুল হক ১৮৩। পঞ্চম পুরুষ- বাণি বসু ১৮৫। অলীক মানুষ- সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ ১৮৬। আমি বীরাঙ্গনা বলছি- নীলিমা ইব্রাহিম ১৮৭। পুত্র পিতাকে – চানক্য সেন ১৮৮। দোজখনামা- রবি শংকর বল ১৮৮। মাতাল হাওয়া- হুমায়ূন Read more

আপডেট তথ্য

  ১! বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ২।বিশ্বব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত “মানব উন্নয়ন সূচক – ২০২০” এ বিশ্বের ১৭৪ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩ তম। ৩। বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত সহজে ব্যবসা করার সূচক – ২০২০ অনুযায়ী বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম? উত্তরঃ ১৬৮তম (১৯০টি দেশের মধ্যে)। ৪।মুজিব বর্ষঃ১৭ মার্চ,২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত। ৫। পদ্মা সেতু রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে টিকে থাকতে পারবে! সেতুটির ‘ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিংয়ের’ সক্ষমতা হচ্ছে ১০ হাজার টন, যা বিশ্বে প্রথম। ৬। পদ্মা সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। ৭। পদ্মা সেতু বিশ্বে কততম? উত্তরঃ নদীর ওপর নির্মিত দীর্ঘতম সেতুর মধ্যে বিশ্বে পদ্মা সেতুর অবস্থান প্রথম। ফাউন্ডেশনের গভীরতার দিক থেকেও এর অবস্থান বিশ্বে প্রথম। দীর্ঘতম সড়ক সেতুর মধ্যে পদ্মা সেতুর অবস্থান বিশ্বে ২৫ তম। দীর্ঘতম সড়ক-রেল সমন্বয় সেতুর মধ্যে বিশ্বে পদ্মা সেতুর অবস্থান ৬ষ্ঠ। খরস্রোতা নদীর উপর নির্মিত দীর্ঘতম সেতুর মধ্যে বিশ্বে পদ্মা সেতুর অবস্থান প্রথম। ৮।বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে আজ সফলভাবে চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছে চীনের পাঠানো নভোযান ‘চ্যাং ই ফাইভ’। ৯। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২১-২০২৫। ১০। ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ড সর্বসম্মতভাবে ইউনেস্কো- বাংলাদেশ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ প্রদানের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। ▪️সৃজনশীল অর্থনীতিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। ▪️ইউনেস্কোর ২১০তম নির্বাহী বোর্ড এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।। – ★টপিকঃ-বঙ্গবন্ধুর নামে আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ★বঙ্গবন্ধুর নামে আন্তর্জাতিক পুরস্কার দেবে ইউনেস্কো। ★পুরস্কারের নামঃ- ‘ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ইন দি ফিল্ড অফ ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ । ★পুরস্কারের জন্য প্রস্তাব করেছিলঃ- বাংলাদেশ ★পুরস্কারটি প্রবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছেঃ- ইউনেস্কো। ★প্রথমবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ঃ-৯ ডিসেম্বর ২০২০ চুড়ান্ত অনুমোদন ১১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের শরৎকালীন ২১০তম অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে । ★অনুমোদন লাভ করেঃ- ইউনেস্কোর ২১০তম কার্যনির্বাহী বোর্ডের ভার্চ্যুয়াল সভার ১ম দফার অধিবেশনে (২-১১ ডিসেম্বর, ২০২০)। ★যে ক্ষেত্রে দেওয়া হবেঃ-সৃজনশীল অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী তরুণদের উদ্যোগকে সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হবে। ★উল্লেখ্যঃ- পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে সমাজের অনগ্রসর নারী, অভিবাসী ও প্রবাসী জনগোষ্ঠীর সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। ★পুরস্কারের অর্থমানঃ- ৫০,০০০ মার্কিন ডলার। ★পুরস্কার প্রদানঃ- প্রথমবারের মতো আগামী ২০২১ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ইউনেস্কো এর ৪১তম সাধারণ সভা চলাকালে দেওয়া হবে। ★আগামী ছয় বছর ধরে প্রতি দুই বছর পরপর ৫০ হাজার ডলার সমমানের এই পুরস্কার দেওয়া হবে। ★আর্থিক সহযোগিতায়ঃ- স্বীকৃতিস্বরূপ সদস্য রাষ্ট্রসমূহের আর্থিক সহযোগিতায় এ পুরস্কার দিয়ে থাকে। ★যে কারনে আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করে থাকেঃ- ইউনেস্কো শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রভৃতিসহ স্বীয় অধিক্ষেত্রে বিভিন্ন অঙ্গনে অবদান রাখার আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করে থাকে। ★প্রথম জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ সহযোগী সংস্থা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন করলো। ★ইউনেস্কো সংস্থা কর্তৃক প্রবর্তিত সৃজনশীল অর্থনীতি ক্ষেত্রে প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কারঃ- ‘ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু’ পুরস্কার । ★উল্লেখ্যঃ- ★এখন পর্যন্ত ইউনেস্কো কর্তৃক এ ধরনের পুরস্কার চালু রয়েছেঃ- ইউনেস্কো অধিক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতিমান ব্যক্তি তথা প্রতিষ্ঠানের নামে ২৩টি ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তিত রয়েছে। ★জাতিসংঘ ২০২১ সালকে International Year of Creative Economy for Sustainable Development হিসেবে ঘোষণা করেছে। ★ইউনেস্কো ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। ★এর আগে ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার মাধ্যমেও ইউনেস্কো বাংলাদেশকে সম্মানিত করে। ★এছাড়াও ষাট গম্বুজ মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার এবং সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এবং ★বাউল গান, জামদানি, মঙ্গল শোভাযাত্রা ও শীতল পাটি বিশ্ব অপরিমেয় ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশকে অন্যমাত্রায় এনে দিয়েছে।

English Literature

  Father of English Poem – Geoffrey Chaucer Founder of English Prose – Alfred the Great. Father of English Prose – John Wycliffe. Father of English Tragedy – Christopher Marlowe. Father of English Revenge Tragedy – Thomas Kyt Father of English Nobel – Henry Fielding Father of English – Francis Bacon Father of Short story – Edger Allan Poe Father of Science Fiction – Jules Verne

বিজ্ঞান

একটি মাত্র মৌল নিয়ে গঠিত খনিজ হচ্ছে হীরা, সোনা, তামা, রুপা, পারদ ও গন্ধক। সবচেয়ে কঠিন খনিজ হীরা সবচেয়ে নরম খনিজ টেলক

সাধারণ জ্ঞান

  🎯 নিচের সালগুলো বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার MCQ এ আসে….। ☞নোবেল চালু → ১৯০১ ☞ফিফা গঠিত → ১৯০৪ ☞বঙ্গভঙ্গ → ১৯০৫ ☞বঙ্গভঙ্গ রদ → ১৯১১ ☞টাইটানিক ধংস → ১৯১২ ☞রবীন্দ্রনাথের নোবেল লাভ → ১৯১৩ ☞১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় → ১৯১৪ ☞রুশ বিপ্লব → ১৯১৭ ☞১ম বিশ্বযুদ্ধ শেষ → ১৯১৯ ☞২য় ভার্সাই চুক্তি → ১৯১৯ ☞ম্যাগনাকার্টা → ১২১৫ ☞উত্তর আমেরিকা আবিস্কার → ১৪৯২ ☞শিল্প বিপ্লব → ১৭৬০ ☞আমেরিকা মুক্ত → ১৭৭৬ ☞১ম ভার্সাই চুক্তি → ১৭৮০ ☞ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ → ১৮০০ ☞ট্রাফালগার যুদ্ধ → ১৮০৫ ☞ওয়াটার লুর যুদ্ধ → ১৮১৫ ☞দাশ প্রথার বিলোপ → ১৮৬৩ ☞আব্রাহাম লিংকন মারা যান → ১৮৬৫ ☞সুয়েজ খাল খনন → ১৮৬৯ ☞ফরাসি বিপ্লব → ১৭৮৯ ☞দুই জার্মানী একত্রিত হয় → ১৯৯০ ☞শিমন পেরেজ+ইয়াসির আরাফাত নোবেল পান → ১৯৯৩ ☞নেলসন ম্যান্ডেলা প্রেসিডেন্ট হন → ১৯৯৪ ☞সিটি বিটি সই হয় → ১৯৯৬ ☞সিটি বিটি অনুমোদন → ২০০০ ☞জাতিসংঘ নোবেল পায় → ২০০৭ ☞দঃ সুদান স্বাধীন হয় → ২০১১ ☞এপিজে আঃ কালাম মারা যান → ২০১৫ ☞মোঃ আলী মারা যান → ২০১৬ ☞ফিডেল কাস্ত্রো মারা যায় → ২৫ নভেম্বর,২০১৬ ☞ঢাবি স্থাপিত → ১৯২১ ☞হিটলার জার্মান চ্যান্সলর হন → ১৯৩৩ ☞২য় বিশ্বযুদ্ধ শুরু → ১৯৩৯ ☞ছিয়াত্তরের মনবন্তর → ১১৭৬ (বাংলা) ☞২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ → ১৯৪৫ ☞জাতিসংঘ → ১৯৪৫ ☞দেশ বিভাগ → ১৯৪৭ ☞আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ → ১৯৪৮ ☞বিবিসি বাংলার যাত্রা → ১৯৪৯ ☞এভারেস্ট বিজয় → ১৯৫৩ ☞সুয়েজ খাল জাতীয়করন → ১৯৫৬ ☞চাঁদে ১ম মানুষ যায় → ১৯৬৯ ☞তাইওয়ান স্বাধীনতা হারায় → ১৯৭১ ☞ইরানে ইসলামী বিপ্লব → ১৯৭৯ ☞আঃ ছালাম ও মাদার তেরেসার নোবেল লাভ → ১৯৭৯ ☞ফকল্যান্ড যুদ্ধ → ১৯৮২ #সংগৃহিত।

বাংলাদেশের উপজাতি

    ✿ বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা – ৪৫ টি। ✿ সরকারি হিসেবে দেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৪৮ টি। ✿ বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি – চাকমা ✿ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি – সাওতাল। ✿ পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট উপজাতি বসবাস করে – ১৩ টি। ✿ বাংলাদেশে উপজাতির ভাষার সংখ্যা – ৩২ টি। ✿ প্রকৃতি পুজারি উপজাতি – মুন্ডা ও মনিপুরী। ✿ উপজাতীয় বর্ষবরণ উৎসবকে সামগ্রিকভাবে বলা হয় – বৈসাবি। ✿ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান অাইনে যতটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও শ্রেণির জণগণের উল্লেখ অাছে – ২৭ টি। ✿ উপজাতি, ক্ষুদ্রজাতি সত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে সংবিধানের – ২৩(ক) অনুচ্ছেদে। ✿ লিখিত বর্ণমালা নেই যে উপজাতির – সাওতাল। ✿ মগ উপজাতি পাহাড়ি এলাকায় পরিচিত – মারমা নামে। ✿ মগ উপজাতি সমতল এলাকায় পরিচিত – রাখাইন নামে। ✿ মগদের অাদি নিবাস ছিল – অারাকান। ✿ জলকেলি যাদের উৎসব – রাখাইনদের। ✿ ত্রিপুরাদের ভোজানুষ্ঠানকে বলে -সামৌং ✿ গারোদের ঐতিহ্যবাহী চাষ পদ্ধতি – জুমচাষ। ✿ গারোদের ভাষার স্থানীয় নাম – মান্দি ভাষা। ✿ পাঙনরা যে ভাষায় কথা বলে – মৈ তৈ মণিপুরী ভাষায়। ✿ খিয়াংরা ঈশ্বরকে বলে – হ্নাদাগা। ✿ যে উপজাতির মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ, বহুবিবাহ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন রয়েছে – হাজং। ✿ বাংলাদেশে মোট উপজাতি সংখ্যা – ১৫৮৬১৪১ জন। ✿ বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মোট জনসংখ্যার – ১.১০% ✿ চাকমা ভাষায় লিখিত উপন্যাসের নাম – ফেবো ✿ যে উপজাতি মুসলমান – পাঙন। ✿ উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী গেরিলা সংগঠনের নাম – শান্তি বাহিনী। ✿ শান্তিবাহিনীর বর্তমান চেয়ারম্যান – জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা। ✿ বাংলাদেশে উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান অাছে – ৮টি। ✿ যে দুটি উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক – গারো ও খাসিয়া। ♨ কয়েকটি উপজাতির পরিচয়: ✿ চাকমা : ● অবস্থান : পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার। ● ধর্ম : বৌদ্ধ ● প্রধান উৎসব : বিজু ✿ সাওতাল : ● অবস্থান : বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর ● ধর্ম : নাই ● প্রধান উৎসব : সোহরাই ● দেবতাদের নাম : সিং বোঙ্গা, মারাং বকু, ওরাক, মোরেইকো। ✿ ত্রিপুরা/টিপরা ● অবস্থান: পাবর্ত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঢাকা। ● ধর্ম: সনাতন ● প্রধান উৎসব : বৈসুক ● দেবতাদের নাম : হিন্দুদের কিছু কিছু দেবতা ✿ রাখাইন : ● অবস্থান : পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, বরগুনা, পটুয়াখালী, কক্সবাজার। ● ধর্ম : বৌদ্ধ ● প্রধান উৎসব : সাংগ্রাং ✿ খাসী/খাসিয়া ● অবস্থান : বৃহত্তর সিলেট ● ধর্ম : খ্রিষ্টান ● প্রধান উৎসব : বড়দিন ● দেবতাদের নাম : উব্লাউ নাংমউ, উব্লাউ মতং, উব্লাউ সংসপাহ, উরিং কেউ, কায়িহ। ✿ গারো : ● অবস্থান : বৃহত্তর সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ, টাঙ্গাইল। ● ধর্ম : খ্রিষ্টান ● প্রধান উৎসব : ওয়ানগালা ✿ পাঙন : ● অবস্থান : মৌলভীবাজার ● ধর্ম : ইসলাম ● প্রধান উৎসব : ঈদুল ফিতর ও অাজহা ✿ মণিপুরী ● অবস্থান : বৃহত্তর সিলেট ● ধর্ম : বৈষ্ণব ● প্রধান উৎসব : রাসোৎসব ✿ খিয়াং : ● অবস্থান : বান্দরবন ● ধর্ম : বৌদ্ধ ● প্রধান উৎসব : সাংলান ✿ তঞ্চঙ্গ্যা : ● অবস্থান: পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ● ধর্ম : বৌদ্ধ ● প্রধান উৎসব : বিষু ✿ ম্রো: ● অবস্থান : বান্দরবান ● ধর্ম : নাই ● প্রধান উৎসব : ক্লবপাই ✿ ওরাও ● অবস্থান : বৃহত্তর রাজশাহী ● ধর্ম : জড়োপাসক ● প্রধান উৎসব : কারাম ✿ পলিয়া ● অবস্থান : রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ● ধর্ম : সনাতন ● প্রধান উৎসব: দূর্গাপূজা ✿ মাহাতো : ● অবস্থান : বৃহত্তর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ ● ধর্ম : সনাতন ● প্রধান উৎসব : সহরায় ✿ রবিদাস: ● অবস্থান : সিলেট, হবিগঞ্জ, নওগাঁ। ● ধর্ম : সনাতন ● প্রধান উৎসব : মাঘীপূর্ণিমা ✿ হাজং ● অবস্থান : বৃহত্তম ময়মনসিংহ বিভাগ ও সুনামগঞ্জ। ● ধর্ম : সনাতন ● দেবতাদের নাম : হিন্দুদের প্রায় সব দেবদবী। ✿ রাজবংশী : ● অবস্থান : রংপুর, শেরপুর ● ধর্ম : প্রকৃতি পূজরি ♨ উপজাতিদের জন্য প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র : ✿ ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক একাডেমী – বিরিশিরি, নেত্রকোনা। ✿ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট – রাঙ্গামাটি। ✿ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট – বান্দরবান। ✿ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট – খাগড়াছড়ি। ✿ কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র – কক্সবাজার ✿ মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি– মৌলভীবাজার ✿ রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট – রামু, কক্সবাজার। ✿ রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচাল একাডেমি – রাজশাহী।              

Most important Synonym and Antonym

  Most important ­for primary and bcs preliminary examination. বিগত ১০ম থেকে ৪০তম বিসিএস এর সকল Synonym এবং Antonym­ একসাথে দেয়া হলো : Appall (মর্মাহত করা/আতঙ্কিত করা) — dismay (আতংকিত করা) [৪০তম] Franchise (ভোটাধিকার) —- privilege (নাগরিক অধিকার) [৩৮তম] Appended (যোগ করা) —- joined (যোগ করা) [৩৭তম বিসিএস] Alluring (লোভনীয়)—- tempting (প্রলুব্ধকর) [৩৭তম] proviso (শর্ত) —-Stipulation (শর্ত) [৩৭তম] venerate (সম্মান করা) —- Respect (সম্মান করা) [৩৬তম] Initiative (উদ্যোগ)—- enterprise (উদ্যোগ) [৩৫তম] Exponentialy (দ্রুতগতিতে) —– Rapidly (দ্রুতগতিতে) [৩৫তম] periphery (শেষ সীমানা, প্রান্ত) —- Marginal areas (প্রান্তিক এলাকাসমূহ) [৩৫তম] Authoritarian (স্বৈরশাসক) —- Autocratic (স্বৈরাচারী)[৩১তম] permissive (স্বাধীনচেতা) —- liberal (উদার) [৩২তম] Succumb (দাখিল করা) —- submit (দাখিল করা) [৩৩তম] Extempore (পূর্বপ্রস্তুতিহীন) —– Impromptu (পূর্বপ্রস্তুতিহীন)[৩২তম] Menacing (ভীতিকর) —- Alarming (ভীতিকর) [৩২তম] Courteous (ভদ্র) —- gracious (ভদ্র) [৩২তম] Sporadic (বিক্ষিপ্ত) —- Scattered (বিক্ষিপ্ত) [৩১তম] Omnipotent (সর্বশক্তিমান) —- Supreme (সর্বশক্তিমান) [৩১তম] Room —- Space [৩১তম] Condemn (নিন্দা করা) —- Denounce (নিন্দা করা) [৩১তম] Improvement (অগ্রগতি ) —- Betterment (উন্নয়ন)/advancement (অগ্রগতি) [৩১তম] pragmatic (প্রায়োগিক) —— practical (প্রায়োগিক) [২৯তম] precedence (অগ্রাধিকার) —– priority (অগ্রাধিকার) [২৯তম] Disinterested (নিরপেক্ষ ) —- Neutral (নিরপেক্ষ)[২৯তম] Bounty (মহত্ব) —- generosity (মহত্ব) [২৭তম] Obese (বেশ মোটা) —- very fat (খুব মোটা) [২৭তম] Magnanimous (মহানুভব) —- generous (মহানুভব)[২৬তম] Obdurate (অবাধ্য) —- Stubborn (অবাধ্য) [২৪তম] Gullibe (বিশ্বাস প্রবণ) —- willing to believe anyone (অনায়াসে কোন কিছুতে বিশ্বাস করা) [বাতিলকৃত ২৪তম] Viable (অর্থ করার যোগ্য) —- that can be done [২৪তম বাতিলকৃত] Handy (উপকারী) —- Useful (উপকারী) [২৪তম বাতিলকৃত] Resentment (রাগ) —– indignation (ক্রোধ)[২৩তম] Cohesive (দৃঢ়ভাব লেগে থাকে এমন) —- Stick together (লেগে থাকা) [২০তম] Infringe (ভঙ্গ করা) —- Transgress (ভঙ্গ করা)[১৮তম] Brochure (ব্রোশার, ছোট পুস্তিকা) —— pamphlet (ছোট পুস্তিকা)[১৮তম] Equivocal (অস্পষ্ট) —- Mistaken (ভ্রান্ত) [১৮তম] Illusive (অলীক/অবাস্তব) —– Not certain (অনিশ্চিত) [১৮তম] Efface (মুছে ফেলা) —- Rub out (মুছে ফেলা) [১৭তম] Intellectual (বুদ্ধিজীবী) —– intelligent (মেধাবী) [১৬তম] Intrepid (সাহসী) —- fearless (নির্ভীক) [১৫তম] Bootleg (চোরাচালান করা) —- Smuggle (চোরাচালান করা) [১৫তম] Incredible (অবিশ্বাস্য) —- Unbelievable (অবিশ্বাস্য)[১৫তম] scuttle (পরিত্যাগ করা) — Abandon (পরিত্যাগ করা) [১৩ত্যাগ] belated (ধীরগতিসম্পন্ন) —- tardy (ধীরগতিতে চলে এমন )[১৩তম] Sequences (অনুক্রম) —- to follow (অনুসরণ করা) [১৩তম] Competent (সক্ষম) —- capable (সক্ষম) [১০তম] Jovial (আমুদে) —- Jolly (আমুদে)/Gay (হাসিখুসি) [১০তম] Incite (খেপানো) —– Instigate (খেপানো) [১১তম] Delude (প্রতারিত করা) —- Deceive (প্রতারণা করা) [১২তম] euphemism (সুভাষণ) – inoffensive expression (কোমল অভিব্যক্তি) [১৩তম, ৩৮তম] … # Antonyms Dearth (স্বল্পতা, অভাব)—–Abundance (প্রাচুর্য) ……………… Frugal (মিতব্যয়ী) —- Extravagant (অপব্যয়ী, উড়নচণ্ডী) [৩৮তম] Honorary (অবৈতনিক) —- Salaried (বেতনভুক্ত) [১১তম] Gentle (ভদ্র) —- Rude (অভদ্র) [১১তম] Supercilious (অহংকারী) —– affable (বিনয়ী, ভদ্র, অমায়িক) [১৪তম] Indifference (ইনডিফ্রেন্স, অনীহা) —- ardour (উৎসাহ) Sluggish(ধীরুজ) —- Animated (প্রাণবন্ত) [১৭তম] Inimical (শত্রুভাবাপন্ন) —- Friendly (বন্ধুভাবাপন্ন)[১৭তম] Recacitrant (অবাধ্য) —- Compliant (বাধ্য) [২৪তম] Liability (দায়) —- assets (সম্পদ) [৩১তম] Hate (ঘৃণা করা) —- Admire (প্রশংসা করা) [৩১তম] Repeal (বাতিল করা) —- Enact (আইনে পরিণত করা) [৩১তম] Equity (ন্যায়পরায়ণতা) —- Bias (পক্ষপাতিত্ব) [৩১তম] Oblige (বাধ্য করা) —- Bother (বিরক্ত করা) [৩২তম] Cynical (নৈরাশ্যবাদী) —- Gullible (অতিবিশ্বাস প্রবণ) [৩২তম] Initiative (উদ্যোগ) —- apathy (অনীহা)/ indolence (নিস্ক্রিয়তা)[৩৬তম] transitory (ক্ষণস্থায়ী) —- permanent (স্থায়ী) [৩৬তম] Hibernate (নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকা) —- livenliness (কর্মতৎপরতা, প্রাণবন্ততা)

বাংলাদেশের নদ-নদী

    #নদ_নদী 1. মোট নদ-নদী- প্রায় ৭০০টি 2. ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৫৫টি 3. মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৩টি 4. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদী- ১টি (পদ্মা) 5. মোট আন্তঃসীমান্ত নদী- ৫৮টি 6. বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া নদী- ১টি (কুলিখ) 7. বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি এমন নদী- ২টি (হালদা ও সাঙ্গু) 8. বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে- আত্রাই 9. বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ 10. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা 11. হাড়িয়াভাঙ্গার মোহনায় অবস্থিত- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (ভারতে নাম পূর্বাশা, এই দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।) 12. প্রধান নদী- পদ্মা 13. দীর্ঘতম নদী- সুরমা (৩৯৯কিমি) 14. দীর্ঘতম নদ- ব্রহ্মপুত্র (একমাত্র নদ) (দীর্ঘতম নদীর উত্তরে ব্রহ্মপুত্র থাকলে ব্রহ্মপুত্র-ই উত্তর হবে) 15. প্রশস্ততম নদী- যমুনা 16. সবচেয়ে খরস্রোতা নদী- কর্ণফুলী 17. বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক নদী- পদ্মা 18. চলন বিলের মধ্য দিয় প্রবাহিত নদী- আত্রাই 19. জোয়ার-ভাঁটা হয় না- গোমতী নদীতে 20. প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র- হালদা নদী 21. বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ 22. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা 23. বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে- আত্রাই 24. বরাক নদী বাংলাদেশে ঢুকেছে- সুরমা হয়ে (পরে মেঘনায় গিয়ে মিশেছে) 25. যমুনার সৃষ্টি হয়- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম 1. বর্তমান নাম –> যমুনা 2. পূর্বনাম –> জোনাই নদী 1. বর্তমান নাম –> বুড়িগঙ্গা 2. পূর্বনাম –> দোলাই নদী (দোলাই খাল) 1. বর্তমান নাম –> ব্রহ্মপুত্র 2. পূর্বনাম –> লৌহিত্য 26. নদী সিকস্তি- নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত 27. নদী পয়স্তি- নদীর চরে যারা চাষাবাদ করে 28. ফারাক্কা বাঁধ- গঙ্গা নদীর উপরে (বাংলাদেশে এসে গঙ্গা ‘পদ্মা’ নাম নিয়েছে) 29. বাকল্যান্ড বাঁধ- বুড়িগঙ্গার তীরে (১৮৬৪ সালে নির্মিত) 30. টিপাইমুখ বাঁধ- বরাক নদীর উপরে (ভারতের মণিপুর রাজ্যে) 31. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র- কর্ণফুলী নদীর উপর (১৯৬২ সালে নির্মিত) 32. চট্টগ্রাম বন্দর- কর্ণফুলী নদীর তীরে 33. মংলা (খুলনা) বন্দর- পশুর নদীর তীরে 34. মাওয়া ফেরিঘাট- পদ্মার তীরে 35. প্রধান নদীবন্দর- নারায়ণগঞ্জ 36. নদী গবেষণা ইন্সটিটউট- ফরিদপুর 37. নদী উন্নয়ন বোর্ড- ঢাকায় বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল- 1. নদী –> পদ্মা 2. উৎপত্তিস্থল –> হিমালয়ের গঙ্গৌত্রি হিমবাহ 1. নদী –> ব্রহ্মপুত্র 2. উৎপত্তিস্থল –> তিব্বতের মানস সরোবর 1. নদী –> যমুনা 2. উৎপত্তিস্থল –> তিব্বতের মানস সরোবার 1. নদী –> মেঘনা 2. উৎপত্তিস্থল –> আসামের লুসাই পাহাড় 1. নদী –> কর্ণফুলী 2. উৎপত্তিস্থল –> মিজোরামের লুসাই পাহাড় নদী তীরবর্তী শহর ও গুরুত্বপূর্ণ/ঐতিহাসিক জায়গা- 1. শহর/জায়গা –> ঢাকা 2. নদী –> বুড়িগঙ্গা 1. শহর/জায়গা –> চট্টগ্রাম 2. নদী –> কর্ণফুলী 1. শহর/জায়গা –> কুমিল্লা 2. নদী –> গোমতী 1. শহর/জায়গা –> রাজশাহী 2. নদী –> পদ্মা 1. শহর/জায়গা –> মহাস্থানগড় 2. নদী –> করতোয়া 1. শহর/জায়গা –> বরিশাল 2. নদী –> কীর্তনখোলা 1. শহর/জায়গা –> খুলনা 2. নদী –> রূপসা 1. শহর/জায়গা –> টঙ্গী 2. নদী –> তুরাগ 1. শহর/জায়গা –> চাঁদপুর 2. নদী –> মেঘনা 1. শহর/জায়গা –> গাজীপুর 2. নদী –> তুরাগ 1. শহর/জায়গা –> সুনামগঞ্জ 2. নদী –> সুরমা 1. শহর/জায়গা –> মংলা 2. নদী –> পশুর 1. শহর/জায়গা –> ভৈরব 2. নদী –> মেঘনা 1. শহর/জায়গা –> রংপুর 2. নদী –> তিস্তা 1. শহর/জায়গা –> টাঙ্গাইল 2. নদী –> যমুনা 1. শহর/জায়গা –> পঞ্চগড় 2. নদী –> করতোয়া 1. শহর/জায়গা –> কক্সবাজার 2. নদী –> নাফ 1. শহর/জায়গা –> নাটোর 2. নদী –> আত্রাই 1. শহর/জায়গা –> দৌলতদিয়া 2. নদী –> পদ্মা 1. শহর/জায়গা –> কুষ্টিয়া 2. নদী –> গড়াই দ্বীপ দ্বীপ 1. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ- বাংলাদেশ 2. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ- সুন্দরবন 3. বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ- ভোলা (৩৪০৩ বর্গকিমি) 4. বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা- ভোলা 5. সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ- ছেঁড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ) [প্রকৃতপক্ষে, ছেঁড়া দ্বীপ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সর্ব দক্ষিণের অংশ । তবে জোয়ারের সময় এটি সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে আলাদা হয়ে যায় ।] 6. একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ 7. নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত- মেঘনা নদীর মোহনায় 8. নিঝুম দ্বীপের পুরোনো নাম- বাউলার চর 9. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত- সাতক্ষীরা জেলায় (আয়তন- ৮ বর্গকিমি) 10. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত- হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় 11. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম- নিউমুর বা পূর্বাশা দ্বীপ (ভারতে এ নামে পরিচিত) 12. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নিয়ে বিরোধ- বাংলাদেশ ও ভারতের 13. ভারতীয় নৌ-বাহিনী জোরপূর্বক দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নেয়- ১৯৮১ সালে 14. একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ- মহেশখালি 15. মন্দির আছে- মহেশখালিতে (আদিনাথ মন্দির) 16. মনপুরা দ্বীপ অবস্থিত- ভোলা জেলায় 17. হিরণ পয়েন্ট ও টাইগার পয়েন্ট- সুন্দরবনে অবস্থিত 18. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত- কুতুবদিয়া 19. প্রাচীনকালে সামুদ্রিক জাহাজ তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল- সন্দ্বীপ 1. বৃহত্তম দ্বীপ একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা 2. সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ ছেঁড়া দ্বীপ 3. সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ পূর্বনাম/ অপর নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা সেন্ট মার্টিন 4. পাহাড়ি দ্বীপ আদিনাথ মন্দির অবস্থিত মহেশখালি 5. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া 6. মনপুরা দ্বীপ অবস্থিত ভোলা জেলায় 7. সুন্দরবনে অবস্থিত হিরণ পয়েন্ট 8. সুন্দরবনে অবস্থিত টাইগার পয়েন্ট 9. সূর্য উদয় ও সূর্যাস্ত একসঙ্গে দেখা যায় যে দ্বীপ থেকে কুয়াকাটা পাহাড়-পর্বত-পর্বতমালা পাহাড়-পর্বত-পর্বতমালা [মাটির উঁচু স্তর বা স্তুপকে বলে পর্বত । অপেক্ষাকৃত কম উঁচু মাটির স্তুপকে বলে পাহাড় । আর তারচেয়েও ছোট যেগুলো, সেগুলোকে বলা হয় টিলা । আর অনেকগুলো পর্বতকে একসঙ্গে বলা হয় পর্বতমালা ।] [তবে পরীক্ষায় সাধারণত পাহাড় বলতেও পর্বতই বুঝিয়ে থাকে; পাহাড় বলতে আলাদা করে পাহাড় নির্দেশ করে না । এ সকল ক্ষেত্রে উত্তর দেয়ার সময় অপশনগুলো ভালোমতো খেয়াল করে উত্তর দিতে হবে । উচ্চতম পাহাড় কোনটি- এই প্রশ্নের উত্তরের অপশনে যদি গারো পাহাড় থাকে, তবে অবশ্যই গারো পাহাড় উত্তর করতে হবে ।] 1. বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ গঠিত- টারশিয়ারী যুগে 2. বাংলাদেশের পাহাড়গুলো- ভাঁজ পর্বত 3. দেশের বৃহত্তম/উচ্চতম পাহাড়- গারো পাহাড় 4. গারো পাহাড়- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত 5. বাংলাদেশের পাহাড়ের গড় উচ্চতা- ৬১০ মিটার বা ২০০০ ফুট 6. ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে (মৌলভীবাজার) 7. চন্দ্রনাথের পাহাড় অবস্থিত- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে (হিন্দুদের তীর্থস্থান) 8. লালমাই পাহাড়- কুমিল্লা 9. চিম্বুক পাহাড়- বান্দরবান 10. চিম্বুক পাহাড়ে বাস করে- মারমা উপজাতিরা 11. সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ- তাজিনডং 12. তাজিনডংয়ের অপর নাম- বিজয় 13. তাজিনডং মারমা শব্দ; মানে- গভীর অরণ্যে পাহাড় 14. তাজিনডং- বান্দরবান জেলায় অবস্থিত 15. তাজিনডংয়ের উচ্চতা- ৩১৮৫ ফুট 16. দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ- কেওকারাডং (উচ্চতা- ২৯২৮ ফুট) 17. কেওকারাডং- বান্দরবান জেলায় অবস্থিত 18. তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ- চিম্বুক পর্বতশৃ্ঙ্গ (বান্দরবান জেলায় অবস্থিত) বন বন 1. বনাঞ্চলকে- ৪ ভাগে ভাগ করা যায় 2. সামাজিক বনায়ন কর্মসূচী- ১৯৭৯ সালে 3. জাতীয় বননীতি- ১৯৯৪ সালে 4. বন আইন – ১৯৯২ ও ২০০২ সালে 5. রাষ্ট্রীয় বন নেই- Read more

ICT

  ICT বই থেকে 110 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর ১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক – ডেটা ২) ডেটা শব্দের অর্থ – ফ্যাক্ট ৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই – ইনফরমেশন ৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ ৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত – তথ্য প্রযুক্তি ৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে – UNESCO ৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে – অসংখ্য বর্তনী ৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে – কম্পিউটার ৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে – ৪টি ১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৪৬ সালে ১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৬০ সালে ১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 88.5-108.0 Hz ১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং – ৩ ধরণের ১৪) PAL এর পূর্ণরূপ – Phase Alternation by Line ১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি ১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক – ইন্টারনেট ১৭) ইন্টারনেট চালু হয় – ARPANET দিয়ে (১৯৬৯) ১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় – ১৯৮২ সালে ২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় – ১৯৮৩ সালে ২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮৬ সালে ২২) ARPANET বন্ধ হয় – ১৯৯০ সালে ২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় – ১৯৮৯ সালে ২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯২ সালে ২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%) ২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩ ২৭) টিভি – একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা ২৮) “Global Village” ও “The Medium is the Message” এর উদ্ভাবক – মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯১১-১৯৮০) ২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় – ১৯৬২ সালে ৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় – ১৯৬৪ সালে ৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি – নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান ৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড – কানেকটিভিটি ৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায় ৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার – ওয়েবসাইট ৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ – Electronic Heath Records ৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে – অফিস অটোমেশন ৩৭) IT+Entertainment = Xbox ৩৮) IT+Telecommunication = iPod ৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio ৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে – ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে ৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation ৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ – Printed Circuit Board ৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো – মিশরীয়রা ৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন – ডমিনিক জ্যা ল্যারি ৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ – স্পুটনিক-১ ৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে – ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে ৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ – Manufacturing Resource Planning ৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত ৫০।GPS এর পূর্ণরুপ – Global Positioning System ৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় – বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে – ৩১০০০+ পয়েন্ট ৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে – ১০-১৫ সেকেন্ড ৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Paulien Hogeweg ৫৫।Bioinformatics এর জনক – Margaret Oakley Dayhaff ৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় – জিনোম ৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Jack Williamson l ৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন – Paul Berg(1972) ৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর(1974) ৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company – Genetech(1976) ৬১।GMO এর পূর্ণরুপ – Genetically Modified Organism ৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল – ন্যানোটেকনোলজি ৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় – স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে ৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা – ১০টি ৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি – Screen Magnification / Screen Reading Software ৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান – ৫টি ৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় – Bandwidth ৬৮।Bandwidth মাপা হয় – bps এ ৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps ৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps ৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps ৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস ৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি ৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার ৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড ৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড ৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ – ফুল ডুপ্লেক্স মোড ৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Di electric) পদার্থ দ্বারা ৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত ৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া ৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে ৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz – 30 GHz ৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে ৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে ৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০০ কি.মি. উর্ধ্বে ৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter ৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity ৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps ৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে ৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access ৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax ৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps ৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access ৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access ৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি ৯৬।SIM = Subscriber Identity Module ৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication ৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে ৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz) ১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের ১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে ১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য ১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট ১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫) ১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GHz ১০৬.রেডিও ওয়েভের গতি 24Kbps ১০৭.CDMA 3G তে পা রাখে ১৯৯৯ সালে ১০৮.CDMA ডাটা প্রদান করে স্প্রেড স্পেকট্রামে ১০৯.1G AMPS চালু করা হয় ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায় ১১০.সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় 2G তে..